Technical Care BD https://www.technicalcarebd.com/2022/05/computer-virus-ki.html

কম্পিউটার ভাইরাস কি

কম্পিউটার ভাইরাস কি - কম্পিউটার ভাইরাস কী — কম্পিউটার ভাইরাস হল এক ধরনের কম্পিউটার প্রোগ্রাম যা ব্যবহারকারীর অনুমতি বা ধারণা ছাড়াই নিজে নিজেই কপি হতে পারে বা নিজের প্রতিরূপ সৃষ্টি করতে পারে। মেটামর্ফিক ভাইরাসের মত তারা প্রকৃত ভাইরাসটি কপিগুলোকে পরিবর্তিত করতে পারে অথবা কপিগুলো নিজেরাই পরিবর্তিত হতে পারে। 

কম্পিউটার ভাইরাস কি

একটি ভাইরাস এক কম্পিউটার থেকে অপর কম্পিউটারে যেতে পারে কেবলমাত্র যখন আক্রান্ত কম্পিউটারকে স্বাভাবিক কম্পিউটারটির কাছে নিয়ে যাওয়া হয়। যেমন: কোন ব্যবহারকারী ভাইরাসটিকে একটি নেটওয়ার্কের মাধ্যমে পাঠাতে পারে বা কোন বহনযোগ্য মাধ্যম যথা ফ্লপি ডিস্ক, সিডি, ইউএসবি ড্রাইভ বা ইন্টারনেটের মাধ্যমে ছড়াতে পারে। 

এছাড়াও ভাইরাসসমূহ কোন নেটওয়ার্ক ফাইল সিস্টেম কে আক্রান্ত করতে পারে, যার ফলে অন্যান্য কম্পিউটার যা ঐ সিস্টেমটি ব্যবহার করে সেগুলো আক্রান্ত হতে পারে। ভাইরাসকে কখনো কম্পিউটার ওয়ার্ম ও ট্রোজান হর্সেস এর সাথে মিলিয়ে ফেলা হয়। ট্রোজান হর্স হল একটি ফাইল যা এক্সিকিউটেড হবার আগ পর্যন্ত ক্ষতিহীন থাকে।

আরো পড়ুনঃ android ফোনের জন্য এন্টিভাইরাস

পেজ সূচীপত্রঃ

কম্পিউটার ভাইরাস কে আবিষ্কার করেন

কম্পিউটার ভাইরাস আবিষ্কার করেন ফ্রেড কোহেন। ১৯৮৩ সালের ১০ নভেম্বর কম্পিউটার ‘ভাইরাস’-এর জন্ম হয়। যুক্তরাষ্ট্রের সাউদার্ন ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক শ্রেণির ছাত্র ফ্রেড কোহেন পেনসিলভানিয়ার লেহিগ বিশ্ববিদ্যালয়ে নিরাপত্তাবিষয়ক এক সেমিনারে প্রথম কম্পিউটার ভাইরাস দেখান। 

একটি মেইনফ্রেম কম্পিউটারে তিনি তাঁর ছোট্ট সংকেত (কোড) প্রবেশ করিয়ে মাত্র ৫ মিনিটেই গোটা যন্ত্রের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নিয়েছিলেন। আরও চারটি প্রদর্শনীতে গড়ে মাত্র আধঘণ্টা সময়েই এই কোড ব্যবহার করে সব নিরাপত্তাব্যবস্থাকে পাশ কাটিয়ে গোটা সিস্টেমের নিয়ন্ত্রণ নিতে সক্ষম হন তিনি।

কোহেনের উপদেষ্টা লেন অ্যাডলেম্যান কোহেনের এই নিজে থেকেই নিজের অনুলিপি (রেপ্লিকা/কপি) সৃষ্টির প্রোগ্রামটিকে ভাইরাসের সঙ্গে তুলনা করেন এবং একে ‘ভাইরাস’ নামে অভিহিত করেন। সেই থেকে এমন ক্ষতিকর প্রোগ্রামের নাম হয়ে গেল কম্পিউটার ভাইরাস। কিন্তু কারও কারও মতে, এটাই প্রথম ভাইরাস নয়। 

১৯৮২ সালে পেনসিলভানিয়ার ১৫ বছর বয়সী কিশোর রিচ স্ক্রেনটা এমন এক প্রোগ্রাম লেখে, যা ফ্লপি ডিস্কের মাধ্যমে অ্যাপল টু কম্পিউটারকে সংক্রমিত করতে সক্ষম হয়েছিল। প্রতি ৫০ বার পরপর কম্পিউটার রিবুটিংয়ের সময় এই প্রোগ্রামটি একটি ছোট্ট বার্তা দেখাত। কিন্তু এই পুরো ব্যাপারটাই ছিল মজা করার উদ্দেশ্যে, স্ক্রেনটা ও তার বন্ধুদের গণ্ডির বাইরে কেউ জানত না এবং একে ভাইরাস বলা হতো না। 

আবার কেউ কেউ বলে থাকেন প্রথম ভাইরাসের নাম ‘ক্রিপার’ (১৯৭১)। কেমব্রিজভিত্তিক বিবিএনের কম্পিউটার প্রোগ্রামার রবার্ট (বব) থমাস ছোট একটা প্রোগ্রাম লেখেন, যা নিজে নিজেই অনুলিপি তৈরি করতে পারত। এটা ছিল পরীক্ষামূলক।

কম্পিউটার ভাইরাসের এমন নামকরণের কারণ হলো, এই প্রোগ্রামগুলো জীবদেহের ভাইরাসের মতোই আচরণ করে থাকে। ভাইরাস যেমন কোষের মতো নিজে থেকে নিজের অনুলিপি (রেপ্লিকা) তৈরি করতে পারে না, কম্পিউটার প্রোগ্রামটিও তেমনই, প্রোগ্রামটিতে ক্লিক না করলে চালু হয় না। ভাইরাস যেমন এক শরীর থেকে অন্য শরীরে ছড়ায়, কম্পিউটার ভাইরাসও তেমনই এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে ছড়ায়। দুটোই ক্ষতিকর ও আকারে ছোট।

এখন পর্যন্ত আবিষ্কৃত সবচেয়ে ক্ষতিকর ১০টি ভাইরাসের তালিকায় রয়েছে যথাক্রমে স্ট্রম ট্রোজান, মেলিসা, মাই ডুম, স্যাসার, অ্যানা কুর্নিকোভা, মরিস অ্যান্ড কনসেপ্ট, আই লাভ ইউ, স্ল্যামার, নিমডা ও কনফিকার।

আরো পড়ুনঃ মোবাইল কেনার আগে যা জানা দরকার

কম্পিউটার ভাইরাস আক্রান্ত হওয়ার লক্ষণ

আমাদের উপরের আলোচনায় জানতে পারলেন কম্পিউটার ভাইরাস হলো এমন একটি দূষিত সফটওয়্যার যার মাধ্যমে আপনার কম্পিউটারের অনেক ক্ষতি হয়ে থাকে। এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হলো যে, কিভাবে বুঝবেন আপনার কম্পিউটার ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত।

আপনার মোবাইল ভাইরাস বা কম্পিউটার ভাইরাস যদি যদি থাকে তা কিভাবে আক্রমন করে থাকে তাহলে আপনার কম্পিউটারে কিছু হলেও সংকেত দিয়ে থাকবে। বিশেষ করে কম্পিউটারের নোটিফিকেশনের মাধ্যমে আপনাকে জানিয়ে দেওয়া হবে আপনার কম্পিউটারে কোন প্রকার ভাইরাসে আক্রান্ত কি না।

আরো লক্ষ্য করুন তাহলে বুঝতে পারবেন কম্পিউটার ভাইরাস আক্রান্ত হওয়ার লক্ষণ গুলো। যেমন: প্রোগ্রাম বা ইন্টারনেট স্লো-ধীরগতি- আপনার কম্পিউটার এ কোন প্রোগ্রাম যেমন: ইন্টারনেট ব্যবহার করতে আমরা অনেক ধরনের ব্রাউজার ব্যবহার করে থাকি যেমন- গুগল ক্রম ব্রাউজারে যখন কোন প্রোগ্রাম বা ওয়েবসাইট নিয়ে কাজ করা হয় সে সময় ইন্টারনেটে একটি পেজ লোড হতে বেশি সময় নেয় এবং স্বাভাবিক এর থেকে অনেক বেশি লোড হয়ে থাকে।

তার জন্য আপনার উচিত কম্পিউটারে কোন ভাইরাস আক্রান্ত হয়েছে কিনা তা সঠিক ভাবে চেক করা। কারণ যখন আপনি ইন্টানেটে কাজ করবেন সেটি যদি ধীরগতিতে হয় তখন বুঝবেন যে আপনার কম্পিউটারে কিছু হলেও ভাইরাস আক্রান্ত করেছে।
 
ইন্টারনেট থেকে অপ্রত্যাশিত বিজ্ঞাপন ভাইরাসের লক্ষণ আক্রান্তের লক্ষণ। যেমন: অনেক সময় দেখা যায় ইন্টারনেট চালানোর সময় আমাদের কম্পিউটার গুলোতে বিভিন্ন প্রকার উইন্ডো আসতে থাকে। যা আপনার কম্পিউটারে ভাইরাস আক্রান্ত হওয়ার লক্ষন হতে পারে। তাই কম্পিউটার ব্যবহার করার সময় যে সকল বিজ্ঞাপন আসে সে গুলোতে ক্লিক করার একদম উচিত নয়। 

অনেক সময় সেই বিজ্ঞাপন গুলোতে লেখা থাকে ভাইরাস আছে আপনার কম্পিউটারে তাই এন্টিভাইরাস ডাউনলোড করুন। কিন্তু এই সকল কিছু বিজ্ঞাপন আছে যা আসলে আপনার কম্পিউটারের জন্য ভাইরাস।

কম্পিউটারে Error মেসেজ কম্পিউটার ভাইরাস এর একটি কারণ। যেমন: কম্পিউটারে ইন্টারনেট ব্রাউজার ব্যবহার করার সময় আপনি অনেক ধরণের Error মেসেজ এবং সতর্কতা মুলক অনেক ধরণের বার্তা পেয়ে থাকেন। তখন আপনাকে বুঝতে হবে আপনার কম্পিউটারে কোন ভাইরাস আক্রান্ত করেছে।

কম্পিউটারে অতিরিক্ত ফাইল রাখার জন্য কম্পিউটার ভাইরাস আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি থাকে। যেমন কোন কম্পিউটারে একবার ভাইরাস ছড়িয়ে পড়লে তা নিজের কপি তৈরি করে। যার কারণে আপনার কমিপউটারের র‌্যাম ও হার্ডডিক্স এর জায়গা অতিরিক্ত খরচ হয়ে থাকে। তাই আপনার কম্পিউটারে যদি এরকম কোন লক্ষণ দেখেন তাহলে যত দ্রুত পারেন ভালো সফটওয়ার দিয়ে স্ক্যান করে নিবেন। তাহলে সেই ভাইরাসটি নির্মুল করা সম্ভব হবে।

হোট-হাট করে কম্পিউটার একা একাই On-Off হওয়া ভাইরাস আক্রান্তের আরো একটি কারণ। যেমন: আপনার কম্পিউটারে গুরুত্বপূর্ণ কাজ করার সময় হঠাৎ করে দেখবেন যে, কম্পিউটারটি একাই বন্ধ হয়ে যায়। আবার হঠাৎ করেই চালু হয়ে যায়। তাহলে বুঝবেন আপনার কম্পিউটারটি ভাইরাসে আক্রান্ত।

১। ডেস্কটপে যেকোনো আইকনে ক্লিক করলে যদি রেসপন্ড না করে তাহলে বুঝতে হবে ভাইরাস বা ম্যালওয়্যার পিসিতে ক্ষতি করতে শুরু করেছে ২। ইন্টারনেটের গতি ধীর হয়ে যাওয়া – যদি আপনার ইন্টারনেটের গতি অবিচ্ছিন্নভাবে কিছু সময়ের জন্য ধীর হয়ে যায়, তবে আপনার পরীক্ষা করে দেখা উচিত এটি computer virus এর কারণে হয়েছে কি না। এই ধরণের সমস্যা computer ব্যবহারকারীদের সাথে ঘটে থাকে যারা কোনও anti-virus program ছাড়াই ধারাবাহিকভাবে ইন্টারনেট ব্যবহার করে।

৩। সবচেয়ে সাধারন লক্ষণ হল, কম্পিউটার স্লো হয়ে যাওয়া। কোন অ্যাপ্লিকেশন চালানোর সময় যদি স্লো হয় তাহলে অবশ্যই আপনার পিসি ভাইরাস আক্রান্ত ৪। অনেক সময় কারণ ছাড়াই কম্পিউটার স্থির হয়ে যায়, যাকে আমরা হ্যাং হওয়া বলি এখানেও ভাইরাস দায়ী।

৫। ইন্সটল করা অ্যান্টি-ভাইরাস যদি কাজ না করে তাহলে বুঝতে হবে ভাইরাস আক্রমন করেছে ৬। ব্রাউজারে বিভিন্ন পপ-আপ প্রদর্শনের কারণও ভাইরাস ৭। আবার কিছু কিছু ইমেইল আসে যেখানে দেখায় আপনি লটারি জিতেছেন। এর কারণ আপনার কম্পিউটার ভাইরাসে ভরে গেছে এবং হ্যাকাররা ম্যালওয়্যার পাঠাচ্ছে আপনার তথ্য বাগিয়ে নিতে 

৮। Security Attack – আপনি যদি আপনার কোনও file বা program খুলতে অক্ষম হন তবে এর অর্থ হ’ল আপনার computerটি একটি বিপজ্জনক virus দ্বারা infected হয়েছে। কিছু computer virus একটি system এর security ভঙ্গ করতে ডিজাইন করা হয়েছে ৯। ইন্সটল করতে সমস্যা হলে বা ফাইল ডাউনলোড করতে না পারার কারণ ভাইরাস আক্রান্ত ১০। হঠাৎ করে ডেস্কটপ আইকন হারিয়ে গেলে বুঝা যাবে ভাইরাস কম্পিউটারে ঝামেলা করছে।

১১। অপ্রত্যাশিত বিজ্ঞাপন – কখনও কখনও কিছু পপ-আপ উইন্ডো আমাদের computer এর সক্রিনে ভেসে উঠতে শুরু করে। যাতে বিজ্ঞাপন প্রদর্শিত হয়। এই অপ্রত্যাশিত অন স্ক্রিন বিজ্ঞাপনটি virus সংক্রমণের লক্ষণ হতে পারে। এ জাতীয় কোনও পপ-আপ বিজ্ঞাপনে click করবেন না। অনেক সময় বিজ্ঞাপনে এটি উল্লেখ করা হয় যে আপনার computer এর একটি virus রয়েছে। এটি সরাতে, এই anti-virusটি download করুন। তবে বাস্তবে এটি একটি computer virus।

১২। ধীর পারফরমেন্স – এটি প্রায়শই কম র‍্যাম বা কম হার্ড ডিস্কের কারণে হয় তবে আপনার computer এর পর্যাপ্ত জায়গা থাকলে এটি computer virus জনিত কারণেও হতে পারে। যদি আপনার পিসি স্টার্ট করতে খুব বেশি সময় লাগে বা কোনও program খোলার জন্য খুব বেশি সময় লাগে, তবে আপনার computer এর virus থাকতে পারে।

আরো পড়ুনঃ কল রেকর্ড বের করার নিয়ম

কম্পিউটার ভাইরাস প্রতিরোধের উপায়

প্রথমেই বলেছি কম্পিউটার ভাইরাস অনেকটা রিয়েল ওয়ার্ল্ডের ভাইরাসের মতো। এটি কোন কোন সময় ভয়াবহ রুপ নিতে পারে। আপনার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ডকুমেন্টস নিমিষেই শেষ করে দিতে পারে একটি সামান্য কম্পিউটার ভাইরাস। তাই কম্পিউটার ভাইরাস থেকে সুরক্ষিত থাকতে আপনাকে অত্যন্ত সতর্ক থাকতে হবে।

উপরের ইনফরমেশন থেকে, কম্পিউটারে ভাইরাস আক্রান্ত হওয়ার লক্ষণ গুলি সম্পর্কে জানতে পেরেছেন। এখন কম্পিউটার ভাইরাস মুক্ত রাখার উপায় গুলি সম্পর্কে জেনে নিন। এই উপায়গুলি মেনে চললে আপনি আপনার কম্পিউটারকে ভাইরাসমুক্ত রাখতে পারবেন।

১। antivirus software download করে রাখুন। যেটি স্ক্যান করে কম্পিউটার ভাইরাসকে দূর করে দেবে ২। কোন spam ইমেইল খোলার আগেই সেটিকে ডিলিট ডিলিট করে ৩। Pirated ওয়েবসাইট থেকে গান, মুভি, অ্যাপ্লিকেশন, গেমস এবং ফাইল ডাউনলোড করবেন না ৪। কোন ডাউনলোড করা জিনিস অ্যান্টিভাইরাস এর দ্বারা Scan করে তারপর ওপেন করুন ৫। pendrive, disks এর মত ডিভাইস গুলিকে স্ক্যান করার পর কম্পিউটারে প্রবেশ করান ৬। Untrusted Websites থেকে কোনো ডকুমেন্ট ডাউনলোড করা থেকে দূরে থাকুন ৭। lottery, বড়লোক এই সমস্ত অ্যাডভার্টাইজমেন্ট এ ক্লিক করবেন না।

কম্পিউটারে অবশ্যই এন্টি-ভাইরাস প্রোগ্রাম ব্যবহার করুন। ফ্রিতে অনেক ভালো ভালো এন্টি-ভাইরাস প্রোগ্রাম পাওয়া যায়। যেকোনো একটি ব্যবহার করুন। পরিচিত কোন ব্যক্তি ব্যতীত অন্য কারো পাঠানো ইমেইল এটাচমেন্ট, মেসেজ এটাচমেন্ট, লিঙ্ক ওপেন করবেন না। ইন্টারনেট থেকে আজেবাজে সফটওয়্যার ডাউনলোড করে ইন্সটল করবে না। এক্ষেত্রে আপনি এপস্টোর থেকে সফটওয়্যার ইন্সটল করতে পারেন। সকল অপারেটিং সিস্টেমেই এপস্টোর আছে আর সেখানকার সব সফটওয়্যার ই ভাইরাসমুক্ত।

কম্পিউটার ভাইরাস ম্যালওয়ারের বিভিন্ন ধরনের একটি ধরন মাত্র। এন্টিভাইরাস কখনই একটি কম্পিউটারকে সম্পূর্ণ সুরক্ষিত করতে পারে না। এর জন্য সবচেয়ে বেশী দরকার ইউজারের সচেতনতা।

আরো পড়ুনঃ অনলাইনে কাজ করে টাকা ইনকাম

কম্পিউটার ভাইরাস কত প্রকার

কম্পিউটার ভাইরাস দুই প্রকার। যথা– ১। নিবাসী ভাইরাস (Resident Virus) ২। অনিবাসী ভাইরাস (Non-Resident Virus)। ১. নিবাসী ভাইরাস : নিবাসী ভাইরাস হলো এক ধরনের ক্ষতিকারক প্রোগ্রাম যা সক্রিয় হয়ে ওঠার পর মেমোরিতে স্থায়ীভাবে অবস্থান নেয় এবং যখনই অন্য কোনো প্রোগ্রাম চালু হয় তখনই সেই প্রোগ্রামকে সংক্রমিত করে। 

২. অনিবাসী ভাইরাস : অনিবাসী ভাইরাস হলো এক ধরনের ক্ষতিকারক প্রোগ্রাম যা সক্রিয় হয়ে ওঠার পর, অন্যান্য কোন কোন প্রোগ্রামকে সংক্রমণ করা যায় সেটি খুঁজে বের করে, সংক্রমণ করার পর মূল প্রোগ্রামের কাছে নিয়ন্ত্রণ দিয়ে নিস্ক্রিয় হয়ে যায়।

কম্পিউটার ভাইরাস এর নাম

কয়েকটি কম্পিউটার ভাইরাসের নাম। এখন পর্যন্ত আবিষ্কৃত সবচেয়ে ক্ষতিকর ১০টি কম্পিউটার ভাইরাসের তালিকায়, যথাক্রমে ১। মিকেলঅ্যাঞ্জেলো ২। মেলিসা ৩। স্ট্রম ট্রোজান ৪। আই লাভ ইউ ৫। পিকাচু ৬। মাই ডুম ৭। স্যাসার ৮। নিমডা ৯। অ্যানা কুর্নিকোভা ১০। মরিস অ্যান্ড কনসেপ্ট ১১। কনফিকার ১২। স্ল্যামার

অন্যদের সাথে শেয়ার করুন

0 Comments

দয়া করে নীতিমালা মেনে মন্তব্য করুন ??

অর্ডিনারি আইটি কী?