Technical Care BD https://www.technicalcarebd.com/2022/03/how-to-get-rid-of-mobile-addiction.html

মোবাইল আসক্তি থেকে মুক্তির উপায়

মোবাইল আসক্তি দূর করার উপায় - মোবাইল আসক্তি থেকে মুক্তির উপায় - মোবাইল আসক্তি কমানোর উপায় — আজকাল স্মার্টফোন এবং মোবাইল ফোন মানুষের উপর আধিপত্য বিস্তার করছে। মোবাইল আসক্তি বর্তমানের সবচেয়ে বড় সমস্যা। শুধু যুবক নয়, শিশু থেকে বৃদ্ধরাও এতে আসক্ত হয়ে পড়েছে। এমতাবস্থায় এটা বোঝা খুবই জরুরী যে আপনি স্মার্টফোনের অতিরিক্ত ব্যবহার করে আপনার সময় নষ্ট করছেন কি না? একটি জরিপে জানা গেছে, প্রতি ৫ জন মার্কিন মোবাইল ব্যবহারকারীর মাঝে ৩ জন ৬০ মিনিটের অধিক সময় তাদের মোবাইল চেক না করে থাকতেই পারেন না। 

মোবাইল আসক্তি থেকে মুক্তির উপায়

পেজ সূচীপত্র - মোবাইল আসক্তি থেকে মুক্তির উপায়

যারা স্মার্টফোনে আসক্ত, তারা তাদের ফোন বারবার চেক করেন, ফোন বন্ধ হয়ে গেলে বা কোথাও রাখতে ভুলে গেলে তারা অস্থির হয়ে ওঠেন। এই ধরনের লোকেরা কয়েক ঘন্টার জন্যও ফোন ছাড়া শান্তিতে থাকতে পারে না। এছাড়া, আরো জানা গেছে ছাত্র-ছাত্রীরা তাদের মোবাইল ফোনে প্রতিদিন গড়ে ১০ ঘন্টার বেশি সময় ইন্টারনেট ব্রাউজ এবং মেসেজ আদান প্রদান করে অতিবাহিত করে। আমেরিকার ৮২ শতাংশ মানুষ বিশ্বাস করে যে, তাদের মধ্যে মোবাইল আসক্তি বিদ্যমান। 

আমাদের দেশেও প্রত্যেকের মোবাইল আসক্তি কম নয়। বর্তমানে মোবাইল আসক্তি মানসিক অসুস্থতার একটি বিশেষ কারণ হিসাবে ধরা হয়। বেশিরভাগ ছাত্র-ছাত্রীদের পরীক্ষার খারাপ রেজাল্ট হওয়ার পিছনে প্রধান কারণ হিসাবে ধরা হয় মোবাইল আসক্তি। তাছাড়া সামাজিকতা, অসুস্থতা সহ আরো অনেক সমস্যার প্রধান কারণ হিসাবে ধরা হয় মোবাইল আসক্তি। 

আজকের এই লেখার মাধ্যমে আমরা মোবাইল আসক্তি কি, মোবাইল আসক্তি থেকে মুক্তির উপায়, মোবাইল আসক্তি কমানোর উপায়, মোবাইল আসক্তি দূর করার উপায়, মোবাইল থেকে দূরে থাকার উপায় এবং স্মার্টফোন আসক্তির লক্ষণ গুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করতে যাচ্ছি। আশা করছি আজকের আর্টিকেলটি আপনাদের প্রচুর কাজে আসবে। মোবাইল আসক্তি থেকে মুক্তির উপায় সম্পর্কে জানার আগে চলুন জেনে নেই মোবাইল আসক্তি কি?

আরো পড়ুনঃ বিজ্ঞান কি

মোবাইল আসক্তি কি

মোবাইল আসক্তি হচ্ছে আপনার সেই অবস্থা কিংবা পরিস্থিতিকে বলা যেতে পারে আপনি যখন প্রয়োজন ব্যতীত অতিরিক্ত পরিমাণে মোবাইলের ব্যবহার করছেন এবং বাধ্যতামূলক ভাবে মোবাইলের ব্যবহার করছেন। আপনি ৫ মিনিট সময়ও মোবাইল ছাড়া থাকতেই পারেননা। মোবাইল আসক্তিতে থাকা ব্যক্তি বারবার নিজের মোবাইল ফোনের মধ্যে টেক্সট, ইমেইল চেক, অ্যাপ ওপেন, ইন্টারনেট ব্রাউজ ইত্যাদি ওপেন করে থাকেন। এছাড়া মোবাইলে নোটিফিকেশন না আসলেও বারবার নতুন নোটিফিকেশনের জন্য মোবাইলের দিকে নজর এবং ধ্যান দেওয়া।

মোবাইল আসক্তিকে আপনি ঠিক সিগারেট, মদ কিংবা অন্যান্য নেশার সঙ্গে তুলনা করতে পারেন। কারণ অন্য সকল নেশাগুলোর মতোই মোবাইল আসক্তিও একটি সাংঘাতিক ক্ষতিকর নেশা। কেননা, মোবাইল আসক্তিতে থাকা কোনো একটি ব্যক্তির কাছে থেকে যখনি মোবাইল কেড়ে বা সরিয়ে নেওয়া হয়, তখন মোবাইল আসক্তিতে থাকা ব্যক্তির অন্য কোনো কাজের প্রতি মন বসেনা।

মোবাইল আসক্তি বলতে এর মাঝে বিভিন্ন বিষয়গুলো জড়িয়ে আছে যেগুলোর কারণেই লোকেরা না চাইতেও মোবাইলের অতিরিক্ত ব্যবহার করছেন। যেমনঃ অনেকেই আছেন যারা মোবাইল ফোনে গেম খেলার প্রতি আসক্ত, যার ফলে তারা সারাদিন মোবাইলে গেম খেলে সময়গুলো কাটিয়ে দিচ্ছেন এবং অন্য কোনো কাজের প্রতি তাদের মন লাগেনা। 

আর এভাবেই, অনেকেই আবার সারাদিন অতিরিক্ত ভাবে মোবাইলে অনলাইন ভিডিও দেখেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলো ব্যবহার করেন, কেউ কেউ আবার খারাপ ছবিগুলো ইত্যাদি দেখেন। উপরোক্ত আসক্তির কারণে মানুষ তাদের আসল ও বাস্তব জীবন থেকে নিজেদেরকে ধীরে ধীরে বঞ্চিত করছে, যার কারণে তাদের সাংঘাতিক ক্ষতির সম্মুখীন হতে হচ্ছে। আমি আশা করি আপনি ভালোভাবে বুঝতে পারছেন যে মোবাইল আসক্তি কি।

আরো পড়ুনঃ এটিএম কার্ড কি? এটিএম কার্ড ব্যবহারের নিয়ম

মোবাইল আসক্তির লক্ষণ

প্রিয় পাঠক এবার চলুন জেনে নেই আপনিও কি মোবাইলে আসক্ত? নিম্নে উল্লেখ করা কয়েকটি বিষয়ের মাধ্যমে আপনিও মোবাইল আসক্ত কি-না তা যাচাই বাছাই করতে পারবেন। যেমনঃ ১। আপনি কি প্রতিদিন কমপক্ষে ১০০ বার আপনার ফোনটি চেক করেন কিংবা প্রতি ১০ মিনিটে অন্তত একবার ২।ঘুমানোর সময় বালিশের পাশে ফোন রেখে ঘুমাচ্ছেন ৩। প্রতিদিন কমপক্ষে ৬ ঘণ্টা সময় ব্যয় করেন মোবাইল পেছনে ৪। মাঝে মধ্যে আপনি কি মধ্যরাতে আপনার ফোনটি চেক করেন ৫। আপনি যখন মোবাইল ব্যবহার করেন তখন আপনার সময় ব্যয় হচ্ছে এই চিন্তা আসে না

৬। আপনি যখন কাউকে কল কিংবা মেসেজ দিচ্ছেন কিন্তু দ্রুত সাড়া না আসলে রাগ হচ্ছেন ৪। সর্বদা আপনার পকেটে হাত দিচ্ছেন, মোবাইলটা আছে কিনা দেখতে ৭। আপনার ফোন আপনার সাথে না থাকলে আপনি অস্বস্তি বোধ করেন ৮। আপনি কি অন্যদের সাথে আলাপ করার চেয়ে আপনার মোবাইলে সময় ব্যয় করাকে বেশী পছন্দ করেন ৯। আপনি অন্যান্য কাজ, এমনকি খাবার খাওয়ার সময়ও মোবাইল ব্যবহার করেন? 

উপরোক্ত এই কারণ গুলো যদি আপনার মাঝে বিদ্যমান থাকে তাহলে আপনি এই মোবাইল আসক্তির একজন কিংবা আপনার আশেপাশের মাঝে যদি কারো এই সমস্যা থাকে তাহলে সেও মোবাইলে আসক্ত? 

আরো পড়ুনঃ ক্রেডিট কার্ড এবং ডেবিট কার্ডের মধ্যে পার্থক্য কি

মোবাইল আসক্তি এর মূল বিষয়গুলো কি কি?

আপনি কি মোবাইল আসক্তি সমস্যায় ভুগছেন? কিন্ত, আপনি নিজেও মোবাইল আসক্তির লক্ষণ গুলো ঠিকভাবে বুঝতে পারছেন না। তাহলে নিম্নে দেওয়া মোবাইল আসক্তির কারণগুলো যদি আপনার সঙ্গে মিলে যায় তবে আপনি মোবাইল ফোনের আসক্তির শিকার হয়েছেন।

১। অতিরিক্ত পরিমাণে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, টেক্সটিং, মেসেজিং ইত্যাদি ব্যবহার করা ২। ইউটিউব কিংবা অন্যান্য ভিডিও ওয়েবসাইট গুলোতে গিয়ে সারাদিন ভিডিও দেখা ৩। মোবাইল আসক্তি এর বেশি খারাপ দিক হচ্ছে খারাপ ভিডিও দেখা এবং সময় নষ্ট করা ৪। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ওয়েবসাইট গুলোতে গিয়ে নতুন কনটেন্ট দেখার আশায় স্ক্রল করতে থাকা। বিনা প্রয়োজনে বারবারই মোবাইলের নোটিফিকেশন চেক করা, সোশ্যাল মিডিয়া অন করা, এসএমএস গুলো চেক করা ইত্যাদি গুলোও মোবাইল আসক্তির লক্ষণ।

৫। অতিরিক্ত পরিমাণে অনলাইন গেম খেলা, যার কারণে বাচ্চাদের পড়াশোনার প্রতি ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে ৬। মোবাইলের ব্যাটারি শেষ হয়ে গেলে বা মোবাইল বন্ধ হয়ে গেলে, ইন্টারনেট বা wifi সংযোগ না থাকলে আপনার মন ছটফট করছে তাহলে আপনি মোবাইল আসক্তির শিকার হতে পারেন ৭। আপনি কি দিনদিন পরিবার এবং বন্ধুবান্ধবদের নিকট থেকে নিজেকে দুরে সরে নিচ্ছেন? 

এমন অনেক ক্ষেত্রে দেখে যায় মোবাইল আসক্তির ফলে অনেকে নিজের পরিবার এবং বন্ধুবান্ধবদের কাছে থেকে নিজেকে দুরে সরে নিচ্ছে। তাই এটাও মোবাইল আসক্তির একটি লক্ষণ। প্রিয় পাঠক আমরা জানলাম মোবাইল আসক্তির মূল বিষয়গুলো কি কি। এবার চলুন জেনে নেই মোবাইল আসক্তির কারণে কি কি ক্ষতি হয়ে থাকে।

আরো পড়ুনঃ ক্রেডিট কার্ডের সুবিধা এবং অসুবিধা

মোবাইল আসক্তির ক্ষতিকর দিক কি কি

মোবাইল আসক্তি কি ও মোবাইল আসক্তির লক্ষণ এবং মোবাইল আসক্তির মূল বিষয়গুলো জানার পর এবার চলুন জেনে নেই মোবাইল আসক্তির কারণে আমাদের কি কি ধরনের ক্ষতি হচ্ছে। প্রিয় পাঠক মোবাইল আসক্তির ক্ষতিকর দিক জানার পরেই আমার মোবাইল আসক্তি থেকে মুক্তির উপায় সম্পর্কে জেনে নিবোঃ

১। ঘুমের সমস্যা - ঘুমের ব্যাঘাত

যখননি আপনি অতিরিক্ত মোবাইল ব্যবহার করবেন তখন অবশ্যই আপনার ঘুমের সমস্যা বা ঘুমের ব্যাঘাত ঘটবে। আমরা সকলেই কমবেশি জানি যখনই মোবাইল এর স্কিনের দিকে অধিক বেশি সময় ধরে তাকানো হয় তখন ফোনের স্কিন থেকে আসা আলো আমাদের মস্কিষ্কের উপরে চাপ সৃষ্টি করে আর যার কারণে আমাদের ঘুমের ব্যাঘাত ঘটায়। আর যদি আপনি নিয়মিত রাতে ভালোভাবে ঘুমাতে না পারেন, তবে আপনার ঘুমের সমস্যা হবে এবং ফলস্বরূপ দিন দিন আপনার স্বাস্থ্য খারাপ হতে থাকবে। অথবা ধীরে ধীরে আপনার সামগ্রিক মানসিক স্বাস্থ্য খারাপ হতে থাকবে।

আরো পড়ুনঃ মোবাইল ফোন ব্যবহার এর সুফল ও কুফল

২। মস্তিষ্কের উপর প্রভাব

অত্যাধিক পরিমাণে মোবাইল ব্যবহারের করার কারণে মস্তিষ্কের উপর প্রচুর চাপ পরে।। সারাদিন মোবাইল ফোন ব্যবহার করার কারণে মস্তিষ্ক একটুও বিশ্রাম পায় না যার ফলে মস্তিষ্কের উপরে প্রচুর পরিমাণে চাপ সৃষ্টি হয়। মস্তিষ্কের উপরে চাপ করা কারণে আপনার জীবনে বিভিন্ন ধরনের সমস্যার সৃষ্টি হতে পারে বা সমস্যা সৃষ্টি হয়। মস্তিষ্কের উপরে চাপ পড়ার ফলে জীবনের সঙ্গে জড়িত প্রচুর সমস্যা গুলো যেমনঃ একাকি, চিন্তিন্ত, মন ভালো না লাগা, সব সময় রাগ রাগ ভাব, অলসতা ইত্যাদি দেখা যায়।

যার ফলস্বরূপ আপনার ব্যক্তিগত জীবনের সাথে কর্মজীবন একেবারে নষ্ট হয়ে যায়। মনে রাখবেন, উক্ত সমস্যাগুলো আরো বেশি শক্তিশালী ভাবে দেখা দিবে যদি আপনি রাতের বেলা না ঘুমিয়ে রাত জেগে মোবাইল ফোন ব্যবহার করে থাকেন। তাই আজ থেকে শপথ করুন রাতের বেলা প্রয়োজন ব্যতীত রাত জেগে কখনো মোবাইল ফোন ব্যবহার করবেন না।

৩। চোখের জন্য ক্ষতিকর - চোখের জন্য খারাপ

জেনে রাখা ভালো মোবাইল থেকে আসা আলো আমাদের চোখের জন্য অবশ্যই ক্ষতিকর বা খারাপ। তাই আপনি যখন মোবাইল আসক্তিতে ভুগছেন তখনি আপনি সারাদিন ও রাত মোবাইল ফোন ব্যবহার করছেন, যার কারণে আপনার চোখের ক্ষতিকর প্রভাব অবশ্যই পড়ছে।

৪। মানসিক চাপ

অতিরিক্ত পরিমাণে মোবাইল ফোন ব্যবহার করার কারণে মানসিক চাপের সৃষ্টি হয় কিংবা মানসিক চাপ প্রচুর পরিমাণে বৃদ্ধি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। গবেষণায় জানে গেছে যারা অতিরিক্ত পরিমাণে মোবাইল ইউজ করে মোবাইল আসক্তিতে ভুগছেন তারা অন্য ব্যাক্তিদের তুলনায় যেকোনো পরিস্থিতিতে অধিক নেগেটিভ চিন্তাভাবনা করে এবং অস্থির হয়ে পড়ে।

আরো পড়ুনঃ ভার্চুয়াল রিয়েলিটি কি

৫। কাজে ফোকাস থাকে না

জানে গেছে যখন কোনো ব্যক্তি মোবাইল আসক্তি ভুগেন তখন সে অন্যান্য কাজগুলোর প্রতি খুব সহজেই ফোকাস দিতে পারেন না। কারণ কাজের সময়ে সবসময় তার মনে হবে মোবাইলে এটা করি ওটা করি কিংবা মোবাইল খুচাতে মন চাইবে। এই রকম সমস্যা হওয়ার কারণে পড়াশোনা সহ আরো অন্যান্য কাজের প্রতি একজন মোবাইল আসক্তিতে থাকা ব্যক্তির মন বসতে চায়না। আর যদি পড়াশোনা এবং দপ্তরের কাজে মন বসতে চায় সেক্ষেত্রে তার প্রচুর সমস্যা হবে।

৬। একাকী সময় কাটানো

দেখা গেছে যে, মোবাইল আসক্তি থাকার কারণে মানুষ সমাজ থেকে দুরে সরে যাচ্ছে। প্রকৃত জীবনে তাদের তেমন কোনো বন্ধু বান্ধব থাকেনা কিংবা বন্ধু বান্ধব হয়ে উঠেনা অথবা তারা নিজেরাও বন্ধু বান্ধব বানানোর চেষ্টাও করেনা। মোবাইল আসক্তিতে থাকা ব্যক্তিরা সমাজ থেকে নিজেদেরকে দুরে রাখে। যার ফলে তারা প্রচুর লাজুক হয় এবং একাকী সময় কাটায়।

৭। জীবনে উন্নতি না হওয়া

জীবনে উন্নতি সাধনের জন্য অবশ্যই নিজেকে সঠিক ভাবে কাজকর্ম, পড়াশোনা এবং গুরুত্বপূর্ণ প্রত্যেক বিষয় গুলোর উপর ভালোভাবে নজর দিতে হবে। আর যদি কোনো ব্যাক্তি যখনি মোবাইল আসক্তি পড়ছে তখন সে সারা দিন মোবাইল ফোন হাতে নিয়েই তার মূল্যবান সময়টুকু কাটিয়ে দিচ্ছে। যার ফলস্বরূপ তার ভবিষ্যৎ অন্ধকারের দিকে আগায় নিয়ে যায়। মানে তার জীবনে উন্নতি হওয়ার সম্ভবনা খুবই কম থাকে। অর্থাৎ জীবনে কোনোভাবেই সফলতা পাওয়া সম্ভব হয়ে উঠেনা। প্রিয় পাঠক এতোক্ষণ আমরা মোবাইল আসক্তি এর ক্ষতিকর দিকগুলো সম্পর্কে জানলাম। এবার চলুন বলি মোবাইল আসক্তি থেকে মুক্তির উপায় গুলো কি কিঃ

আরো পড়ুনঃ ভিপিএন কি | ভিপিএন কিভাবে কাজ করে

মোবাইল আসক্তি থেকে মুক্তির উপায়

যদি আপনি মোবাইল আসক্তি এর সমস্যায় ভুগে থাকেন তাহলে কিছু সাধারণ নিয়ম ও উপায়গুলো অনুসরণ করে খুবই সহজে এবং তাড়াতাড়ি এই মোবাইল আসক্তি থেকে মুক্তি পেতে পারবেন। এবার চলুন আমরা এমন কিছু সেরা উপায়গুলো নিয়ে আলোচনা করবো যেগুলোর মাধ্যমে আপনারা মোবাইল আসক্তি থেকে দূরে থাকতে পারবেন।

১। মোবাইল নিজের কাছে রাখবেন না

হ্যাঁ অবশ্যই আপনি কোথাও গেলে আপনার মোবাইল ফোন আপনার সাথেই রাখার প্রয়োজন হবে, কিন্ত পড়াশোনা করার সময়ে, রাতে ঘুমানোর আগে, কাজের সময় মোবাইল নিজের কাছে থেকে দূরে সরিয়ে রাখতে হবে। কারণ যখনই আপনার চোখের সামনে মোবাইল ফোন থাকবে না তখন আপনি কিছু সময়ের জন্য হলেও কাজের প্রতি মনোযোগ দিতে পারবেন। 

এভাবে যদি আপনি আপনার কাছে থেকে মোবাইল দূরে সরিয়ে রাখার নিয়ম কিছুদিন অনুসরণ করতে পারলেই, সেটা আপনার আপনার অভ্যেসে পরিবর্তন হবে এবং আপনার মোবাইল আসক্তি কমে যাবে। এছাড়াও আপনি যে পকেটে এবং পার্সে ফোন রাখেন তা পরিবর্তন করুন, কেননা যদি এমনটি করতে পারেন তবে অবিলম্বে আপনার হাতে মোবাইল আসা থেকে রক্ষা করবে এবং এর মধ্যে আপনি অন্য কোনো কাজে ব্যস্ত থাকতে পারবেন।

২। বেশি বেশি বই পড়ুন

আপনার হাতে যদি প্রচুর পরিমাণে খালি সময় থাকে এবং সে সময়ে যদি আপনি মোবাইল ফোন ব্যবহার প্রচুর পরিমাণে ব্যবহার করে থাকেন, তাহলে এই অভ্যাস পরিবর্তন করে চেষ্টা করবেন বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলার। বই পড়ার কারণে রয়েছে প্রচুর উপকারিতা। বই পড়ার কারণে আপনার সময় ভালো কাটবে, একাকীত্ব কাটবে এবং মনও ভালো থাকবে। তাছাড়া বই পড়ার অভ্যাস আপনাকে মোবাইল আসক্তি থেকে দুরে রাখতে হেল্প করবে।

আরো পড়ুনঃ মোবাইলে ওয়াইফাই স্পিড বাড়ানোর উপায়

৩। বিছানায় যাওয়ার আগে ফোন বন্ধ করুন

ঘুমাতে যাওয়ার পূর্বে ভুলেও মোবাইল ফোন ব্যবহার করবেন না। আর মেসেজ কিংবা কল প্রভৃতি থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য আপনার মোবাইল বন্ধ রাখুন। ঘুমানোর সময় বালিশের পাশে মুঠোফোন নিয়ে ঘুমাবেন না। এতে করে মোবাইল ফোনের তেজস্ক্রিয়াজনিত ঝুঁকি থেকে মুক্ত হওয়া যায়, তেমনি ঘুম থেকে উঠেই মোবাইলের প্রতি চোখ রাখার অভ্যাস কমানো যায়।

৪। নোটিফিকেশন বন্ধ করুন

আমাদের মোবাইলের মধ্যে যতগুলো অ্যাপ আছে সেই প্রত্যেক অ্যাপগুলোর নোটিফিকেশন সারাদিন আসতেই থাকে। আর উক্ত নোটিফিকেশন গুলোর ফলে আমাদের নজর ও ধ্যান বারবার মোবাইলের দিকে চলে যায়। তাই আপনাকে কেবলমাত্র নিজের কাজের অ্যাপগুলোর নোটিফিকেশন চালু রাখতে হবে এবং কাজের বাইরের অ্যাপ গুলোর নোটিফিকেশন বন্ধ করে রাখতে হবে। এতে করে বারবার অপ্রয়োজনীয় নোটিফিকেশন আপনার মোবাইলে আসবেনা এবং আপনি অধিক সময় নিজের মোবাইল থেকে দূরে থাকতে পারবেন।

স্মার্টফোনের সেটিংসে গিয়ে নোটিফিকেশন বন্ধ করুন। যার ফলে বারবার ফোনের নোটিফিকেশন বিপ-এ আপনার মনোযোগ যাবে না। আপনার সাথে কারো কোন জরুরী কাজ থাকলে সে আপনাকে সরাসরি ফোন করবে। ফেসবুক, টুইটারসহ সামাজিক যোগাযোগের বিভিন্ন মাধ্যমে সেটিংস অপশন থেকে নোটিফিকেশন বার্তা কমিয়ে নিতে পারেন।

৫। উচ্চপ্রযুক্তির স্মার্টফোন ব্যবহার কমান

মোবাইল আসক্তি থেকে মুক্তির উপায়ের জন্য সন্তানের হাতে উচ্চপ্রযুক্তির স্মার্টফোন তুলে না দেওয়াই উত্তম। যদি অনেক বেশি প্রয়োজন হয় তাহলে সাধারণ বাটন মোবাইল ফোন ব্যবহার করার অনুমতি দিতে পারেন।

আরো পড়ুনঃ ওয়াইফাই পাসওয়ার্ড চেঞ্জ করার নিয়ম

৬। বেশি অ্যাপ ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন

মোবাইলে যতবেশি অ্যাপ ব্যবহার করবেন, মোবাইলের প্রতি আপনি ততবেশি আসক্তি হবেন। এছাড়াও, অধিক অ্যাপ থাকা মানে সারাদিন অধিক নোটিফিকেশন আসতেই থাকবে। মোবাইল ফোনের অ্যাপগুলো এমন ভাবেই তৈরি করা হয়ে থাকে, যাতে অ্যাপগুলোর প্রতি মানুষ অনেক বেশী আকৃষ্ট হয়। তাই, কাজের বাইরের কোনো এমন অপ্রয়োজনীয় অ্যাপ মোবাইলে রাখবেন না যেগুলো কেবল আপনার সময় নষ্ট করে থাকে। তাই মোবাইলে অ্যাপ ব্যবহারের প্রতি যত্নবান হোন। মোবাইল আসক্তি কমাতে অরিরিক্ত অ্যাপ ব্যবহারে সীমিত হোন।

সারাদিন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলোতে অন্যান্য ব্যক্তিদের ছবি ও ভিডিও দেখে এবং শেয়ার করে আপনি তাদেরকে লাইক, কমেন্ট, ফলো, ইনকাম দিচ্ছেন, তবে এর ফলে আপনি কি পাচ্ছেন? কোনো কিছু পাচ্ছেন তো দূরের কথা, উল্টো আপনার জীবনের মূল্যবান ও গুরুত্বপূর্ণ সময়গুলো আপনার জীবন থেকে কেড়ে নিচ্ছে। 

তাই ফোনে এই অপ্রয়োজনীয় অ্যাপ এবং ওয়েবসাইট গুলো রাখবেন না। গেমিং এবং টেক্সটিং অ্যাপ গুলোর পাশাপাশি সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাপগুলো যেমন ফেসবুক, টুইটার, ইন্সটাগ্রাম ইত্যাদি সবচেয়ে বিভ্রান্তিকর। সুতরাং আপনার মোবাইল আসক্তি নিরাময় করার জন্য আপনার ফোন থেকে তাদের ডিজেবল করুন। মোট কথা, মোবাইলে এমন কোনো অ্যাপ রাখবেননা যেগুলো আপনাকে নিজের কাজের সময়ে ডিস্ট্রাব করতে পারে। নিজেকে মোবাইল আসক্তি থেকে দূরে রাখার জন্য অপ্রয়োজনীয় অ্যাপ ডিলিট করা কিন্তু দারুন উপায়।

৭। বাটন মোবাইল ব্যবহার করুন

যদি আপনার কাছে মোবাইল থাকে তবে আপনি অবশ্যই সেটা ব্যবহার না করে থাকতে পারবেন না। তাই সেক্ষেত্রে আমি আপনাকে সাজেস্ট করবো সাধারণ বাটন মোবাইল ফোন ব্যবহার করার জন্য। বাটন মোবাইলে স্মার্টফোনের মতো ইন্টারনেট, বিভিন্ন অ্যাপ, গেমিং এর মতো অ্যাপ না থাকার কারণে ব্যবহার করতে তেমন কোনো আগ্রহ হবেনা। 

তাই, আপনি যদি স্মার্টফোনের জায়গাতে একটি সাধারণ বাটন মোবাইল ব্যবহার করেন, তাহলে জরুরি কল এবং এসএমএস ছাড়া অন্য কিছুই সেখানে করতে পারবেন না। যার ফলে আপরার মোবাইলে প্রতি আকর্ষন ধীরে ধীরে কমে যাবে। তবে হ্যাঁ, নিদিষ্ট সময়ের জন্যে কিংবা কাজের জন্য স্মার্টফোন অবশ্যই ব্যবহার করুন।

আরো পড়ুনঃ স্মার্ট টিভি এবং এন্ড্রয়েড টিভির মধ্যে পার্থক্য

৮। মোবাইলের ডাটা বন্ধ রাখুন

দিনের কিছু ঘন্টার জন্য আপনার ডেটা বন্ধ রাখুন, অর্থাৎ ইন্টারনেট বন্ধ রাখুন। এতে আপনার মন বারবার ফোনের দিকে তাকাতে প্রলুব্ধ হবে না এবং ব্যাটারিও বাঁচবে।

৯। হাত ঘড়ি ব্যবহার করুন

প্রায়ই বেশীরভাগ মানুষ সময় দেখার জন্য মোবাইল ফোন ব্যবহার করে থাকি। সময় জানার জন্যে হাত ঘড়ি ব্যবহার করার চেষ্টা করুন যাতে আপনাকে সময় জানার জন্যে মোবাইল ব্যবহার করতে না হয়। যার ফলে আপনাকে মোবাইলের প্রতি নির্ভরশীল হওয়া থেকে বিরত রাখবে।

১০। আড্ডা বা খেলায় অংশগ্রহণ করুন

বিভিন্ন আড্ডা কিংবা খেলার মাঠে নিজের অংশগ্রহণ বাড়ানোর চেষ্টা করুন। বন্ধুদের সাথে নিজের অভিজ্ঞতা শেয়ার, বন্ধুদের চোখে চোখ রেখে গল্প-আড্ডায় মেতে উঠুন, এতে করে মোবাইল আসক্তি অনেক কমে আসবে।

১১। গ্রুপ চ্যাট গুলো মিউট করে রাখুন

মোবাইল কিংবা সোশ্যাল মিডিয়ায় সময় নষ্টের সবচেয়ে বড় মাধ্যম হলো গ্রুপ চ্যাটিং। তাই মোবাইলে আসক্তি কমানোর জন্য গ্রুপ চ্যাট মিউট করে দিন।

আরো পড়ুনঃ ভিসা কার্ড এবং মাস্টার কার্ডের মধ্যে পার্থক্য

১২। গান বাজনা শোনা বন্ধ করুন

যানজটে বসে মোবাইলে মুখ না গুঁজে ব্যাগের মধ্যে বই রাখতে পারেন। যানজটে মোবাইলে গান বাজনা না শুনে কিংবা ফেসবুক ব্যবহার না করে বেশি বেশি বই পড়ার অভ্যাস তৈরি করুন।

১৩। সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাপ রিমুভ করে দিন

আশা করি, এই বিষয়টি ব্যাখ্যা করার কোনো প্রয়োজন নাই। যদি আপনি নিজেও একটু খেয়াল করেন, তবে দেখতে পারবেন আপনার বেশিরভাগ সময় নষ্ট হয়ে থাকে এই সোশ্যাল মিডিয়া গুলোতে। তাই, মোবাইল আসক্তি থেকে মুক্তির জন্য এখনই আপনার ফোন থেকে সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাপগুলো রিমুভ বা আনইন্সটল করে দিন।

১৪। মিসড কল অ্যালার্ট রাখুন

কোনো মিটিং অথবা ক্লাসে মোবাইল ফোন বন্ধ করে ব্যাগে কিংবা টেবিলের ড্রয়ারে রেখে দিন। মিসড কল অ্যালার্ট সার্ভিসের মাধ্যমে মোবাইল বন্ধ রাখার সময় আপনাকে কে কে কল দিয়েছিলো তা সহজেই জানতে পারেন। এতে করে মোবাইল ব্যবহারের প্রতি আকর্ষণ কম হবে এবং মোবাইলে আসক্তি থেকে মুক্তি পাবেন।

১৫। মোবাইল ব্যবহার করার সময় নির্ধারণ করুন

আপনি যখন মোবাইল ব্যবহার করবেন তখন আপনাকে একটি নিদিষ্ট সময় নির্ধারণ করে নিতে হবে এবং আপনার মনকে বুঝাতে হবে নিদিষ্ট সময়ের বাহিরে মোবাইল ফোন ব্যবহার করা যাবেনা। মোবাইল ব্যবহার করার জন্যে তাই আপনি নিদিষ্ট একটি টাইম সেট করে দিন এবং শুধুমাত্র সেই সময়টুকু মোবাইল ব্যবহার করুন। এই কাজ করার কারণে আপনি ধীরে ধীরে অতিরিক্ত মোবাইল ফোন ব্যবহার করার আসক্তি হ্রাস পাবে।

১৬। সময় কাটানোর অন্যান্য উপায় বের করুন

গবেষণায় জানা গেছে যে সকল ব্যাক্তিরা একাকীত্ব সময় কাটায় তারা বেশীরভাগ মোবাইল আসক্তি হয়ে থাকেন। কেননা যে ব্যাক্তি দিনের দিন একাকীত্ব সময় কাটায় সেটা সময় কাটানোর সেরা উপায় হিসেবে স্মার্টফোনকে সিলেক্ট করবে এটাই স্বাভাবিক। এভাবে দীর্ঘদিন অতিরিক্ত মোবাইল ফোন ব্যবহার করার কারণে এটা অভ্যাসে পরিণত হয়ে যায়। তাই যদি আপনি একাকীত্ব সময় কাটাতে চান তবে কোনো পার্কে ঘুড়তে চান, বাবা-মার কাজের প্রতি সাহায্য করুন, নতুন নতুন কিছু শেখার চেষ্টা করুন।

আরো পড়ুনঃ ন্যানো টেকনোলজি কি

১৭। দিনে মাত্র তিনবার মেসেজের উত্তর দিন

যতবেশি পরিমাণে মেসেজের আদান-প্রদান করবেন, আপনার সময় ও মোবাইলের প্রতি আসক্তি দুটোই বৃদ্ধি পাবে। তাই চেষ্টা করুন দিনে কিছু নির্দিষ্ট সময়ে মেসেজ আদান প্রদান করুন। খুব অল্প পরিমাণে মেসেজ করার চেষ্টা করুন।

১৮। নিশ্চিত করুন যে আপনি সকালে ঘুম থেকে ওঠার সাথে সাথে কয়েক ঘন্টা ফোন থেকে দূরে থাকবেন এবং রাতে ঘুমানোর আগে কয়েক ঘন্টা ফোন দূরে রাখুন। এতে করে আপনার মোবাইলের প্রতি আসক্তি কমে যাবে।

১৯। কোনো সামাজিক অনুষ্ঠানে সেলফি বা ফোনে ছবি তোলার পরিবর্তে অনুষ্ঠানের অতিথিদের সাথে পরিচিতি বৃদ্ধি করেন আর বেশি বেশি গল্প করার অভ্যাস তৈরি করুন।

২০। দৈনন্দিন কাজের হিসেব, মিটিং কখন এবং কোথায় হবে তা লেখার জন্যে মোবাইল অ্যাপের ব্যবহারের চেয়ে কিছুদিন ডায়েরিতে হাতে-কলমে লেখার অভ্যাস গড়ে তুলুন। মোবাইল আসক্তি থেকে মুক্তির উপায় গুলোর মধ্যে এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি উপায়।

২১। খাবার খাওয়ার সময়ে কখনোই মোবাইলের পর্দায় চোখ রাখবেন না। খাবার উপভোগ করার জন্যে মোবাইল থেকে দূরে থাকুন।

২২। প্রতিদিন সকাল এবং রাতে পত্রিকা পড়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন।

২৩। এতগুলো পদক্ষেপ নেওয়ার পরেও যদি আপনার মোবাইল চেক বা ব্যবহার করার ইচ্ছে হয়, তাহলে আপনার চোখ বন্ধ করুন এবং গভীর ভাবে শ্বাস নিন।

শেষ কথা - মোবাইল আসক্তি থেকে মুক্তির উপায়

আজকের এই পোস্টে আপনি সহজে জানতে পারলেন মোবাইল আসক্তি কি, মোবাইল আসক্তির লক্ষণ, মোবাইল আসক্তির মূল বিষয় গুলো কি কি, মোবাইল আসক্তি থেকে মুক্তির উপায়, স্মার্টফোন আসক্তির লক্ষণ এবং মোবাইল আসক্তি থেকে দূরে থাকার উপায়, মোবাইল থেকে দূরে থাকার উপায় গুলো কি কি সম্পর্কে। আশা করছি আমাদের আজকের আর্টিকেল আপনাদের অবশই ভালো লেগেছে। সবটাই আমাদের আজকের আর্টিকেলের মাধ্যমে ভালোভাবে বুঝতে পারছেন। এই আর্টিকেলের সাথে জড়িত কোনো প্রশ্ন বা পরামর্শ থাকলে কমেন্টে অবশ্যই জানাবেন। 

যদি আপনি নিজের থেকে উদ্যোগ না নেন, তাহলে মোবাইল আসক্তি মুক্তি পাওয়া অসম্ভব। তাই নিজের মনকে শক্ত করুন এবং উপরের উপায়গুলো নিজের জীবনে বাস্তবায়ন করুন। দেখবেন আস্তে আস্তে আপনি মোবাইল আসক্তি থেকে মুক্তি পাবেন।

অন্যদের সাথে শেয়ার করুন

0 Comments

দয়া করে নীতিমালা মেনে মন্তব্য করুন ??

অর্ডিনারি আইটি কী?