Technical Care BD https://www.technicalcarebd.com/2021/08/How-to-earn-money-online.html

কিভাবে অনলাইন থেকে টাকা ইনকাম করা যায়

কিভাবে অনলাইন থেকে টাকা ইনকাম করা যায় — অনেকের মাথায় একটা বিষয় সারাক্ষণ চিন্তার কারন হয়ে থাকে যে অনলাইন থেকে কি টাকা ইনকাম করা যায়। আমি বলবো হ্যাঁ অনলাইন থেকে টাকা ইনকাম করা যায়, তবে আমার কথায় যে সত্য তা কেন আপনি বিশ্বাস করবেন? আপনি আঁশেপাঁশে খোজ খবর নিয়ে দেখতে পারেন। 

যেমন- জনপ্রিয় ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস ফাইভার, আপওয়ার্ক, গুরু, ফ্রিল্যান্সার ডটকম, বিল্যান্সার ইত্যাদি এসকল ওয়েবসাইটে ভিজিট করে দেখুন আসলেই অনলাইন থেকে টাকা ইনকাম করা যায়। তো আজকের এই আর্টিকেলে আমরা আলোচনা করবো কিভাবে অনলাইন থেকে টাকা ইনকাম করা যায়। জানতে হলে এই আর্টিকেলটি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত মনোযেোগ সহকারে পড়ে নিন। চলুন তাহলে জেনে নেই কিভাবে অনলাইন থেকে টাকা ইনকাম করা যায়। 

কিভাবে অনলাইন থেকে টাকা ইনকাম করা যায়

কিভাবে অনলাইন থেকে টাকা ইনকাম করা যায়

আমি মনে করলাম আপনি বিশ্বাস করেছেন যে অনলাইন থেকে টাকা ইনকাম করা যায় এবং আপনি মনেপ্রাণে অনলাইন থেকে টাকা ইনকাম করতে চান। কি বুঝতে পারছেন না তাইতো! কিভাবে অনলাইন থেকে টাকা ইনকাম করা যায়। চিন্তার কোনো কারণ নেই, আপনি সঠিক তথ্য জানার জন্য একদম সঠিক জায়গাতে আসছেন। এই আর্টিকেলে আমি কিভাবে অনলাইনে থেকে টাকা ইনকাম করা যায় তার কয়েকটি উপায় আপনাদের সাথে শেয়ার করবো। যে ক্যাটাগরি আপনার ভালো লাগবে বা পছন্দ হবে আপনি সেটার উপর দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা অর্জন করে অনলাইন থেকে সহজে টাকা ইনকাম করতে পারবেন। তোহ চলুন তাহলে জেনে নেয়া যাক- কিভাবে অনলাইন থেকে টাকা ইনকাম করা যায় তার কয়েকটি উপায় সম্বন্ধে।

ডিজিটাল মার্কেটিং

ডিজিটাল প্রডাক্ট এবং ডিজিটাল কন্টেন্টের জগতে ডিজিটাল মার্কেটিং অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। পণ্য বিক্রির বড় একটি অংশ নির্ভর করে থাকে মার্কেটিংয়ের উপরে। তো আসলে মার্কেটিং কি? মার্কেটিং হচ্ছে কোনো প্রোডাক্টকে গ্রাহক অর্থাৎ ভোক্তার কাছে উপস্থাপন বা প্রচার প্রচারণা করার একটা পদ্ধতি। যা দেখে গ্রাহক বা ভোক্তার মনে প্রোডাক্টটি কেনার আগ্রহ জাগে। ট্রাডিশনাল মার্কেটিং হচ্ছে ব্যানার অথবা মাইকিং করে প্রোডাক্ট প্রচার।

তাহলে ডিজিটাল মার্কেটিং হচ্ছে ইন্টারনেট ব্যবহার করে প্রোডাক্টের প্রচার বা প্রসার করা। ডিজিটাল মার্কেটিং বিশাল বিস্তৃত বিষয়। ইমেইল মার্কেটিং, এসইও হচ্ছে ডিজিটাল মার্কেটিংয়ের একটি ছোট অংশমাত্র। এছাড়া ডিজিটাল মার্কেটিং এর আওতায় আরও রয়েছে কনটেন্ট মার্কেটিং, সোস্যাল মিডিয়া মার্কেটিং ইত্যাদি।

বর্তমান সময়ে ডিজিটাল মার্কেটারদের ব্যাপক চাহিদা। ডিজিটাল মার্কেটিং শেখার জন্যে ইন্টারনেট বা অনলাইনে প্রচুর পরিমাণে রিসোর্স রয়েছে। আপনি চাইলে বিনামূল্য খুবই সহজে এই সকল রিসোর্স এর মাধ্যমে শিখতে পারেন ডিজিটাল মার্কেটিং। একজন ডিজিটাল মার্কেটার প্রোডাক্ট প্রচার প্রসার করে ২ ভাবে টাকা ইনকাম করে থাকে। একটি হচ্ছে প্রোডাক্ট প্রতি কমিশন নিয়ে অথবা প্রোডাক্টের প্রতি দর হিসাব করে। একজন ডিজিটাল মার্কেটার প্রতিমাসে অনেক টাকা ইনকাম করে থাকে।

আরও পড়ুনঃ ডিজিটাল মার্কেটিং কি | ডিজিটাল মার্কেটিং কেন করবেন

ভিডিও এডিটিং

মনের ভাব প্রকাশের সবথেকে শক্তিশালী মাধ্যম হচ্ছে ভিডিও কন্টেন্ট। ভালোমানের ভিডিও সম্পাদন করার জন্যে প্রয়োজন ভালোমানের ভিডিও এডিটিং। বর্তমান সময়ে ডিজিটাল কনটেন্টের মধ্যে ভিডিও কন্টেন্টের জনপ্রিয়তা অনেক বেশি যা আমরা ইউটিউব দেখলে সহজেই বুঝতে পারি। ইউটিউবের এতবেশি জনপ্রিতার মূল কারণ হচ্ছে ভিডিও।

ইন্টারনেটে আমরা যত ভিডিও দেখে থাকি তার ৯৯.৯৯ শতাংশ এডিট করা। ভিডিও এডিট না করলে ভিডিও দেখতে খারাপ হয় বা ভিডিওর মান কোয়ালিটি খারাপ হয়। ভিডিওতে নয়েজের কারনে শব্দ শুনতে পাড়া যায়না তাছাড়া সম্পুর্ণ ভিডিওটি একসঙ্গে করা করা যায়না। ভিডিওর বিভিন্ন খন্ড অংশকে একসঙ্গে যুক্ত করে একটি পরিপূর্ণ ভিডিও, নাটক অর্থাৎ চলচিত্র নির্মাণ করা হয়ে থাকে। এতো সকল কাজ করার জন্য প্রয়োজন হয় একজন দক্ষ ভিডিও এডিটরের।

বর্তমান সময়ে যেহেতু ভিডিও কনটেন্টের চাহিদা বেশি তাই মার্কেটপ্লেস সহ লোকাল মার্কেটে একজন ভিডিও এডিটরের ব্যাপক চাহিদা। ভালোমানের ভিডিও এডিটিং শিখে নিয়ে এই সুযোগটাকে সহজেই কাজে লাগাতে পারেন। ভিডিও এডিটিং এর কাজ করে মাসে কত টাকা ইনকাম করতে পারবো? এটি কিন্ত ভালো প্রশ্ন। আপনি ভিডিও এডিটং শিখে প্রতিমাসে কত টাকা ইনকাম করবেন সেটা আপনার দক্ষতা এবং অভিজ্ঞতার উপরে নির্ভর করবে। 

তবে আমি আনুমানিক একটা হিসাব দিয়ে রাখি, ভিডিও এডিটিংয়ের প্রজেক্ট প্রতি আপনি $5-$1000+ ডলার আয় করতে পারবেন খুবই সহজে। এছাড়াও যদি আপনি ভালো কাজ জানেন তবে যেকোনো প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানের হয়ে কাজ করার সুযোগ পেতে পারেন। এছাড়া অনলাইনের মাধ্যমে বিভিন্ন ক্লায়েন্ট বা বায়ায়ের ভিডিও এডিটিং এর কাজ করে প্রতিআসে অনেক টাকা ইনকাম করতে পারবেন।

গ্রাফিক্স ডিজাইনার

ভিজ্যুয়াল কন্টেন্ট হিউম্যান হিসেবে আমাদের সকলের প্রিয়। আমাদের আঁশেপাঁশে ব্যানার, পোস্টার, বইখাতা কভার থেকে শুরু করে বিস্কুটের প্যাকেট পযর্ন্ত যত ধরনের ডিজাইন দেখে থাকি সবগুলোই হচ্ছে গ্রাফিক্স ডিজাইনাদের কাজ। অনলাইন জগতের কথা যদি চিন্তা করি তবে একটি ওয়েবসাইটের জন্য লোগো থেকে শুরু করে অ্যাড ব্যনার সহ আরো বিভিন্ন ধরনের ছবি এডিট একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনার সম্পূর্ণ করে থাকে। আপনি নিশ্চয় এখান থেকে বুঝে গেছেন যে অনলাইন জগতে গ্রাফিক্স ডিজাইনারদের কেমন চাহিদা।

গ্রাফিক্স ডিজাইনারদের চাহিদা প্রতিনিয়ত বৃদ্ধি হতেই চলেছে। একজন দক্ষ গ্রাফিক্স ডিজাইনারের চাহিদা অনেক বেশি হওয়ার কারণে আপনাকে মার্কেটপ্লেসে কাজ পেতে খুবই বেশি একটা কষ্ট করার প্রয়োজন হবেনা। অনলাইন থেকে টাকা ইনকাম করার জন্য গ্রাফিক্স ডিজাইন শেখাটা হবে আপনার জন্য যুগ উপযোগী সিদ্ধান্ত।

একজন দক্ষ ও অভিজ্ঞতা সম্পন্ন গ্রাফিক্স ডিজাইনারের প্রতিমাসে ইনকাম মিনিমাম $3000-$10,000+ ডলার পর্যন্ত হয়ে থাকে। আপনি যতবেশি কাজে দক্ষ ও অভিজ্ঞ সম্পূর্ণ হয়ে থাকবেন এবং ভালোমানের কাজ ডেলিভারি দিতে পারবেন ততবেশি ডিমান্ড এবং ততবেশি টাকা ইনকাম করতে পারবেন। গ্রাফিক্স ডিজাইনের কাজের সেক্টরগুলো অনেক। সেক্টর গুলোকে ভাগ করলে অনেকগুলি সাবসেক্টর পাওয়া যায়। 

যেমন- বিজনেস কার্ড ডিজাইন, লোগো ডিজাইন, পোস্টার ডিজাইন, ব্যানার ডিজাইন, কভার ডিজাইন ইত্যাদি সহ আরও অনেককিছু যা আজকের এই আর্টিকেলে আলোচনা করাটা মনে হয় যুক্তিযুক্ত না। তাই বিষয়টা অনুগ্রহ করে আপনি গুগল করে জেনে নিবেন। গ্রাফিক্স ডিজাইনের এই সেক্টরগুলোর যেকোনো ২-১ টি শিখেই আপনি অনলাইন থেকে টাকা ইনকাম করতে পারবেন। মনে রাখবেন সবজান্তা কিন্ত কিছুই ভালো করে জানে না। এই জন্য সবগুলো শেখার চেষ্টা না করাটাই ভালো আমি মনে করি। যেকোনো একটা বিষয়ের উপরে দক্ষতা অর্জন করতে হবে কারণ টাকা ইনকাম করার জন্য দক্ষতাই হচ্ছে মূল হাতিয়ার।

আরও পড়ুনঃ গ্রাফিক্স ডিজাইন করার জন্য কেমন কনফিগারেশনের ল্যাপটপ বা ডেক্সটপ প্রয়োজন

নিজের ব্লগিং ওয়েবসাইট করে টাকা ইনকাম

ব্লগিং হচ্ছে একটা প্যাশন। ব্লগিং করে টাকা ইনকাম করতে হলে আপনাকে অনেক বেশি ধৈয্য ধারণ করার প্রয়োজন হবে। ব্লগিং করার জন্য প্রয়োজন আর্টিকেল রাইটিং স্কিল। ব্লগিং বিনামূল্য এবং টাকা খরচ করে এই দুইভাবে ব্লগিং করতে পারবেন। ফ্রিতে বিভিন্ন ওয়েবসাইট রয়েছে, যেখানে আপনি সাবডোমেইনের আওতায় এবং সম্পূর্ণ বিনামূল্য সাইট ওপেন করে লেখালেখি করতে পারেন। যেমন- ব্লগার ডটকমে আপনি ফ্রিতে একটি ব্লগস্পট ডোমেইন যুক্ত সাইট ওপেন করতে পারবেন। তবে বিনামূল্য সাইট ওপেন করলে অনেক সময় ঝামেলা হয় আর এতে আপনার অনেক বেশি সময় ব্যয় হবে।

আমি সাজেস্ট করবো আপনি টাকা দিয়ে কাস্টম ডোমেইন এবং হেস্টিং ক্রয় করে ব্লগিং শুরু করুন। আর হ্যাঁ ব্লগারে ওয়েবসাইট ওপেন করার জন্য আপনার শুধুমাত্র একটি কাস্টম ডোমেইন কেনার প্রয়োজন হবে হোস্টিং এর প্রয়োজন হবেনা। একটি ওয়েবসাইট খুলতে আপনার মাত্র ১০০০ হাজার টাকা থেকে ৩০০০ হাজার টাকার মতো খরচ পড়বে। এতে অনেক সুবিধা রয়েছে যেমন- নিজস্ব ডোমেইন ও হোস্টিং থাকছে যার জন্য পরবর্তীতে আপনাকে কোনো ঝামেলা পোহাতে হবেনা। ব্লগিং এ লেখালেখি করে আপনি যতবেশি ভিজিটর আনতে পারবেন সেখান থেকে ততবেশি ইনকাম হবে। ব্লগিং করার মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে ভিজিটর আকর্ষণ করা ও ওয়েবসাইট বেশি বেশি ভিজিটরদের ভিজিট করানো।

এবার চলুন জেনে নেই ব্লগার থেকে টাকা ইনকাম করবেন কিভাবে সেবিষয়ে জেনে নেই, ওয়েবসাইটে গুগল অ্যাডসেন্স যুক্ত করে বিজ্ঞাপন দেখানোর মাধ্যমে মাসিক $100-$1000+ ডলারের বেশি ইনকাম করা সম্ভব। কত টাকা ইনকাম করতে পারবেন সেটা ভিজিটর এবং ভিজিটের লোকেশনের উপর নির্ভর করে। এছাড়াও ব্লগারে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করার মাধ্যমে প্রচুর পরিমাণে ইনকাম করা সম্ভব। এছাড়াও প্রিমিয়াম সাবস্কিপশন এর মাধ্যমে মোটা অংকের টাকা আয় করতে পারবেন। সেজন্য আপনাকে সামান্য ধৈয্য এবং ‍কাজ করার মন মানসিকতা রাখতে হবে। শুধুমাত্র আপনি একটা কথা মনে রাখবেন তা হচ্ছে ধৈয্য ছাড়া অনলাইনে ইনকাম করার কোনো বিকল্প নেই।

আর্টিকেল রাইটার

যদি আপনি কোনো টপিক বা নিশের উপরে ভালো আর্টিকেল লিখতে পারেন তাহলে তা দিয়ে আপনি প্রতিমাসে অনেক টাকা ইনকাম করতে পারবেন। বেশিরভাগ সময়ে দেখা যায় কোনো ওয়েবসাইটের মালিক ব্লগে আরো বেশি আকর্ষনীয় এবং অধিক ভিজিটর পাওয়ার ইচ্ছা পোষণ করে। কিন্তু সময় সল্পতা এবং বিভিন্ন কারণে ওয়েবসাইটে আর্টিকেল লিখার সময় পায়না তখন সেই ব্লগের মালিক কাউকে হায়ার করে বা ভাড়া করে ওয়েবসাইটে আর্টিকেল লেখার জন্য।

এটা হচ্ছে আপনার কাছে বড় একটা সুযোগ। তবে হ্যাঁ এই আর্টিকেল রাইটিং করার জন্যে আপনাকে কিছু কাজ করার প্রয়োজন হবে। প্রথমেই আপনাকে সুন্দর বা আকর্ষণীয়ভাবে ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস গুলোতে সুন্দর এবং আকর্ষনীয় ভাবে নিজেকে এবং কাজকে প্রফাইলের মাধ্যমে সুন্দরভাবে উপস্থাপন করতে হবে। আর্টিকেল রাইটিং রিলেটেড জব খুজে বাহির করে সেখানে আপনাকে বিড বা সেই কাজে আবেদন করতে হবে। 

ওয়েবসাইটের মালিকের সঙ্গে আপনার আর্টিকেল রাইটিং জব এবং কিছু কাজের স্যাম্পল দিয়ে সেই কাজটিকে আপনাকে দেয়ার জন্য ওয়েবসাইটের মালিককে রাজি করাতে হবে। এখন কথা হচ্ছে আপনি এই আর্টিকেল রাইটিং করে মাসিক কত টাকা পর্যন্ত ইনকাম করতে পারবেন অথবা আর্টিকেল রাইটিং করে কত টাকা ইনকাম করা যায়?

আর্টিকেল রাইটিং করে  কত টাকা আয় করা যাবে তা মূলত আপনার দক্ষতা এবং কাজের অভিজ্ঞতার উপরে নির্ভর করবে। তবে হ্যাঁ প্রতিটি কন্টেন্টের জন্য $5 -$100+ ডলার পর্যন্ত ইনকাম করা যায় আর্টিকেলের দৈর্ঘ্য অর্থাৎ শব্দসংখ্যার উপরে ভিত্তি করে। যদি আপনি নতুন আর্টিকেল রাইটার হয়ে থাকেন তবেও আপনি প্রতিমাসে ১০০ শব্দের আর্টিকেলে ১ ডলার করে ইনকাম করতে পারবেন।

আরও পড়ুনঃ 2021 সালে সেরা ৭টি ফ্রিল্যান্সিং ওয়েবসাইট | অনলাইনে আয় করার ওয়েবসাইট

ওয়েব ডিজাইন

বর্তমান সময়ে ইন্টারনেটে কয়েক বিলিয়ন ওয়েবসাইট অ্যাক্টিভ আছে। এই সকল ওয়েবসাইটের ডিজাইন মূলত ওয়েব ডিজাইনাররাই করে থাকে। প্রত্যেকটি জিনিস ডিজিটালাইজ হওয়ার কারনে নতুন নতুন ওয়েবসাইট তৈরী করা হচ্ছে। তাছাড়া প্রতিটি কোম্পানি তাদের নিজেদের ব্র্যান্ডিং করার জন্য ওয়েবসাইট তৈরি করছে। আচ্ছা আপনি একবার চিন্তা করুন তো এই কাজের জন্যে একজন ডিজাইনার কত টাকা ইনকাম করতে পারে। প্রতিনিয়ত মার্কেটপ্লেসে সহ লোকাল মার্কেটে ওয়েব ডিজাইনারদের চাহিদা বেড়েই চলছে।

ওয়েব ডিজাইনারের মূলত কাজটা কি? ওয়েব ডিজাইনদের কাজ হচ্ছে কোনো ওয়েবসাইটের ফন্টসাইট অর্থাৎ ওয়েবসাইটের যে অংশটিকে আমরা দেখতে পাই সেই অংশটিকে ডিজাইন করা। ওয়েব ডিজাইনারের কাজ কোথায় পাবো? যেকোন ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসে নিজর কাজের পোর্টফোলি ও সহ প্রোফাইল বানিয়ে কাজের জন্য বিট করুন। বায়ার বা ক্লায়েন্ট আপনাকে কাজটি করতে দিলে আপনি কাজ পাবেন। একজন ওয়েব ডিজাইনারের মাসিক বেতন কত? প্রত্যেকটি ওয়েবসাইটের জন্যে $50 থেকে $1000+ ডলারের বেশি চার্জ করতে পারবেন। অনেক সময় ঘন্টা চুক্তিকে কাজ করে থাকে, যেমন ঘন্টা প্রতি $৫০ ডলার। তবে হ্যাঁ এই কাজটি শেখার জন্যে প্রয়োজন ধৈয্যর।

এসইও স্পেশালিষ্ট

ইন্টারনেটে ওয়েবসাইটের সার্চ র‌্যাংক যতবেশি ভালো সেই ওয়েবসাইটের ভিজিটর ততবেশি হবে। আর ওয়েবসাইটে ভিজিটরের পরিমাণ বেশি হলে ইনকামও বেশি হবে। গুগলে ওয়েবসাইটের ভালো র‌্যাংক পাওয়ার জন্যে এসইও (সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন) এর কোনো বিকল্প নেই। বর্তমান সময়ে এসইও কাজের চাহিদা হচ্ছে আকাশচুম্বি। ওয়েবসাইটের এসইও (সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশন) না করলে সাইটের ভিজিটর্স আসানারুপ পাবেন না।

এসইও (সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশন) যেহেতু টেকনিক্যাল বিষয় সে কারণে এটা শিখতে একটু বেশি সময় লাগবে কিন্তু এই কাজ শেখার পরে কাজের জন্য আপনাকে চিন্তা করতে হবে না অর্থাৎ কাজের অভাব হবেনা। এসইও শিখে আপনি সহজেই প্রতিমাসে $500-$5000+ ডলার পর্যন্ত ইনকাম করতে পারবেন। যদি আপনি ভালো পারফর্মেন্স দেখাতে পারেন তাহলে ইন্টারন্যাশনাল কোম্পানি থেকে চাকরির অফার পেতে পারেন। এতে আপনার শিক্ষাগত যোগ্যতাকে নিয়ে ভাবার কোনো প্রয়োজন নেই। বর্তমান সময়ে গুগল, ফেসবুক ইত্যাদির মতো বড় বড় কোম্পানিগুলোতে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা নাই এমন অনেক মানুষ আছেন যারা কাজ করছে।

আরও পড়ুনঃ Seo শিখে কিভাবে আয় করবো | Seo করে কত টাকা আয় করা যায়

ইউটিউব চ্যানেল ওপেন করে টাকা ইনকাম

যদি আপনার লেখালিখি করতে ভালো না লাগে তাহলে আপনি ভিডিও তৈরি করার মাধ্যমে অনলাইন থেকে টাকা ইনকাম করতে পারবেন, আর সেই টাকা ইনকাম করার সাইটটি হচ্ছে ইউটিউব। বর্তমান সময়ে কারো অজানা থাকার কথা না যে ইউটিউবের মাধ্যমে টাকা ইনকাম করা যায়। শুধুমাত্র আপনার ভিতরে কাজ করার জন্য আগ্রহ থাকতে হবে। ইউটিউবে কাজ করার জন্যে আপনার একটি স্মার্টফোন অথবা কম্পিউটার যথেষ্ট। ইউটিউব থেকে টাকা আয় করার জন্য কোনো ধরনের ইনভেস্ট করা লাগবে না।

শুধুমাত্র একটি চ্যানেল ওপেন করবেন, পছন্দমতো ভিডিও আপলোড করবেন। যদি আপনার চ্যানেলের ভিডিও গুলোতে ভালো পরিমাণে ভিউজ হয়ে থাকে তাহলে গুগল অ্যাডসেন্সে আবেদন করুন। গুগল অ্যাডসেন্স আপ্রুভ হয়ে গেলে আপনার চ্যানেলে ভিডিওর মাঝে অ্যাড দেখানো শুরু করবে সাথে সাথে আপনি টাকা ইনকাম করা শুরু করে দিবেন। ইউটিউব চ্যানেলে কাজ করার জন্যে আপনি এই সকল বিষয়ে লক্ষ্য বাখুন-

১। মোটামুটি ভিডিও এডিটিং সম্পর্কে ধারনা রাখতে হবে।
২। ভালোমানের ভিডিও সম্পাদনা জানতে হবে।
৩। ভুল করেও অন্যের কন্টেন্ট কপি করে চ্যানেলে পাবলিশ করবেন না। কন্টেন্ট কপি করছেন তো আপনার ইউটিউব চ্যানেল গোল্লায় যাবে।
৪। আপনার পছন্দের কোনো একটি টপিক বা নিশ নিয়ে কাজ করুন, যাতে দ্রুত সফলতা লাভ করবেন।

অ্যাপস ডেভলপার

স্মার্টফোন ব্যাতীত বর্তমানে তো মডার্ন পৃথিবী কল্পনা করা যায়না। এখন প্রত্যেকটি মানুষের হাতে হাতে আইফোন বা অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোন রয়েছে। এই সকল স্মার্টফোন গুলো অ্যাপস ছাড়া অচল। এখন আপনি এতটুকু পড়েই আশা করি বুঝতে পারছেন যে এখানে এটি কত বড় একটা মার্কেট তৈরি হয়েছে। অ্যাপ ডেভেলপারে আছে আপনার ক্যারিয়ারের জন্যে বিশাল সুযোগ। এটাকে আপনি সহজেই কাজে লাগাতে পারেন। অ্যাপস ডেভলপমেন্ট শিখে অনলাইন থেকে অনেক বেশি পরিমাণে টাকা ইনকাম করার সুযোগ আছে।

অ্যাপ ডেভলপারদের জন্য মার্কেট দুটি। অ্যন্ড্রয়েড স্মার্টফোনের জন্য গুগল প্লে স্টোর এবং অ্যাপলের জন্য আছে অ্যাপল অ্যাপ স্টোর। আপনি যেকোনো একটি শিখে নিতে পারেন। তবে হ্যাঁ আপনি যে বিষয়টি নিয়ে কাজ শিখবেন সেটা ভালো করে শিখুন। কেননা ফ্রিল্যাসিং জগতে কোনো কাজে দক্ষতা নেই বা অদক্ষদের ফ্রিল্যান্সিং জগতে ভাত নেই। জনপ্রিয় ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস আপওয়ার্ক ডটকম সেখানে গিয়ে দেখতে পারবেন প্রত্যেকটি অ্যাপ বানানোর জন্য কত টাকা বাজেট থাকে। একটি অ্যাপ ডেভেলপ করার জন্য $1000-$5000+ ডলারের বেশি ইনকাম করে থাকেন অনেকেই। আপনিও এই বিষয়ে দক্ষতা অর্জন করে মাসিক হাজার হাজার ডলার ইনকাম করতে পারবেন।

আরও পড়ুনঃ ব্লগার থেকে টাকা আয় করার উপায়

ফরম পোস্টিং

অনলাইন থেকে টাকা ইনকাম করার জন্য জগতের সবচেয়ে সহজ পদ্ধতি হচ্ছে ফরম পোস্টিং। এওই কাজ করার জন্য আপনাকে অনেক বেশি কিছু সম্পর্কে জানার প্রয়োজন হবেনা। শুধুমাত্র আপনার ইচ্ছামতো প্রশ্ন করার অভিজ্ঞতা থাকলেই হবে। অনলাইনে রেডডিট, কোয়ারা, স্টাকওভার ফ্লো ইত্যাদি সহ আরাে অনেক ধরনের ফরম পোস্টিং সাইট রয়েছে। যারা তাদের ফর্মে প্রশ্ন করার জন্যে আপনাকে ভাড়া বা হায়ার করে।

কেনইবা শুধুমাত্র প্রশ্ন করার জন্যে আপনাকে হায়ার করবে? উত্তর হবে তাদের ফরমকে ব্যাস্ত এবং গ্রাহক বাড়ানোর জন্যে। যাতে অ্যাডসেন্স থেকে বেশি পরিমাণে টাকা ইনকাম করতে পারে। কেথায় এই কাজটি পাওয়া যাবে? সুন্দর প্রশ্ন, এসকল কাজ আপনি বিভিন্ন ফ্রিল্যান্সার মার্কেট প্লেস গুলোতে পেয়ে যাবেন।

ফ্রিল্যান্সিং মার্কেট প্লেস গুলোতে যাবেন, সেখানে ফরমপোস্টিং লিখে সার্চ করুন। কাজে আবেদন করবেন, হয়তোবা আপনার একটা তারা ইন্টারভিউ নিবে আর পরবর্তীতে আপনি ফরম পোস্টিং এর কাজটি পেয়ে যেতে পারেন। সাধারণত প্রশ্ন সংখ্যার উপরে ভিত্তি করে তারা পেমেন্ট করে থাকে। প্রত্যেক প্রশ্ন প্রতি $0.45- $0.75 ডলার পর্যন্ত দিয়ে থাকে।

গেম ডেভলপার

স্মার্টফোন ব্যবহার করে কিন্ত অনলাইন গেমিং করে না এই ধরনের মানুষকে খুজে পাওয়া বর্তমান সময়ে দুস্কর ব্যাপার। প্রতিনিয়ত মার্কেটে নতুন নতুন অনেক ধরনের গেম আসছে। একটা গেম ডেভেলপ করার জন্য কত টাকা বাজেট হয়ে থাকে তা জানলে হয়তো আপনার চোখ কপালে উঠে যাবে। পাবজি গেমটি তৈরি করার জন্য বাজেট ছিলো $100k ডলার যা বাংলাদেশি টাকায় কনভার্ট কত হবে তা আপনি নিজেই জেনে নিন। 

তবে এখন বুঝতে পারছেন যে এখানে কতবড় একটা মার্কেট আছে। যেহেতু গেম সাধারণত বিশাল প্রজেক্ট তাই এখানে দলগতভাবে কাজ করার প্রয়োজন হয়। এই কাজের জন্য ইংরেজিতে ভালো দক্ষতা রাখতে হবে। গেম ডেভেলপার কাজটি মোটামুটি বেশ কঠিন হওয়ার কারণে ২-৩ বছর পর্যন্ত সময়ে লাগতে পারে শেখার জন্য। ধৈয্য ধরে গেম ডেভেলপার শিখুন পরবর্তীতে কাজ পাওয়ার জন্য আপনাকে কোনো চিন্তা করতে হবেনা ইনশাআল্লাহ।

আরও পড়ুনঃ অনলাইন থেকে আয় করার সহজ উপায়

ভার্চুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট

বর্তমান সময় হচ্ছে আধুনিক বা ইন্টরনেটের যুগ। প্রত্যেক মানুষ ইন্টরনেট ব্যবহার করেই তাদের দৈনন্দিন জীবনের কাজগুলো করতে অনেক সাচ্ছন্দবোধ করে। মানুষ অনলাইনে কাজের সহায়তার জন্যে লোক নিয়োগ দিয়ে থাকে। বিভিন্ন ধরনের কাজের জন্য বিভিন্ন মানুষ অথবা কর্পোরেট প্রতিষ্ঠান এই সকল মানুষদেরকে হায়ার করে বা নিয়োগ দিয়ে থাকে মার্কেটপ্লেসে ভার্চুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্টদের ইনকামও ভালো। আপনি বিভিন্ন ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস আপওর্য়াক, ফাইভার সহ আরো বিভিন্ন মার্কেট গুলোতে খোজ নিয়ে এই বিষয়ে দেখতে পারেন।

ভার্চুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্টের কাজের মধ্যে হলো ডাটা এন্ট্রি, আর্টিকেল রাইটিং, ডিজাইন সহ আরো বিভিন্ন কাজ আছে। ভার্চুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্টের কাজের ক্ষেত্র এত বিশাল যে এখানে আলোচনা করে শেষ করা সম্ভব নয়। ভার্চুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রতি ঘন্টায় $5-$200+ ডলারের বেশি চার্জ করে থাকে। এই ডলার চার্জ ব্যক্তি দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা এবং কাজের উপর নির্ভর করে। আপনি যেকোনো অনলাইন সম্পর্কিত কাজের উপরে দক্ষতা অর্জন করে ভার্চুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট হিসেবে কাজ করতে পারেন।

সেজন্য কাজ শেখার পরে মার্কেটপ্লেসে নিজের প্রোফাইল ওপেন করবেন এবং আপনার কাজের রিলেটেড কাজে আপ্লাই করবেন। অনলাইনে টাকা ইনকাম করার যতগুলো উপায় রয়েছে তার মধ্যে অনলাইন থেকে টাকা ইনকাম করার সবচেয়ে সহজ উপায় হচ্ছে ডাটা এন্ট্রি।

ইমেইল মার্কেটিং

বর্তমান সময়ে স্মার্টফোন অথবা ল্যাপটপ বা কম্পিউটার রয়েছে অথচ ইমেইল একাউন্ট নেই এই ধরনের ব্যাক্তি খুঁজে পাওয়াটা দুস্কর ব্যাপার মাইরি। গুগল মামার আশির্বাদে সকলের জিমেইল একাউন্ট খোলাটা বাধ্যতামূলক হয়েছে। ইমেইল মার্কেটিং হচ্ছে অনেক বিশাল একটি বিষয়। এই আর্টিকেলে আমি ইমেইল মার্কেটিং সম্পর্কে সামান্য কিছু আলোচনা করবো।

কোনো প্রোডাক্ট প্রচার ও প্রসার বা বিক্রি করার জন্যে অনলাইনে টার্গেটেড গ্রাহককে খুঁজে তাদের ইমেইল অ্যাড্রেস কালেক্ট করা হয়। ইমেইলটিকে আকর্ষণীয় টেমপ্লেট আকারে ডিজাইন করা হয়। এবার ইমেইলটি গ্রহকের কাছে পাঠানো হয়ে থাকে। এটার মাধ্যমে প্রোডাক্টের প্রচার এবং প্রসার করা খুবই সহজ হয়ে যায়। বিভিন্ন কোম্পানি বা বায়ার আছে যারা তাদের প্রোডাক্ট প্রচারের জন্যে আপনাকে ভাড়া বা হায়ার করবে।

আবার অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করার জন্যে ইমেইল মার্কেটিং করা হয়ে থাকে। এটি কিভাবে করে? মনে করুন আপনি এফিলিয়েট মার্কেটিং করার জন্যে লিংক কালেক্ট করলেন। এই বার সেই লিংক সুন্দর একটি টেমপ্লেটে তৈরি করে ই-মেইল অ্যাড্রেসের মাধ্যমে প্রচার ও প্রসার করলেন। কেউ যদি এই এফিলিয়েট লিংক থেকে প্রোডাক্ট ক্রয় করে তবে আপনি সেখান থেকে কমিশন পাবেন।

জনপ্রিয় ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস ফাইভার সেখানে গিগ তৈরি করে সহজে ইমেইল মার্কেটিংয়ের কাজ পেতে পারেন। দক্ষতা এবং অভিজ্ঞতার আলোকে ইমেইল সংখ্যার উপরে ভিত্তি করে বায়ার বা ক্লায়েন্ট আপনাকে পেমেন্ট করবে। ইমেইল কালেক্ট করে বর্তমানে ইন্টারনেটের মাধ্যমে অনেক বেশি টাকা ইনকাম করা সম্ভব।

আরও পড়ুনঃ এসইও (SEO) কি এবং কেন দরকার হয় | এসইও কত প্রকার

ট্র্যান্সলেট করে টাকা আয় করুন

গ্লোবাল বিশ্বায়নের সময়ে মানুষের সকল ধরণের জ্ঞান অর্জন করার সুযোগ হয়েছে। তাছাড়াও একটি ভাষার জিনিস অন্য ভাষাতে অনুবাদ করার প্রয়োজন হয়। বিভিন্ন ধরনের বই, ব্লগ, গবেষণাপত্র এক ভাষা থেকে অন্য ভাষাতে অনুবাদ করার দরকার পড়েছে। একজন অনুবাদক হওয়ার জন্য আপনার যেকোনো ‍দুটি ভাষার উপরে দক্ষতা থাকার প্রয়োজন হয়। বিভিন্ন কোম্পানি তাদের প্রোডাক্ট বিভিন্ন দেশে বিক্রি করার জন্যে সেই দেশের ভাষায় নিজের প্রোডাক্ট প্রচার করে থাকে। এই জন্য প্রয়োজন একজন অনুবাদকের।

অনেকেই আছেন যারা বলবেন গুগল ট্রান্সলেটর থাকতে কেনইবা তারা মানুষকে দিয়ে এই কাজ করাবে? আসলে গুগল ট্রান্সলেটর এখনো পর্যন্ত এতবেশি বুদ্ধিমান হয়নি যে একটা ভাষা সম্পূর্ণভাবে অনুবাদ করতে পারবে। আপনি চেষ্টা করে দেখুন যে, ট্রান্সলেটর সকল বাক্যের সঠিক অনুবাদ করতে পারে কি-না। এ ধরণের অনুবাদের কাজ আপনি অনলাইনে সহজেই পেয়ে যাবেন। যদি কোন স্পেসিফিক ভাষা যেমন- ফ্রেন্স, চাইনিজ ইত্যাদি তাহলে কাজ পেতে অনেক সুবিধে হয়।

শেষকথা

একটাই কথা সেটা হচ্ছে এটা অনলাইন জগত, এখানে আপনার রেপুটেশনের উপরে ইনকাম নির্ভর করে। তাই ধৈয্য সহকারে কাজ শিখে নিন তারপর মার্কেটপ্লেসে কাজ করুন। যেকোনো একটি বিষয়ের ‍উপরে হেব্বি দক্ষতা অর্জন করুন। আমি অনেককেই দেখছি যারা একটা কাজ শিখতে শুরু করে দিয়ে  সেটা সম্পূর্ণ না শিখে আবার আরেকটা কাজ শিখতে শুরু করছে। আবার অনেকেই তো পুরোপুরি কাজ না শিখেই মার্কেটপ্লেসে এসে যার ফলে কাজ না পেয়ে হতাশায় থাকে।

আমি আশা করি আপনি উপরোক্ত বিষয় গুলো মাথায় রেখে কাজ শেখা শুরু করবেন। আর হ্যাঁ লাফালাফি বা দি কোনো একটা স্পেসিফিক কাজ শিখুন এবং সাইবার জগতে নিজের দেশের নামটিকে উজ্বল করুন। অনলাইন থেকে টাকা ইনকাম করার জন্য অনেকগুলি কাজ সম্পর্কে আলোচনা করেছি। এছাড়াও অনলাইন থেকে টাকা ইনকাম করার জন্য অনেক সহজ এবং কঠিন ‍পদ্ধতি আছে।

অনলাইন থেকে টাকা ইনকাম করার জন্যে সকল বিষয় সম্পর্কে কাজ শিখতে হবে এমনটি কিন্ত নয়। ইন্টারনেটের সাহায্য ঘরে বসে টাকা ইনকাম করার জন্য যেকোনো একটি দক্ষতায় আপনার জন্য যথেষ্ট। অনলাইন থেকে টাকা ইনকাম করতে চাইলে সিদ্ধান্ত নিন এবং আর সময় নষ্ট না করে দ্রুত কাজ শুরু করে দিন।

আজকের এই কিভাবে অনলাইন থেকে টাকা ইনকাম করা যায় বিশাল বড় আর্টিকেলটি ধৈয্য সহকারে শেষ পর্যন্ত পড়ার জন্যে আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ। এতোক্ষণ পর্যন্ত যেহেতু আপনি পোস্টটি ধৈর্য সহকারে পড়তে পারছেন। সেহেতু আমি বিশ্বাস করি আপনি অনলাইন থেকে টাকা ইনকাম করতে পারবেন। আমি শুধু বলবো চোখ কান খোলা রেখে চলুন এবং নিজের প্যাশনের উপরে কাজ শিখুন। আপনার জন্য রইলো শুভকামনা। ধন্যবাদ। 

আরও পড়ুনঃ ঘরে বসে মোবাইলে আয় করার উপায় | ঘরে বসে টাকা আয় করতে চাই

অন্যদের সাথে শেয়ার করুন

0 Comments

দয়া করে নীতিমালা মেনে মন্তব্য করুন ??

নটিফিকেশন ও নোটিশ এরিয়া