Technical Care BD https://www.technicalcarebd.com/2022/08/monthly-30000-income-business.html

মাসে ৩০ হাজার টাকা আয় করার উপায়

মাসে ৩০ হাজার টাকা আয় করার উপায় – মাসে ৩০ হাজার টাকা আয় করার উপায় এই কীওয়ার্ডটি বাংলাদেশে গুগলে সবচেয়ে বেশি সার্চ করা হচ্ছে। বর্তমান সময়ে টেকনোলজির এই যুগে টাকা আয় করাটা অনেকটাই সহজ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বাংলাদেশ খুবই ছোট্ট একটি দেশ হলেও টেকনোলজির উন্নতির ছোঁয়ায় বর্তমানে এই ছোট্ট দেশটি ডিজিটাল হচ্ছে। 

আর এই ডিজিটাল হওয়ার কারণে বাংলাদেশের সবকিছুই টেকনোলজি নির্ভর এবং আমরা একটি মুহূর্ত ইন্টারনেট ছাড়া চলতে পারিনা। প্রিয় পাঠক আপনি এই ইন্টারনেটকে ব্যবহার করে প্রতি মাসে ৩০ হাজার টাকা আয় করতে পারবেন।

আবার এখনকার সময়ে প্রতিটি কাজ পূর্বের তুলনায় অনেকটা কঠিন হয়ে গিয়েছে এবং চাকরির বাজার এতটাই কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে যে আপনি চাওয়া মাত্র যেকোনো চাকরি করতে পারবেন না। তবে হ্যাঁ কোনো ক্ষেত্রে আপনার যদি আত্মবিশ্বাস এবং অনেক বেশী আগ্রহ থাকে অথবা যদি কেউ আপনাকে সাহায্য করার মতো থাকে তবে দেখবেন যে আপনার চাকরি হয়ে গেছে। কিন্ত আবার যদি কেউ না থাকে তবে আপনার চাকরি পাওয়া অনেক বেশী কঠিন হয়ে গিয়েছে।

মাসে ৩০ হাজার টাকা আয় করার উপায়

আরো পড়ুনঃ মাসে ৫০ হাজার টাকা আয় করার উপায়

সূচীপত্রঃ মাসে ৩০ হাজার টাকা আয় করার উপায়

আমাদের মধ্যে অনেকেই আছেন যারা চাকরি না পেয়ে প্রতিনিয়ত হতাশায় ভুগছেন এবং এই অবস্থায় তারা সংসারের হাল ধরতে চায়। কিন্ত বর্তমান সময়ে চাকরির বাজার বা চাকরি পাওয়া অনেকটা সোনার হরিণের মতো হয়ে গেছে। যার ফলে কোনো ব্যক্তি উদ্যোক্তা হওয়ার চেষ্টা করলেও পর্যাপ্ত পরিমাণে মূলধন না থাকার কারণে তারা ব্যবসা শুরু করতে পারছেন না।

তাই যদি আপনি মাসে ৩০ হাজার টাকা আয় করার উপায় খুঁজে থাকেন এবং ছাত্র অবস্থায় থাকাকালীন যদি কোনো কাজ করতে চান তাহলে আপনি তা করতে পারবেন। প্রিয় পাঠক আপনি ছাত্র থাকাকালীন অবস্থায় চাকরি খোজা বা চাকরি পাওয়ার চেয়ে আপনি অন্য কোনো কাজ করে মাসে ৩০ হাজার টাকা আয় করতে পারবেন।

প্রিয় পাঠক চিন্তা করবেন না এবং কখনো হতাশ হবেন না। আজকের এই লেখায় আমরা আপনাদেরকে বেশ কয়েকটি নতুন পদ্ধতিতে মাসে ৩০ হাজার টাকা আয় করার উপায় সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য দিবো। যদি আপনি আমাদের দেওয়া তথ্যগুলো অনুসরণ করে কাজ করতে পারেন।

তবে নিশ্চিত আপনি প্রতি মাসে ৩০ হাজার টাকা আয় করতে পারবেন সহজেই। আর হ্যাঁ মাসে ৩০০০০ হাজার টাকা আয় করার জন্য আপনাকে কোনো ধরনের ইনভেস্ট করা লাগবে না অথবা জদিও কোনো কাজে ইনভেস্ট করতে অয় তবে অল্প খরচেই হয়ে যাবে। 

আমাদের আজকের এই লেখার মাধ্যমে মাসে ৩০ হাজার টাকা আয় করার উপায় যেসকল সহজ পদ্ধতি এবং উপায় আছে তা নিয়ে বিস্তারিত ভাবে আলোচনা করার চেষ্টা করেছি। তাই যদি আপনি মাসে ৩০ হাজার টাকা আয় করতে চান তবে আমাদের এই লেখাটি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত মনোযোগ সহকারে দেখে নিনঃ

মাসে ৩০ হাজার টাকা আয় করার উপায়

আপনি কি প্রতি মাসে ৩০ হাজার টাকা উপার্জন করতে আগ্রহী? ১ মাসে ৩০ হাজার টাকা আয় করা কি সম্ভব? না হলে দ্রুত ৩০ হাজার টাকা আয় করবেন কিভাবে? এই আর্টিকেলে, আমি ১ মাসে ৩০ হাজার টাকা আয় করার অনেক উপায় নিয়ে আলোচনা করেছি। 

আমাদের ওয়েবসাইটের প্রায় আর্টিকেল অনলাইনে আয়, অফলাইনে আয়, হেলথ, বিজনেস, প্রযুক্তি ব্যাংকিং ইত্যাদি সম্পর্কিত। আপনি যদি অনলাইন এবং অফলাইনে অর্থ উপার্জন করতে আগ্রহী হন তবে আপনি আমাদের সাইটের আরো আর্টিকেল গুলো পড়তে পারেন।

অনেকেই মাসে ৩০ হাজার টাকা আয় করার উপায় সম্পর্কে জানতে চান আবার অনেকেই বলেন কিভাবে দ্রুত টাকা আয় করা যায়? বা কিভাবে 6 মাসে ৩০ হাজার টাকা কিভাবে করা যায় ? মাসে ৩০ হাজার টাকা আয় করার উপায় জানতে অথবা মাসে ৩০ হাজার টাকা আয় করতে সম্পূর্ণ লেখাটি পড়ুন।

মাসে ৩০ হাজার টাকা আয় করার অনেক উপায় আছে কিন্তু আপনাকে সেই পরিমাণ অর্থ উপার্জনের সঠিক উপায় বেছে নিতে হবে। আপনি যদি কঠোর পরিশ্রম না করেন তবে আপনি বৈধভাবে মাসে 30 হাজার টাকা উপার্জন করতে পারবেন না। অনেকে অবৈধ উপায়ে অর্থ উপার্জন করে।

অবৈধ উপায়ে অর্থ উপার্জনের চেষ্টা করবেন না। এটা সব ধর্মেই নিষিদ্ধ এবং ফৌজদারি অপরাধেও। সৎ থাকুন এবং খুব কম হলেও বৈধভাবে অর্থ উপার্জনের চেষ্টা করুন যাতে আপনি সম্মানের সাথে সমাজে থাকতে পারেন। মহান আল্লাহ তায়ালা ঐসকল লোকদের পছন্দ করেন যারা বৈধভাবে আয় করেন।

প্রিয় পাঠক একটি মধ্যবিত্ত ফ্যামিলি সুন্দর ভাবে চালানোর জন্য আমি মনে করি মাসে ৩০ হাজার টাকায় এনাফ। যদি আপনি একটি মধ্যবিত্ত ফ্যামিলি সুন্দরভাবে চালাতে চান তবে অবশ্যই আপনাকে প্রতি মাসে ২০ হাজার থেকে ৩০ হাজার টাকা আয় করার সামর্থ্য থাকতে হবে। আমাদের মাঝে অনেকেই মনে করেন যে, বর্তমানে টাকা ইনকাম করা অনেকটাই কঠিন। কিন্ত হ্যাঁ ডিজিটাল বাংলাদেশ আপনার সামান্যতম দক্ষতা, পরিশ্রম এবং ধৈর্যের মাধ্যমে মাসে ৩০ হাজার টাকা আয় করা সম্ভব।

আরো পড়ুনঃ মাসে ২০ হাজার টাকা আয় করার উপায়

ওয়েবসাইট খুলে মাসে ৩০ হাজার টাকা আয় করার উপায়

আপনি যদি মাসে ৩০ হাজার টাকা আয় করার উপায় খুজে থাকেন তবে আপনি বলবো আপনি সময়ের সবচেয়ে জনপ্রিয় একটি ওয়েবসাইট তৈরি করুন। আমরা প্রত্যেকেই কোনো কোনো না বিষয়ের প্রতি একটু বেশি দক্ষ হয়ে থাকি। কেউ পড়াশোনায়, কেউ খেলাধুলায়, কেউ প্র্যাক্টিকাল কাজে ইত্যাদি। 

তাই আপনার যে বিষয়ের উপরে পর্যাপ্ত জ্ঞান এবং দক্ষতা আছে এবং আপনি সে দক্ষতা ও জ্ঞানকে কাজে লাগিয়ে এই সেক্টর থেকে আপনি প্রতিমাসে ভালো পরিমাণে টাকা আয় করতে পারবেন। বিশেষ করে আমাদের দেশের তরুণ সমাজের ছেলেমেয়েরা এখন এই ওয়েবসাইট তৈরি করার মাধ্যমে প্রতিমাসে ঘরে বসে হাজার থেকে লক্ষ টাকা ইনকাম করছে।

ওয়েবসাইট তৈরি করার জন্য প্রয়োজন ডোমেইন এবং হোস্টিং। স্বল্প খরচে ডোমেইন হোস্টিং কিনে আপনি তৈরি করতে পারেন একটি ওয়েবসাইট। এছাড়া যদি আপনি শুধুমাত্র ডোমেইন কিনে ওয়েবসাইট তৈরি করতে চান তবে সেটিও সম্ভব। সেজন্য একটি ডোমেইন কিনে তা গুগলের ব্লগস্পট সাইটে যুক্ত করে অর্থাৎ কাস্টম ডোমেইন যুক্ত করে তৈরি করতে পারেন একটি প্রফেশনাল ওয়েবসাইট।

আপনার ওয়েবসাইটটি তৈরি হওয়ার পরে আপনাকে সেখানে নিয়মিত বিভিন্ন বিষয়ের উপরের ব্লগ পোস্ট শেয়ার বা পাবলিশ করতে হবে। আর্টিকেল পাবলিশ করার পরে যখন আপনার ওয়েবসাইটটিতে মোটামুটি ভালোমানের ভিজিটর আসবে এবং গুগল এডসেন্স পাওয়ার জন্য যেসকল রিকোয়ারমেন্টস রয়েছে সেগুলো যদি সঠিক ভাবে মেনে চলেন তবে আপনি এডসেন্স এর জন্য আবেদন করুন এবং আশা করা যায় অতি শীঘ্রই আপনি গুগল এডসেন্স এপ্রুভাল পেয়ে যাবেন।

গুগল এডসেন্সে এপ্রুভাল পাওয়ার পরে আপনি আপনার ওয়েবসাইটটিতে নিয়মিত ব্লগ পোস্ট শেয়ার করুন। দেশ এবং দেশের বাইরের বিভিন্ন ভিজিটর আপনার ওয়েবসাইটের পোস্টগুলো যখনি ভিজিট করবে তখনি আপনার সাইটে বিভিন্ন বিষয়ের উপরে বিজ্ঞাপন দেখানো হবে। কোনো ভিজিটর যদি আপনার সাইটের বিজ্ঞাপন গুলোর উপরে ক্লিক করে তবে সেক্ষেত্রে আপনি ক্লিক করার বিনিময়ে গুগল থেকে টাকা ইনকাম করতে পারবেন।

প্রিয় পাঠক যদি আপনি আপনার ওয়েবসাইটে নিয়মিত বেশি বেশি ভিজিটর ভিজিট করাতে পারেন তবে সেজন্য গুগল আপনাকে প্রতি ১ হাজার ভিজিটর বা ভিউয়ের উপর ১ ডলার করে পেমেন্ট করবে। আর এভাবে আপনি শুধুমাত্র ভিউয়ের উপরে সহজেই ১ ডলার আয় করতে পারবেন। 

যদি আপনি এইভাবে আপনার সাইটে প্রতিমাসে ০৩ লাখের বেশি ভিজিটর ভিজিট করাতে পারেন তবে এতে করে আপনি আপনার ওয়েবসাইট থেকে প্রত্যেক মাসে 400$ বেশি আয় করতে পারবেন। এই ইনকাম কমবেশি হতে পারে। এখন আপনি যদি 400$ সমান বাংলাদেশি টাকায় কনভার্ট করেন তবে প্রায় ৩০ হাজার টাকার বেশি হয়ে যাবে। ওয়েবসাইট খুলে মাসে ৩০ হাজার টাকা আয় করার উপায় অনেক সহজ তাই আপনি টাকা আয় করার মাধ্যম হিসেবে এটি ইউজ করতে পারেন।

আরো পড়ুনঃ ফ্রিল্যান্সিং এ কোন কোন কাজের চাহিদা বেশি

YouTube খুলে মাসে ৩০ হাজার টাকা আয় করার উপায়

সাম্প্রতিক বছরগুলিতে ইউটিউবে ভিডিও কন্টেন্টের পরিমাণ ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। ইউটিউবে ভিডিওটি দেখেননি এমন মানুষ খুবই কম খুঁজে পাওয়া যাবে। বর্তমান সময়ে মানুষ বেশিরভাগ সময় ইউটিউবে গিয়ে ভিডিও দেখতে পছন্দ করে। এমন পরিস্থিতিতে ভিডিও কনটেন্টের মাধ্যমেও অনেকেই মোটা অংকের টাকা আয় করছেন। আপনার যদি মোবাইল থাকে তাহলে আপনিও ঘরে বসে ভিডিও করে ভালো টাকা ইনকাম করতে পারবেন।

ইউটিউবে ভিডিও তৈরি করা ঘরে বসে টাকা আয় করার একটি ভালো উপায় হতে পারে। ইউটিউব ভিডিওর জন্য সেরা প্ল্যাটফর্ম। বর্তমানে অনেকেই মোবাইল থেকে ইউটিউব ভিডিও তৈরি করে লাখ লাখ টাকা আয় করছেন।

মোবাইল থেকে টাকা ইনকাম করার প্রথম উপায় হচ্ছে ইউটিউব। আপনাকে যা করতে হবে তা হল আপনার নিজের ইউটিউব চ্যানেল তৈরি করতে হবে। এরপর প্রতিদিন ভিডিও আপলোড করতে হবে। যখন আপনার চ্যানেলে 1000 সাবস্ক্রাইবার এবং 4000 ঘন্টা থাকবে তখন আপনি ইউটিউব থেকে টাকা আয় করতে সক্ষম হবেন।

ফেসবুক থেকে মাসে ৩০ হাজার টাকা আয় করার উপায়

জনপ্রিয় সোশ্যাল মিডিয়া ফেসবুক শুধুমাত্র দূরের এবং কাছের বন্ধুদের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করার জন্য পরিচিতি লাভ করেনি। বর্তমানে এই জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আপনি কথা বলার পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের কনটেন্ট রাইটার হিসেবে কাজ করে প্রতি মাসে হাজার হাজার টাকা আয় করতে পারবেন। 

ফেসবুক কর্তৃপক্ষ ইউটিউবের মতো নিজেদের ভিডিও তৈরি প্লাটফ্রম তৈরি করেছে যেখানে ইউটিউবের চেয়ে আপনি বেশি রেভিনিউ পেতে পারেন। মজার বিষয় হচ্ছে আপনি এখানে একটু ভিডিও তৈরি করে ফেসবুক এবং ইউটিউবে আপলোড করে অনেক বেশী টাকা আয় করতে পারবেন।

ফেসবুক বর্তমান সময়ে একটি জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে আপনি ভিডিও, ফটো ইত্যাদি দেখতে এবং শেয়ার করতে পারবেন। কিন্তু আপনি কি জানেন যে ফেসবুক থেকেও টাকা আয় করা যায়? হ্যাঁ, আজকে অনেকেই আছেন যারা ফেসবুক থেকে লাখ লাখ আয় করছেন।

আপনি ইউটিউবের মতো ফেসবুকে ভিডিও আপলোড করেও টাকা আয় করতে পারেন। তবে এর জন্য আপনাকে প্রথমে নিজের একটি ফেসবুক পেজ তৈরি করতে হবে। পেজটি তৈরি করার পর আপনাকে গুগল প্লে স্টোর থেকে ফেসবুক স্টুডিও অ্যাপ ডাউনলোড করতে হবে। এরপরে আপনাকে ফেসবুক স্টুডিও অ্যাপ থেকে প্রতিদিন 2 থেকে 3টি ভিডিও আপলোড করতে হবে। 

অথবা ফেসবুকে পেজে নিয়মিত ভিডিও কনটেন্ট আপলোড করতে হবে। আপনার পেজের মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের কপিরাইট ফ্রি ভিডিও পাবলিশ করবেন। তবে ভিডিও তৈরি করার ক্ষেত্রে আপনাকে অন্যের আপলোড করা কোনো ধরনের অডিও ভিডিও ক্লিপ কপি করা যাবে না।

যখন আপনার ফেসবুক পেজে 10 হাজার লাইক বা ফলোয়ার থাকবে, তখন আপনি ফেসবুক বিজ্ঞাপনের জন্য আবেদন করবেন। অর্থাৎ উপরোক্ত বিষয় ঠিক থাকলে আপনি ফেসবুক মনিটাইজেশন এর জন্য আবেদন করতে পারবেন। এবং আপনার ফেসবুক পেজটি বিজ্ঞাপনের জন্য প্রস্তুত হলে সেখানে বিজ্ঞাপন বসিয়ে টাকা আয় করতে পারবেন। ফেসবুক কর্তৃপক্ষ আপনার এড মনিটাইজেশনের সুযোগ দিলে আপনি সেখান থেকে প্রতিমাসে ভালো মোটা অংকের টাকা ইনকাম করতে পারবেন। 

এছাড়াও, আপনি এফিলিয়েট মার্কেটিং, পণ্যের প্রচার ইত্যাদির মাধ্যমে ফেসবুক থেকে টাকা আয় করতে পারবেন। প্রিয় পাঠক মাসে ৩০ হাজার টাকা আয় করা ফেসবুক থেকে কোনো ব্যাপার না। কেননা ফেসবুকে কোনো একটি বিষয় একবার ভাইরাল হতে তা মিলিয়ন মিলিয়ন ভিউ হতে থাকে। বর্তমানে বিভিন্ন ইউটিউব এর পাশাপাশি নিজেদের ফেসবুক পেজ থেকে তাদের ভিডিও শেয়ার করে প্রতি মাসে হাজার হাজার ডলার ইনকাম করছেন।

ব্লগিং করে মাসে ৩০ হাজার টাকা আয় করার উপায়

প্রিয় পাঠক বর্তমানে ব্লগিং খুবই আলোচিত একটি বিষয়। যাদের ভিডিও বানাতে ভালো লাগে না কিংবা ভিডিও বানাতে ভালো না লাগলে তারা এই লেখালেখি বা ব্লগিং করতে পারেন। হ্যাঁ, আপনি লেখার জন্য টাকা ইনকাম করতে পারবেন। ব্লগিং হল একমাত্র উপায় যেখানে আপনি লেখার মাধ্যমে টাকা আয় করতে পারবেন। মোবাইল থেকে ব্লগিং করার জন্য দক্ষতা থাকা প্রয়োজন।

কোনো বিষয়ে ভালো জ্ঞান থাকলে আপনি সেই বিষয়ের উপরে লিখতে পারেন। ব্লগিং থেকে আয় করতে হলে আপনাকে একটি ব্লগ তৈরি করতে হবে। একটি ব্লগ শুরু করার জন্য আপনাকে হোস্টিং, থিম এবং ডোমেইন কিনতে হবে। কিন্তু আপনি কোনো টাকা খরচ না করেই একটি ব্লগ শুরু করতে পারেন।

আপনি technicalcarebd.com-এর মতো একটি ব্লগ তৈরি করতে পারেন এবং Blogger.com- এ আপনার নিজের বিনামূল্যের ব্লগ তৈরি করে এটিতে কাজ শুরু করতে পারেন। ট্রাফিক অনুযায়ী ব্লগিং এ টাকা আসে।

যখন আপনার ব্লগে ভালো ট্রাফিক আসতে শুরু করে তখন আপনি গুগল অ্যাডসেন্সের জন্য আবেদন করতে পারেন। এছাড়াও আপনি একটি ব্লগের মাধ্যমে একটি পণ্য বিক্রি করে অর্থ উপার্জন করতে পারেন। এটি মোবাইল থেকে টাকা আয় করার আরেকটি সঠিক উপায়। ব্লগিং করে মাসে ৩০ হাজার টাকা আয় আপনার জন্য সঠিক ও সহজ কাজ হবে বলে আমি মনে করি।

কন্টেন্ট রাইটার হিসেবে টাকা আয়

আপনার যদি গল্প, খবর, ইনকাম, প্রযুক্তি ইত্যাদি বিষয়ে লেখার আগ্রহ থাকে তবে আপনি এই প্রতিভা থেকে লাখ লাখ টাকা আয় করতে পারবেন। এর জন্য আপনাকে ভাষা, ব্যাকরণ সম্পর্কে ভালো জ্ঞান থাকতে হবে, তবেই আপনি অনলাইন মোবাইল থেকে কনটেন্ট রাইটিং করে অর্থ উপার্জন করতে পারবেন।

আপনি বাংলা বা ইংরেজি উভয় ভাষায় আপনার প্রতিভা অনুযায়ী কন্টেন্ট রাইটিং এর কাজ খুঁজে পেতে পারেন। কন্টেন্ট লিখে টাকা আয় করার জন্য আপনাকে ফ্রেশ এবং ভালো কন্টেন্ট লিখতে হবে। প্রিয় পাঠক আপনার যদি কম্পিউটার না থাকে তবে আপনি মোবাইল দিয়েও কন্টেন্ট রাইটারের কাজ করতে পারবেন। 

হ্যাঁ, মোবাইল থেকে কনটেন্ট রাইটিং কিছুটা সময় নিলেও অবসর সময়ে সুবিধা দেবে। এর জন্য আপনার বিনিয়োগের প্রয়োজন নেই। আপনি অনলাইনে অনেক কোম্পানি এবং ওয়েবসাইট পাবেন যারা অনলাইন কনটেন্ট রাইটার নিয়োগ করে, যাদের কাছে আপনি পূর্বের কাজের ডেমো পাঠিয়ে কাজ শুরু করতে পারেন। 

নারী, পুরুষ ও ছাত্র-ছাত্রীরা কন্টেন্ট রাইটিং থেকে অনলাইনে কাজ করে টাকা ইনকাম করতে পারবেন। ঘরে বসে মোবাইল থেকে আয় করার এটি একটি ভালো উপায়। বাংলা কন্টেন্ট লিখে মাসে ৩০ হাজার টাকা আয় করা না গেলেও আপনি ১০-২০ হাজার টাকা আয় করতে পারবেন।

গেম খেলে আয় করুন

আপনি যদি গেম খেলতে পছন্দ করেন তবে আপনি গেম খেলে সহজেই ভালো মানের টাকা আয় করতে পারবেন। কিছু সাইট এবং অ্যাপ আছে যেগুলো গেম খেলার জন্য অর্থ প্রদান করে। আজকাল অনেকেই শুধু মোবাইল দিয়ে গেম খেলে টাকা আয় করছে। এর মধ্যে রয়েছে SkillClass, Winzo, Bigcash এবং Gamezy অ্যাপ। 

এই অ্যাপগুলিতে আপনি ক্রিকেট, কার রেসিং, ফ্রুট কাট, বাবল শুটার, লুডো, ক্যারাম ইত্যাদি গেম খেলতে পারবেন। আপনি এই গেমিং অ্যাপে গেম খেলে টাকা জিততে পারেন। এগুলি ছাড়াও, আপনি আপনার বন্ধুদের সাথে এই অ্যাপগুলি শেয়ার করেও টাকা উপার্জন করতে পারবেন। তবে শেয়ার করে এখান থেকে টাকার পরিমাণ খুব অল্প পাবেন।

আপনি এই অ্যাপগুলি থেকে আপনার জিতে নেওয়া টাকা Paytm Wallet এবং আপনার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে উইথড্র করতে পারেন। এই অ্যাপগুলি থেকে বিনামূল্যে 100 টাকা নগদে আয় করতে এখনই ইন্সটল করুন আপনার ফোনে।

অ্যাপ্লিকেশান সফটওয়্যার ডেভেলপার

স্মার্টফোন, কম্পিউটার, ল্যাপটপ, ট্যাবের নতুন নতুন ফিচার ক্রমাগত চালু হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে নতুন অ্যাপ ও সফটওয়্যার ডেভেলপারদের কাজের চাহিদা রয়েছে ব্যাপক। আপনি যদি এই বিষয়ে প্রফেশনাল হন তবে আপনার ব্যবসায় চারটি চাঁদ দেখা যেতে পারে। অনলাইন অ্যাপ ডেভেলপমেন্টের মাধ্যমে অর্থ উপার্জন করা যায়। কিছু কোম্পানি এই ধরনের প্রকল্প দেয়। এর মাধ্যমে আপনি প্রতি মাসে ২০ থেকে ৩০ হাজার টাকা আয় করতে পারবেন।

হাঁস মুরগির খামার করে মাসে ৩০ হাজার টাকা আয় করার উপায়

আপনি যদি বেকার হয়ে থাকেন এবং চাকরির টেনশনে ক্লান্ত হয়ে পড়েন, তাহলে এই লেখাটি আপনার জন্য অনেক কাজে আসবে। কারণ এই বিজনেস আইডিয়ার পর আপনি আর চাকরির কথা ভাববেন না।

এই ধারণাটি আপনাকে প্রতি মাসে ১ লাখ পর্যন্ত আয় করতে সাহায্য করবে, তাও টেনশনমুক্ত থাকার মাধ্যমে। কারণ এই ব্যবসার জন্য সরকারও সাহায্য করছে। ব্যবসা শুরু করতে ঋণে ভর্তুকি দেওয়ার ব্যবস্থাও রয়েছে। আমরা আপনাকে বলি যে সরকার পোল্ট্রি করতেও সহায়তা করছে। আপনি এই ব্যবসাটি 5-9 লক্ষ টাকায় শুরু করতে পারবেন, আপনি যদি ছোট স্তর থেকে অর্থাৎ 1500 মুরগি থেকে লেয়ার ফার্মিং শুরু করেন তবে আপনি প্রতি মাসে 50 হাজার থেকে 1 লাখ টাকা আয় করতে পারবেন।

হাঁস-মুরগি পালনের উপায়

আপনাকে প্রথমে একটি জায়গা খুঁজে বের করতে হবে। এরপর খাঁচা ও যন্ত্রপাতির জন্য প্রায় ৫-৬ লাখ টাকা খরচ করতে হবে। ১৫০০ মুরগির টার্গেট নিয়ে কাজ শুরু করতে হলে ১০ শতাংশ বেশি মুরগি কিনতে হবে। জানিয়ে রাখি, দেশে মুরগির ডিমের প্রচুর চাহিদা রয়েছে। এছাড়া ডিমের দামও এখন কম নেই। এমন পরিস্থিতিতে আপনি এটি বিক্রি করে প্রচুর আয় করতে পারেন। একই সময়ে, একটি লেয়ার প্যারেন্ট বার্থের দাম প্রায় 30-35 টাকা। এভাবে মুরগি পালন করে আপনি দ্বিগুণ আয় করতে পারবেন।

বার্ষিক আয় এতটাই হবে যে টানা ২০ সপ্তাহ মুরগিকে খাওয়াতে খরচ হবে প্রায় ১ থেকে দেড় লাখ টাকা। একটি লেয়ার প্যারেন্ট পাখি বছরে প্রায় 300টি ডিম পাড়ে। 20 সপ্তাহ পরে, মুরগি ডিম পাড়া শুরু করে এবং এক বছরের জন্য ডিম দেয়। 20 সপ্তাহ পর তাদের খাওয়া-দাওয়া বাবদ প্রায় 3-4 লক্ষ টাকা খরচ হয়। 

এমন অবস্থায় ১৫০০ মুরগি থেকে বছরে গড়ে ২৯০টি ডিম পাওয়া যায় প্রায় ৪ লাখ ৩৫ হাজার ডিম। অপচয়ের পরও যদি চার লাখ ডিম বিক্রি করা যায়, তবে একটি ডিম পাইকারি দরে বিক্রি হয় ৫০-৬০ টাকা দরে। এইভাবে আপনি এই ব্যবসা থেকে প্রচুর আয় করতে পারেন।

ডেইরি শুরু করে মাসে লাখ টাকা আয় করুন

আপনারা সকলেই জানেন যে শহরের মানুষ বিশুদ্ধ দুধ পান না, যেখানে দুধ স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত উপকারী, এমন পরিস্থিতিতে শহরের বাসিন্দারা তাদের আশেপাশে পাওয়া দুধের ডেইরি থেকে দুধের চাহিদা পূরণ করে।

আপনার যদি 100 বর্গ মিটারের একটি প্লট থাকে তবে আপনি গরু এবং মহিষের মতো দুগ্ধজাত পশু পালন করে দুগ্ধ ব্যবসা শুরু করতে পারেন এবং দুধ বিক্রি করে ভাল অর্থ উপার্জন করতে পারেন। বর্তমানে শহরে 1 লিটার দুধের দাম ৬০ থেকে ৭০ টাকা। আপনি যদি 1 দিনে 20 লিটার দুধও বিক্রি করেন, তাহলে আপনি প্রতিদিন ১৪০০ টাকা এবং প্রতি মাসে ৪২০০০ টাকা উপার্জন করতে পারবেন।

কাপড়ের দোকান খুলে মাসে লাখ টাকা আয় করার উপায়

এমনকি একটি কাপড়ের দোকান খুলেও আপনি প্রতিমাসে লাখ টাকা আয় করতে পারবেন। কারণ প্রতিবার এবং ঋতু অনুসারে কাপড়ের প্রবণতা পরিবর্তিত হয়, তাই এই ব্যবসা বছরের পর বছর চলে এবং কখনই বন্ধ হয় না।

আপনার যদি পোশাক এবং ফ্যাশন সম্পর্কে ভালো জ্ঞান থাকে তবে আপনি যেকোনও মোড়ে কাপড়ের দোকান খুলে অর্থ উপার্জন করতে পারেন, অর্থ উপার্জনের জন্য আপনাকে এইভাবে বিনিয়োগ করতে হতে পারে। আপনি আপনার দোকানে বাচ্চাদের, বড়দের, মহিলাদের সম্পর্কিত পোশাকের মতো সব ধরণের কাপড় রাখতে পারেন এবং সেগুলি বিক্রি করে অর্থ উপার্জন করতে পারেন।

প্রসাধনী দোকান খুলুন

আপনি যদি মহিলাদের জন্য ব্যবসার ধারণা খুঁজছেন, তাহলে একটি কসমেটিক শপ খুলুন। বন্ধুরা, এটিও একটি খুব দুর্দান্ত অপশন যা আপনি শহরে এবং গ্রামে একটি মাঝারি আকারের দোকানে সামান্য বিনিয়োগের সাথে শুরু করতে পারেন। কসমেটিক দোকানটি মূলত মহিলাদের সাথে সম্পর্কিত সমস্ত জিনিস যেমন মেকআপ আইটেম, গয়না ইত্যাদি বিক্রি করে।

আপনার যদি মহিলাদের ফ্যাশন, গয়না, পোশাক ইত্যাদি সম্পর্কে ভালো জ্ঞান থাকে তবে আপনি একটি কসমেটিক শপ শুরু করতে পারেন এবং খুব ভালো অর্থ উপার্জন করতে পারেন। বন্ধুরা, এটিকে একটি চিরসবুজ ধরণের ব্যবসা হিসাবেও বিবেচনা করা হয় যা এক বছরে কখনই পরিবর্তিত হয় না, আপনি যদি চান তবে আপনি এটি একটি ছোট পরিসরেও শুরু করতে পারেন।

ডেলিভারি বয় হওয়া

বর্তমানে নগরীতে অর্থ উপার্জনের জন্য সবচেয়ে বড় পরিসরে যদি কোনো কাজ করা হয়, তবে তা হলো ডেলিভারি বয়ের কাজ। অনেক ছাত্র আছে যারা তাদের খরচ মেটাতে ডেলিভারি বয় হয়ে যায়।

ডেলিভারি বয় হওয়াও সহজ কারণ ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা অষ্টম পাস, একটি ড্রাইভিং লাইসেন্স এবং প্রত্যেকের নিজস্ব ব্যক্তিগত গাড়ি থাকতে হবে।

ডেলিভারি বয় হওয়ার জন্য, আপনি দারাজ, চালডাল, ফুডপান্ডা এর মতো বড় ই-কমার্স কোম্পানিগুলির সাথে যোগাযোগ করতে পারেন এবং তাদের মধ্যে ডেলিভারি বয় পদের জন্য আবেদন করতে পারেন৷ ডেলিভারি বয়ের কাজ করে, আপনি দিনে 3-4 ঘন্টা কাজ করে সহজেই ১৫০০০ টাকা উপার্জন করতে পারবেন।

চায়ের দোকান খুলে মাসে ৩০ হাজার টাকা আয় করার উপায়

আপনি যদি ভাবেন যে কিভাবে গ্রামে টাকা রোজগার করা যায়, তাহলে চায়ের দোকান খুলুন। কারণ গ্রামে চায়ের দোকান খুব জোরেশোরে চলে। আর আপনি যদি কম খরচে শহরে টাকা উপার্জনের উপায় খুঁজছেন, তাহলে চায়ের দোকান খুলুন।

আপনি যদি কম বাজেটে এবং কম সময়ে শহরে বসবাস করে অর্থ উপার্জন করতে চান তবে একটি চায়ের দোকান শুরু করা আপনার জন্য একটি খুব ভালো অপশন। শহরে অনেক লোক আছে যারা খুব সকালে অফিস থেকে বের হয়, তাই এই ধরনের লোকেরা চায়ের স্টলে চা পান করে, আপনি আপনার মতে যে কোনও মোড় বা ব্যস্ত জায়গা বেছে নিতে পারেন এবং একটি চায়ের দোকান খুলে অর্থ উপার্জন করতে পারেন।

বন্ধুরা, এটি একটি খুব ভাল ব্যবসা যা আপনি একটি ছোট কিয়স্ক এবং চা তৈরিতে ব্যবহৃত উপাদান দিয়ে শুরু করতে পারেন। চা পরিবেশনের জন্য চা বানানোর সময় পরিচ্ছন্নতার বিশেষ যত্ন নিতে হবে, আপনি চাইলে আপনার দোকানে চা মেকারও রাখতে পারেন।

সরকারি চাকরির জন্য প্রস্তুতি নেওয়ার মাধ্যমে

সরকারি চাকরি পাওয়া প্রত্যেক বাংলাদেশি যুবকের স্বপ্ন, এর জন্য যুবকরা বিভিন্ন ধরনের কোচিং সেন্টারে গিয়ে সরকারি চাকরির জন্য প্রস্তুতি নেয়।

বন্ধুরা, আপনার যদি সরকারি চাকরির প্রক্রিয়া, সিলেবাস, পরীক্ষার প্যাটার্ন ইত্যাদি সম্পর্কে ভালো জ্ঞান থাকে তবে আপনি শহরে আপনার নিজস্ব কোচিং ইনস্টিটিউট চালু করতে পারেন এবং সেখানে যুবকদের কোচিং করে মাসে লাখ টাকা আয় করতে পারেন।

এটি একটি খুব উজ্জ্বল ধারণা যা খুব সহজেই সফল হয়৷ বর্তমানে, শহরের কোচিং ইনস্টিটিউটগুলির হার প্রতি মাসে ১০০০ টাকা৷ যদি আপনার কোচিংয়ে 20 জন ছাত্রও আসে, তাহলে আপনি সহজেই মাসে 20000 টাকা আয় করতে পারবেন।

একটি ফলের দোকান শুরু করা

স্বাস্থ্যের উপর ফলের গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব সম্পর্কে আপনি জানেন, আমরা ফল থেকে বিভিন্ন ধরণের ভিটামিন এবং শক্তি পাই, তাই শহরে ফলের প্রচুর চাহিদা রয়েছে।

আপনি যদি খুব শিক্ষিত না হন তবে আপনি একটি ফলের দোকান শুরু করতে পারেন এবং সেই দোকানে সমস্ত ধরণের ফল রেখে এবং বিক্রি করে ভালো পরিমাণে টাকা আয় করতে পারবেন।

একটি ফলের দোকান শুরু করতে আপনার একটি মাঝারি আকারের দোকানের প্রয়োজন হবে এবং আপনি ফলের বাজার থেকে ফল কিনতে পারেন এবং আপনার দোকানে বিক্রি করে লাভ করতে পারেন।

একটি তাজা সবজির দোকান শুরু করা

একটি তাজা সবজির দোকান শুরু করা শহরে টাকা আয় করার একটি ভালো উপায় হতে পারে, বেশিরভাগ পুরানো এবং বাসি সবজি শহরে পাওয়া যায়, যা স্বাস্থ্য সমস্যার ঝুঁকি বাড়ায়।

এমন পরিস্থিতিতে লোকেরা তাজা শাকসবজি কিনে খেতে পছন্দ করে, আপনি যদি শহর এবং গ্রাম কাছাকাছি এমন একটি অঞ্চলে থাকেন তবে আপনি গ্রাম থেকে তাজা শাকসবজি শহরে এনে বিক্রি করতে পারেন এবং ভালো টাকা আয় করতে পারবেন। এই কাজটি খুব কম বিনিয়োগে শুরু হয়, এর জন্য আপনার একটি দোকানের প্রয়োজন হতে পারে অন্যথায় আপনি হ্যান্ডকার্ট থেকেও শুরু করতে পারেন।

হলুদ গুঁড়ো তৈরি করা

শহরের বাসিন্দারা বেশিরভাগ প্যাকেজ করা হলুদ ব্যবহার করে যার বিশুদ্ধতা বিশ্বাস করা যায় না, তাই আপনি জমিতে জন্মানো হলুদ কিনে তার গুঁড়া তৈরি করে, প্যাকেটে প্যাক করে এবং বিক্রি করে ভালো টাকা আয় করতে পারবেন।

এই কাজ থেকে টাকা আয় করতে, আপনি সরাসরি হলুদের গুঁড়ো প্যাকেট বাড়িতে সরবরাহ করতে পারেন বা আপনি বড় দোকানে হলুদ গুঁড়ো বিক্রি করতে পারবেন। এই কাজের জন্য আপনার হলুদের গুঁড়া তৈরির জন্য ব্যবহৃত গ্রাইন্ডার ইত্যাদি মেশিনের প্রয়োজন হতে পারে।

একটি স্টেশনারি দোকান খোলা

স্টেশনারি কাজ (বই, কপি, কলম, ব্যাগ) সারা বছর থেমে থাকে না, এটি একটি চিরসবুজ ধরনের কাজ কারণ পড়াশোনা কেবল বছরের পর বছর চলে। আপনি শহরে একটি দোকান নিয়ে এবং বিভিন্ন ক্লাসের সিলেবাস, কলম, কাগজ, মোটামুটি ইত্যাদি সব ধরনের স্টেশনারি বিষয়ক জিনিসপত্র সেখানে রেখে টাকা আয় করতে পারেন। আপনি যদি একটি স্টেশনারি দোকান খোলেন, তাহলে একাডেমিক সেশনের শুরুতে আপনার উপার্জন ব্যাপকভাবে বেড়ে যায়।

জুস স্টল শুরু করা

শহরে টাকা আয় করার জন্য একটি জুসের দোকান শুরু করা একটি ভাল অপশন। কারণ এই সময়ে স্বাস্থ্যের দিকে মনোযোগ দেওয়ার কারণে শহরগুলিতে জুসের চাহিদা বেড়েছে। আপনি শহরে একটি জুস স্টল শুরু করতে পারেন এবং মানুষকে সব ধরণের জুস সরবরাহ করে টাকা আয় করতে পারেন। 

আপনি যদি এটি একটি ছোট স্কেলে শুরু করতে চান তবে আপনি একটি ছোট দোকান বা দোকানে শুরু করতে পারেন। আপনি চাইলে জুস হোম ডেলিভারি করেও বাড়তি টাকা আয় করতে পারেন।

কৃষি দোকান শুরু করা

গ্রামে খুব বড় পরিসরে কৃষিকাজ করা হয়, কৃষিকাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন ধরনের উপকরণ যেমন ওষুধ, বীজ, সার ইত্যাদি শহরে অবস্থিত দোকান থেকে সরবরাহ করা হয়।

আপনি শহরে সমস্ত কৃষি জিনিসের জন্য একটি দোকান শুরু করতে পারেন এবং সেখানে ওষুধ, বীজ, সার এবং অন্যান্য কৃষি জিনিস বিক্রি করে অর্থ উপার্জন করতে পারেন।

আপনি মাঝারি বাজেটে এই ধরনের দোকান শুরু করতে পারেন। আপনি চাইলে এই ধরনের দোকানে কৃষি উপকরণ যেমন বেলচা, কোদাল, বেলচা, কাস্তে ইত্যাদি বিক্রি করতে পারেন।

মোবাইল রিচার্জ এবং মেরামতের দোকান খোলা

এমনকি একটি মোবাইল মেরামতের দোকান শুরু করেও শহরে প্রচুর টাকা আয় হয়, যখনই মানুষের মোবাইল ফোনে জ্যাক ফেইলিওর, ডিসপ্লে ফেইলিওর, মাইক ফেইলিওর ইত্যাদি সমস্যা দেখা দেয়, তারা মোবাইল রিপেয়ারিং দোকানে গিয়ে সংশোধন করে। 

আপনি যদি মোবাইল রিপেয়ারিং করতে জানেন তাহলে একটি দোকান নিয়ে মোবাইল রিপেয়ারিং এর সমস্ত যন্ত্রপাতি রেখে কাজ শুরু করে টাকা ইনকাম করতে পারবেন। মোবাইল রিপেয়ারিং এর কাজ না জানলে বাইরে থেকে কিছু মোবাইল রিপেয়ারিং লোক নিয়োগ করে কাজ শুরু করতে পারেন।

ফুলের ব্যবসাঃ আপনি ফুলের ব্যবসা শুরু করতে পারেন। বর্তমান সময়ে বিয়ে থেকে শুরু করে ছোটখাটো কর্মসূচিতে ফুলের প্রয়োজন। এ সময় ভালো ফুলের চাহিদা অনেক বেশি। এছাড়া অনলাইনেও ফুল বিক্রি করতে পারবেন। সূর্যমুখী, গোলাপ, গাঁদা চাষ খুবই উপকারী।

মাশরুম চাষঃ আপনি বাড়ির বাগানে নিজেই মাশরুম চাষ শুরু করতে পারেন, অল্প বিনিয়োগ এবং কম পরিশ্রমে আপনি 50 হাজার পর্যন্ত আয় করতে পারেন।

মধুর ব্যবসাঃ আপনি একটি মৌমাছি পালন ব্যবসাও শুরু করতে পারেন। মাত্র এক থেকে দেড় লাখ টাকা খরচ করে আপনি আপনার ব্যবসা শুরু করতে পারবেন, তবে এই ব্যবসা চালানোর জন্য আপনাকে প্রশিক্ষণ নিতে হবে।

গাছ লাগিয়ে টাকা আয় করুনঃ আপনার যদি জমি থাকে তবে আপনি তাতে গোলাপ কাঠ, সেগুনের মতো মূল্যবান গাছ লাগাতে পারেন। এই গাছ ৮ থেকে ১০ বছর পরে আপনাকে ভালো উপার্জন দেবে। বর্তমান সময়ে একটি গোলাপ গাছ প্রায় ৪০ হাজার টাকায় বিক্রি হয়, যেখানে একটি সেগুন গাছের দাম তার চেয়েও বেশি।

শেষ কথা - মাসে ৩০ হাজার টাকা আয় করার উপায়

আমরা আশা করি আমাদের দ্বারা উল্লিখিত মাসে ৩০ হাজার টাকা আয় করার উপায় গুলো আপনার জন্য উপকারী হবে। এবং এই তথ্যপূর্ণ পোস্ট থেকে আপনার পক্ষে সিদ্ধান্ত নেওয়া সহজ হবে যে আপনি কীভাবে সহজেই মাসে ৩০ হাজার টাকা আয় করতে পারবেন এবং আপনার স্বপ্ন পূরণ করতে পারবেন।

উপরোক্ত আলোচনার ভিত্তিতে আপনি নিশ্চয় বুঝতে পারছেন কিভাবে প্রতি মাসে ৩০০০০ টাকা আয় করা সম্ভব। এই পোস্টটি অর্থাৎ মাসে ৩০ হাজার টাকা আয় করার উপায় আপনার বন্ধুদের মধ্যে শেয়ার করুন যাতে আপনার যেকোনো বন্ধুর টাকার প্রয়োজন এবং অর্থ উপার্জন করতে চান, তারা সহজেই টাকা আয় করার উপায় দেখতে পারে।

1 Comments