Technical Care BD https://www.technicalcarebd.com/2021/08/how-to-earn-money-online.html

মোবাইল দিয়ে টাকা আয় বিকাশে পেমেন্ট 2021

অনলাইনে মোবাইল দিয়ে টাকা আয় বিকাশে পেমেন্ট ২০২১ — মোবাইল দিয়ে টাকা আয় বিকাশে পেমেন্ট। আজকের এই আর্টিকেলের মাধ্যমে আমরা জানবো মোবাইল দিয়ে টাকা আয় বিকাশে পেমেন্ট ২০২১ নেয়ার পদ্ধতি সম্পর্কে। মোবাইল দিয়ে কাজ করে টাকা আয় করার জন্য বর্তমান সময়ে অনলাইনে প্রচুর ওয়েবসাইট এবং অ্যাপ্লিকেশান রয়েছে।

কিন্ত হ্যাঁ, মনে রাখবেন এই ধরনের টাকা ইনকাম করার ওয়েবসাইট এবং অ্যাপগুলোর মধ্যে সবগুলো কিন্ত আপনাকে যথাযথ পেমেন্ট প্রদান করবে না। তবে হ্যাঁ, এমন অনেক ধরনের ওয়েবসাইট এবং অ্যাপস আছে যেগুলোতে মোবাইলের মাধ্যমে কাজ করে মোবাইল দিয়ে টাকা আয় বিকাশে পেমেন্ট নেওয়া সম্ভব।

মোবাইল দিয়ে টাকা আয় বিকাশে পেমেন্ট ২০২১ নেয়ার জন্য আমি এই আর্টিকেলে যে পদ্ধতি বা নিয়ম গুলো সম্পর্কে বলবো সেসকল পদ্ধতি যেকেউ সহজেই ব্যবহার করার মাধ্যমে মোবাইলে দিয়ে টাকা ইনকাম করতে পারবেন। যদি আপনি অবসর সময়গুলোতে মোবাইল দিয়ে কাজ করে পার্ট-টাইম মানি ইনকাম করতে চান, তবে আপনি নিচে উল্লেখ করা মোবাইল দিয়ে টাকা ইনকাম বিকাশে পেমেন্ট ২০২১ পদ্ধতি গুলো অবশ্যই ভালোভাবে মনোযোগ সহাকারে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পড়ুন। 

মোবাইল দিয়ে টাকা আয় বিকাশে পেমেন্ট 2021

মোবাইল দিয়ে টাকা আয়

বর্তমান সময়ে ছোট থেকে বড় সকলের হাতে স্মার্টফোন এবং ইন্টারনেট সুবিধা আছে। একদিকে যেমন কমদামে স্মার্টফোন কিনতে পাওয়া যায় ঠিক অন্যদিকে খুব কমদামে ইন্টারনেট প্যাকেজ ক্রয় করা সম্ভব হয়। সেজন্য বর্তমান সময়ে আরেকটি সকলের কমন প্রশ্ন হয়ে উঠছে, আমি মোবাইল দিয়ে অনলাইন থেকে টাকা ইনকাম করতে পারব কি-না? অথবা মোবাইল দিয়ে টাকা আয় করার সহজ উপায় আছে কি-না? আপনাদের সকলের এ ধরনের প্রশ্নের উত্তরে আমি বলবো মোবাইল দিয়ে টাকা আয় করার জন্য অনেক ভালোমানের পদ্ধতি আছে। কিন্তু মোবাইল দিয়ে টাকা আয় করার সহজ কোনো উপায় নেই।

আপনি প্রতিমাসে মোবাইল দিয়ে ২০০ থেকে ৩০০ ডলার অনলাইন থেকে ইনকাম করতে পারবেন। তবে হ্যাঁ মোবাইল দিয়ে টাকা ইনকাম করার জন্য আপনাকে প্রচুর পরিমাণে শ্রম দেয়ার প্রয়োজন হবে এবং তুলনামূলকভাবে যাদের কম্পিউটার এবং ল্যাপটপ রয়েছে তাদের তুলনায় আপনাকে আরও বেশি পরিশ্রম দিতে হবে।

এছাড়া বিকাশে পেমেন্ট সিস্টেম বর্তমানে শুধুমাত্র বাংলাদেশের মাঝে সীমাবদ্ধ। বিকাশে পেমেন্ট সিস্টেম বা বিকাশ অ্যাপে কোনো ধরনের আন্তর্জাতিক পেমেন্ট মেথড ব্যবস্থা চালু হয়নি। কাজেই বড় বড় মার্কেটপ্লেসগুলোতে কাজ করে অনলাইন থেকে ইনকাম করা টাকা বিকাশের মাধ্যমে আপনি বের করতে পারবেন না। বাংলাদেশের যে সকল ছোট-খাটো অনলাইন মার্কেটপ্লেস আছে সেগুলো থেকে টাকা ইনকাম করলে কেবলমাত্র আপনি বিকাশের মাধ্যমে পেমেন্ট নিতে পারবেন। কিন্তু হ্যাঁ দুঃখের বিষয় হলেও সত্যি যে, অনলাইনে টাকা ইনকাম করার জন্য বাংলাদেশে এখনো পর্যন্ত ভালোমানের কোনো কোম্পানি নেই।

মোবাইল দিয়ে টাকা আয় করার জন্য যা যা প্রয়োজন

(১) মোবাইল দিয়ে টাকা আয় করার জন্য প্রয়োজন একটি ভালোমানের স্মার্টফোন।
(২) মোবাইলের মাধ্যমে কাজ করার জন্য দরকার ভালোমানের ইন্টারনেট সংযোগ।
(৩) পেমেন্ট গ্রহণ নেয়ার জন্য প্রয়োজন পেপাল একাউন্ট, ব্যাংক একাউন্ট ইত্যাদি।
(৪) প্রতিদিন আপাকে ৩-৪ ঘন্টা সময় দিতে হবে কাজ করার জন্য।

মোবাইল দিয়ে টাকা আয় বিকাশে পেমেন্ট ২০২১ গ্রহণ করার যে কয়েকটি পদ্ধতি রয়েছে

১। ব্লগিং
২। কন্টেন্ট রাইটিং
৩। ইউটিউব চ্যানেল তৈরি করে আয়
৪। ফ্রিল্যান্সিং জব
৫। অ্যাপ দিয়ে টাকা ইনকাম

ব্লগিং | মোবাইল দিয়ে ব্লগিং করে টাকা আয়

মোবাইল দিয়ে টাকা আয় করার জন্য সবচেয়ে সহজ এবং জনপ্রিয় ও লাভজনক পদ্ধতি হচ্ছে ব্লগিং। বর্তমান সময়ে মানুষ ব্লগিং করে প্রত্যেক মাসে লাখ লাখ টাকা ইনকাম করছে। আমি নিজেই তার জলন্ত প্রমাণ।

যদি আপনি ইন্টারনেটে ব্লগিং কি? ব্লগিং করে কত টাকা আয় করা যায় সেই সম্পর্কে সার্চ করেন তবে আপনি দেখতে পারবেন যে ব্লগিং কতবেশি জনপ্রিয়। আপনি আপনার হাতে থাকা স্মার্টফোনের মাধ্যমে ব্লগিং করতে পারবেন। তো যদি আপনি মোবাইলের মাধ্যমে ব্লগিং করতে চান তাহলে সর্বপ্রথম আপনাকে একটি ব্লগ সাইট খুলতে হবে। এক্ষেত্রে আপনি নিজেই খুব সহজে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে সম্পূর্ণ বিনামূল্য একটি ব্লগিং ব্লগ সাইট খুলতে পারবেন।

তবে সেই বিনামূল্য সাইটের অ্যাড্রেস হবে ব্লগস্পট। আপনি চাইলে এখানে পরবর্তীতে কাস্টম ডোমেইন যুক্ত করতে পারবেন। ব্লগ সাইট খোলার পরে আপনাকে সেখানে নিজের দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা থেকে বিভিন্ন বিষয়ের উপর পোস্ট বা কন্টেন্ট লিখে পাবলিশ করতে হবে। এই ভাবে নিয়মিত করে ব্লগ সাইটে পোস্ট বা কন্টেন্ট পাবলিশ করতে থাকলে কিছু দিন পরে বা ধীরে ধীরে আপনার ব্লগ সাইটে অনেক ভিজিটর আসতে থাকবে। পরবর্তীতে সেই ব্লগ সাইটের গুগল অ্যাডসেন্সের মাধ্যমে মাসিক অনেক টাকা ইনকাম করা সম্ভব।

বর্তমান সময়ে এমন কিছু লোক আছে, যারা নিয়মিত গুগল বা অনন্যা সার্চ ইঞ্জিনে সার্চ করে থাকেন যে, এড দেখে টাকা ইনকাম বিকাশে পেমেন্ট ২০২১, বিজ্ঞাপন দেখে টাকা ইনকাম, অ্যাপ দিয়ে টাকা আয়, ভিডিও দেখে টাক আয় বিকাশে পেমেন্ট ২০২১ ইত্যাদি। কিন্ত তাদের জন্য আমার একটি কথা ভাই এগুলো কোনো স্কিল না। যারা গুগল এসব লিখে সার্চ করেন তাদের উদ্দেশ্য বলি, এব পদ্ধতিতে আপনি আংশিক কিছু ডলার আয় করতে পারবেন। তবে হ্যাঁ টাকা আয় করাটা হচ্ছে একদম অযৌক্তিক একটা ব্যাপার। যদিওবা অনলাইনে সে ধরনের ওয়েবসাইট থেকে থাকে তবে তা স্ক্যাম ওয়েবসাইট।

আরও পড়ুনঃ ব্লগার থেকে টাকা আয় করার উপায় | ব্লগ দিয়ে ইনকাম করার উপায়

ব্লগিং করে প্রতিমাসে হাজার হাজার টাকা ইনকাম করবেন যেভাবে

যখনি আপনার ব্লগ সাইটে প্রতিদিন প্রচুর পরিমাণে ভিজিটর আসতে থাকবে তখন থেকে আপনি বিভিন্ন পদ্ধতি ব্লগিং করে টাকা ইনকাম করতে পারবেন। যেমন-

(১) গুগল অ্যাডসেন্স থেকে টাকা ইনকাম
(২) এফিলিয়েট মার্কেটিং করে টাকা ইনকাম
(৩) পেইড প্রমোশন করে টাকা

আমি নিশ্চিত আপনি এই মোবাইল দিয়ে টাকা আয় বিকাশে পেমেন্ট ২০২১ আর্টিকেলটি পড়ার সময়ে অবশ্যই গুগল অ্যাডসেন্সের বিভিন্ন ধরনের বিজ্ঞাপন দেখেছেন। আমি আমার এই ওয়েবসাইট থেকে টাকা ইনকাম করে থাকি মূলত গুগল অ্যাডসেন্সের মাধ্যমে। এছাড়াও মাঝে মধ্যে কোনো প্রোডাক্টেের রিভিউ করে ব্লগ থেকে টাকা করে থাকি। যদি আপনি সঠিক ভাবে ব্লগিং করতে পারেন তবে আমার বিশ্বাস প্রত্যেকমাসে আপনি কমপক্ষে ১৫ হাজার টাকা থেকে ৫০ হাজার টাকারও বেশি ইনকাম করতে পারবেন সহজেই।

কন্টেন্ট রাইটিং করে টাকা ইনকাম

আমরা সহজেই ব্যবহার করতে পারি এই ধরনের টাকা ইনকাম করার ওয়েবসাইটগুলোর মাঝে ১ শতাংশ ওয়েবসাইট হচ্ছে আমাদের দেশীয়। আর বাকি সকল ওয়েবসাইটগুলো হচ্ছে সারাবিশ্বের বিভিন্ন দেশের সার্ভারে অবস্থিত। মোবাইল দিয়ে টাকা আয় বিকাশে পেমেন্ট ২০২১ নেয়ার জন্য অনলাইনে টাকা আয় করার জন্য আমার জানামতে কন্টেন্ট রাইটিং সবথেকে বেশি কার্যকর। 

যদি আপনি লেখালেখি করতে ভালোবাসেন তবে অনলাইনে আর্টিকেল লিখে প্রতিমাসে ভালো পরিমাণে টাকা ইনকাম করতে পারবেন। এখন অনলাইনে লাখ লাখ ব্লগ সাইট, নিউজ পোর্টাল সাইট, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভিন্ন পেজ আছে যেখানে কন্টেন্ট লেখার জন্য রাইটারের প্রয়োজন হয়। আপনি এই কাজটি নিজের মোবাইল ফোনের মাধ্যমে Google Docs ব্যবহার করে মোবাইলে কন্টেন্ট লিখতে পারবেন। আর্টিকেল রাইটিং এর কাজ করার জন্য ব্লগিংয়ের সঙ্গে জড়িত বিভিন্ন ফেসবুক পেজ, ওয়েবসাইট গুলোতে গিয়ে আপনাকে কাজ খুঁজতে হবে।

YouTube থেকে মোবাইল দিয়ে টাকা আয়

যদি আপনি একজন ভ্রমন পিপাসু হয়ে থাকেন তবে বিভিন্ন রকমের সুন্দর প্রকৃতিক দৃশ্যগুলােকে আপনার হাতে থাকা স্মার্টফোনের ক্যামেরাতে ফ্রেমবন্দী করে ইউটিউব ভিডিও কন্টেন্ট তৈরি করে টাকা ইনকাম করতে পারেন। অথবা আপনার যে বিষয়ের উপরে ভালোভাবে জানেন আপনার যে বিষয়ের উপর দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা আছে সেই বিষয়ের উপর বিভিন্ন ভিডিও কন্টেন্ট তৈরী করে মোবাইলের মাধ্যমে ইউটিউব থেকে টাকা ইনকাম করতে পারেন। এছাড়া যারা গৃহিনী আছে তারাও চাইলে বিভিন্ন ধরনের বা বিভিন্ন আইটেমের রান্নার রেসিপি টিপস এবং সাজগোজ করার ভিডিও কন্টেন্ট তৈরি করে মোবাইলের মাধ্যমে আয় করতে পারবেন।

বর্তমান সময়ের স্মার্টফোন গুলোতে অনেক হাই কোয়ালিটির ভিডিও রেকর্ডিং করা সম্ভব। যার কারণে আপনি চাইলেই আপনার মোবাইল ব্যবহার করে ক্যামেরার সামনে বসে ভিডিও তৈরি করতে পারেন বা যদি আপনি ক্যামেরার সামনে আসতে না চান তবে স্মার্টফোনের স্ক্রিন ভিডিও রেকর্ড করে বিভিন্ন রকমের টিউটরিয়াল কন্টেন্ট তৈরি করতে পারেন। একটি ভিডিও কন্টেন্ট বানানো থেকে শুরু করে ইউটিউব চ্যানেল ক্রিয়েট করা এবং ভিডিও আপলোড করা সহ যাবতীয় কাজ আপনি এই মোবাইল ফোনের মাধ্যমে করতে পারবেন সহজেই।

আরও পড়ুনঃ ইউটিউব কেন অনলাইনে আয় করার সহজ উপায়?

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে অনলাইন ইনকাম

২০২১ সালে ওয়েবসাইটের মাধ্যমে অনলাইনে টাকা আয় করার অন্যতম সেরা পদ্ধতি হচ্ছে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং। আপনার যদি কোনো একটি ওয়েবসাইট থাকে তবে সেখানে অ্যাফিলিয়েট লিংক ব্যবহার করে সেখান থেকে সহজেই টাকা ইনকাম করতে পারবেন। আপনার ওয়েবসাইটের মাঝে ব্যবহার করা অ্যাফিলিয়েট লিংক ব্যবহার করে যেসকল ভিজিটর অ্যাফিলিয়েট ওয়েবসাইটে গিয়ে কোনো প্রোডাক্ট কিনবে, সেখান থেকে নির্দিষ্ট পরিমাণে কমিশন অ্যাফিলিয়েট ওয়েবসাইট আপনার করবে। 

এভাবে অ্যাফিলিয়েট লিংক ব্যবহার করে অনলাইন থেকে সহজে টাকা ইনকাম করা যায়। অ্যাফিলিয়েট লিংক পাওয়ার জন্যে আপনাকে অ্যাফিলিয়েট ওয়েবসাইটগুলোতে গিয়ে সেখানে একটি একাউন্ট তৈরি করে আপনার ওয়েবসাইটটিকে দেখিয়ে আবেদন করতে হবে। অ্যাফিলিয়েট লিংকের জন্য আবেদন করার পরে, তারা আপনার ওয়েবসাইটটি রিভিউ করে দেখবে, তাদের নির্দেশনা অনুযায়ী আপনার ওয়েবসাইট অ্যাফিলিয়েট লিংক ব্যবহার করার উপযোগি কি-না।

যদি আপনার সাইটটি অ্যাফিলিয়েট লিঙ্ক পাওয়ার উপযোগি হয় তবে আপনাকে তারা এই অ্যাফিলিয়েট লিংকটিকে অনুমোদন দিবে। তখন আপনি মোবাইলে আপনার ওয়েবসাইটের মাধ্যমে অ্যাফিলিয়েট লিংক ব্যবহার করে অনলাইন থেকে টাকা আয় বিকাশে পেমেন্ট ২০২১ এ নিতে পারবেন।

Android Apps দিয়ে টাকা ইনকাম

স্মার্টফোনে আন্ড্রয়েড অ্যাপ দিয়ে আসলেই কি টাকা ইনকাম করা যায় কি-না? যদি আপনার এমন প্রশ্ন থেকে থাকে তবে আমি প্রশ্নের জবাবে বলব এন্ড্রয়েড অ্যাপ দিয়ে টাকা ইনকাম করা যায়। তবে সেই টাকার পরিমাণ খুবই সীমিতঅ অস্থায়ী। ইন্টারনেটে এমন কিছু কিছু এন্ড্রয়েড অ্যাপ রয়েছে যেগুলো ব্যবহার করে আপনি কখনো কখনো ১০০ থেকে ২০০ টাকা পর্যন্ত ইনকাম করতে পারেন। তবে হ্যাঁ সেই টাকা ইনকাম করার জন্য আপনাকে অনেক বেশি ঝামেলা সম্মুখীন হতে হবে।

অনেক ক্ষেত্রে কিছু এন্ড্রয়েড অ্যাপ আছে যেগুলো শুধুমাত্র আপনাকে বিভিন্ন ধরনের অ্যাডের উপরে ক্লিক করার জন্যে বলবে। কোনো কোনো আন্ড্রয়েড অ্যাপ ১০০টি অ্যাডে ক্লিক করার পরে তারা আপনাকে ১০০টাকা পেমেন্ট করে থাকে। আর হ্যাঁ সেসকল ১০০টি বিজ্ঞাপন আবার একসঙ্গে আপনাকে দিবে না। সবগুলো অ্যাড পাওয়ার জন্যে সারাদিন আপনাকে এই অ্যাপের পিছনে লেগে থাকার প্রয়োজন হবে।

আপনি এখন নিজেই বিবেচনা করুন আপনি একজন ব্যক্তি অথচ এন্ড্রয়েড অ্যাপ শুধুমাত্র আপনাকে অ্যাড এর ক্লিক করার মতাে বিরক্তকর একটি কাজ দিচ্ছে। আপনার চোখে এটা কেমন ধরনের কাজ সেটা আপনি নিজে নিজেই বিবেচনা করে দেখবেন। বিশেষ করে আমি এই এন্ড্রয়েড অ্যাপ দিয়ে টাকা ইনকাম করাটা কোনোভাবেই গ্রহনযোগ্য কাজ না।

Android Apps দিয়ে টাকা আয়

যদি আপনি মোবাইলে এন্ড্রয়েড অ্যাপ দিয়ে টাকা আয় করতে চান তবে প্লে স্টোরে বিভিন্ন রকমের আরনিং অ্যাপ (Earning App), অনলাইন ইনকাম অ্যাপ (Online Income App), রিচার্জ অ্যাপ (Recharge App) লিখে সার্চ করলে সেখান থেকে অনেক ধরনের অনলাইনে ইনকাম করার এন্ড্রয়েড অ্যাপ দেখতে পারবেন। যেমন- আমি একটা সময় অনলাইনে টাকা আয় করার জন্য এই বিশ্বস্ত কয়েকটি অ্যাপ ব্যবহার করছিলাম। টাকা ইনকাম করার অ্যাপ গুলো হচ্ছে TaskBucks, Pocket Money, MCent, Amulyam। 

এই ধরনের এন্ড্রয়েড অ্যাপগুলো ডাউনলোড করে ইনস্টল করার পরে সেখান থেকে আপনাকে অ্যাপগুলো এক এক রকমের কাজ করতে ববে। এই সকল টাকা ইনকাম করার অ্যাপ নিয়ে আমি বিস্তারিত আর বলতে চাচ্ছি না। কেননা এই সকল টাকা ইনকাম করার অ্যাপ নিয়ে আমার এখন আর কোনো আগ্রহ নেই। তবে এই অ্যাপগুলো ডাউনলোড করে ইনস্টল করে কি কি কাজ করতে হবে তা আপনি নিজে নিজেই বুঝতে পারবেন। কারণ এই টাকা ইনকাম করার অ্যাপগুলোর কাজের ধরণ খুবই সহজ হয়ে থাকে।

আরও পড়ুনঃ বিজ্ঞাপন দেখে টাকা ইনকাম | টাকা ইনকাম করার ওয়েবসাইট

Fiverr ওয়েবসাইটে কাজ করে টাকা ইনকাম

অনেকেই আমাকে প্রশ্ন করেন যে ভাই মোবাইল দিয়ে আমি কিভাবে জনপ্রিয় ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস ফাইভারে Fiverr কাজ করে টাকা ইনকাম করবো? তো আপনাদের প্রশ্নের উত্তরে আমি জবাব দিবো। আপনি যেহেতু মোবাইল দিয়ে অনলাইনে কাজ করবেন, সেহেতু আপনাকে আর্টিকেল রাইটিং ও সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজমেন্টের সঙ্গে রিলেটেড সকল কাজগুলো মোবাইলের মাধ্যমে করতে পারবেন। তার আগে মনে রাখবেন, সর্বপ্রথম আপনাকে Fiverr মার্কেটপ্লেসে গিয়ে একটি একাউন্ট খুলতে হবে। আর এই কাজগুলো করে মোবাইল দিয়ে টাকা আয় করতে পারবেন।

অনলাইন থেকে টাকা ইনকাম করার পরামর্শ

বাস্তব ক্ষেত্রে অনলাইনে আয়ের বিষয়টি বিশাল লম্বা ও দীর্ঘ একটা প্রসেস। আপনি চাইলেই আজকে কাজ শুরু করে দিয়ে আগামীকাল থেকে টাকা ইনকাম শুরু করতে পারবেন না অথবা আজ কাজ করে আপনি আগামীকাল থেকে পেমেন্ট পাবেন না। আর হ্যাঁ মোবাইল অ্যাপস দিয়ে হয়তোবা আপনি ১-২ দিন ২০০ থেকে ৪০০ টাকা আয় করতে পারবেন। কিন্তু আপনি এই আয় করার প্রসেস দীর্ঘ সময় ধরে করে যেতে পারবেন না।

অনলাইনে আপনি ফ্রিল্যান্সিং, ব্লগিং অথবা ইউটিউবিং যেটাই শুরু করেন না কেন কাজ করার জন্যে আপনার দক্ষতা অভিজ্ঞতা অবশ্যই থাকতে হবে। অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা না থাকলে আপনি যেকোনো প্রতিষ্ঠান অথবা অনলাইন থেকে ৫ থেকে ৬ মাস ভালোভাবে স্টাডি করে কোনো বিষয়ে উপরে অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা অর্জন করে নিবেন। তারপরে ধৈর্য্যধারণ করে আরও ৫ থেকে ৬ মাস টাকা ইনকাম করার কথা চিন্তাভাবনা না করে আন্তরিকতার সাথে কাজ চালিয়ে যাবেন। আমি ১০০% সিউরভাবে বলতে পারি কেউ মার্কেটপ্লেসে ৫ থেকে ৬ মাস আন্তরিকতার সহিত নিয়মিত কাজ করলে ৬ মাস পরে প্রতিমাসে মিনিমাম ২০০ থেকে ৩০০ ডলার অনলাইন থেকে টাকা আয় করতে পারবে।

শেষ কথা | মোবাইল দিয়ে টাকা আয় বিকাশে পেমেন্ট

আমি পূর্বের বিভিন্ন পোস্টে বলেছি অনলাইন থেকে মোবাইল দিয়ে টাকা ইনকাম করার জন্যে বিভিন্ন ভালো মানের মার্কেটপ্লেস আছে। তবে হ্যাঁ মনে রাখবেন মোবাইল দিয়ে টাকা ইনকাম করে বিকাশে পেমেন্ট নেয়ার মতো বড় ধরনের কোনো অনলাইন মার্কেটপ্লেস বর্তমান সময় পর্যন্ত নেই। অনলাইনে যত রকমের বড় বড় মার্কেটপ্লেসগুলো রয়েছে সকলেই তাদের নিকট হতে ইনকামের টাকা ব্যাংক অ্যাকাউন্ট, পেপাল এর মাধ্যমে পেমেন্ট করে থাকে। 

আমি একটা জিনিস বুঝতে পারি না যে, কাজ শুরু করার থেকে অনলাইন থেকে টাকা ইনকাম করার পর সেই টাকাগুলো কিভাবে হাতে পাবন সেই ব্যাপারটি নিয়ে চিন্তা করার দরকার কেন হবে? আপনি অনলাইনের যেকোনো মার্কেটপ্লেস থেকে টাকা ইনকাম করুন না কেন, সেই টাকা তোলার জন্য কোনো ধরনের সমস্যার সৃষ্টি হবেনা।

এখন প্রত্যেকটি অনলাইন মার্কেটপ্লেস তাদের গ্রাহকের ইনকাম করা অর্থ বিশ্বস্ততার সাথে হাতে পৌছে দেয়। এক্ষেত্রে আপনার ইনকাম করা টাকা শুধুমাত্র বিকাশের মাধ্যমে নিতে হবে এমন চিন্তাভাবনা করাটা মোটেও উচিত নয়। অনলাইনে সকল বড় মার্কেটপ্লেসগুলো বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ব্যাংক একাউন্টের মাধ্যমে টাকা পেমেন্ট করে থাকে। সেজন্য অনলাইন থেকে ইনকাম করা টাকা খুবই সহজে আপনার যেকোনো ব্যাংক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে নিতে পারবেন।

আরও পড়ুনঃ Seo শিখে কিভাবে আয় করবো | Seo করে কত টাকা আয় করা যায়

অন্যদের সাথে শেয়ার করুন

0 Comments

দয়া করে নীতিমালা মেনে মন্তব্য করুন ??

নটিফিকেশন ও নোটিশ এরিয়া