Technical Care BD https://www.technicalcarebd.com/2021/11/video-editing-software.html

মোবাইলে ভিডিও এডিটিং সফটওয়্যার

মোবাইলে ভিডিও এডিটিং সফটওয়্যার — যদি আপনি আপনার মোবাইলে ভিডিও এডিট করতে চান তবে আপনি খুবই সহজেই মোবাইল দিয়ে ভিডিও এডিট করতে পারবেন কিছু আন্ড্রয়েড অ্যাপ ব্যবহার করে। বর্তমান সময়ে বেশিরভাগ মানুষ ইউটিউব চ্যানেলের ভিডিও, ফেসবুকে শেয়ার করা ভিডিও গুলো এডিট করার জন্যে আজকের এই আর্টিকেলে আলোচনা করা ভিডিও এডিটিং অ্যাপ গুলোকে ব্যবহার করে থাকেন। আর হ্যাঁ এই ভিডিও এডিটিং অ্যাপ গুলো ব্যবহার করে আপনি ভিডিওগুলোকে প্রফেশনাল মানের এডিট করতে পারবেন যেমন এডিটিং গুলো কেবলমাত্র ভালো ভালো কম্পিউটার সফটওয়্যারের সাহায্য করা যায়। 

মোবাইলে ভিডিও এডিটিং সফটওয়্যার

যদি আপনি আপনার হাতে থাকা স্মার্টফোনের মাধ্যমে ইউটিউব এবং ফেসবুকের জন্য কন্টেন্ট তৈরি করেন, তবে আপনার বানানো ভিডিওগুলো এডিট করার জন্যে আপনার কাছে কোনো দামি দামি ভিডিও এডিটিং সফটওয়্যার ব্যবহার করার প্রয়োজন হবেনা। গুগল প্লে স্টোর থেকে আপনি এমন অনেক ভালো ভালো মোবাইলে ভিডিও এডিটিং সফটওয়্যার দেখতে পারবেন যেগুলো ব্যবহার করে আপনি আপনার ইউটিউব এবং ফেসবুকের জন্য ভিডিওগুলোকে প্রফেশনাল মানের ও আরো আকর্ষিত বানিয়ে নিতে পারবেন।

ভিডিওতে লেখা যুক্ত করা, ভিডিওর ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক যুক্ত করা, থাম্বনীল যুক্ত করা, টাইটেল যুক্ত করা, বিভিন্ন ভিডিও ইফেক্টের ব্যবহার করা, ভিডিওর বিভিন্ন অংশ কাট করা এবং আলাদা আলাদা ভিডিও একসঙ্গে যুক্ত করা। এই সকল বিষয়গুলো আপনি আজকের এই আর্টিকেলে আলোচনা মোবাইল ভিডিও এডিটিং সফটওয়্যার গুলো ব্যবহার করে করতে পারবেন। স্মার্টফোনের এই ছোট ছোট ভিডিও এডিটিং সফটওয়্যার গুলো আপনার জন্য অনেক কাজে আসবে বলে আমি মনে করি, যদি আপনি একজন ইউটিউবার হোন এবং একটি মোবাইল দিয়ে ভিডিও এডিটিং এর সকল কাজ করতে চান।

মোবাইলে ভিডিও এডিটিং সফটওয়্যার

আজকের এই আর্টিকেলে আলোচনা করা অ্যাপ গুলো আপনি গুগল প্লে স্টোর থেকে সহজেই ডাউনলোড করতে পারবেন। হ্যাঁ অবশ্যই, আপনি এই অ্যাপ গুলো সম্পূর্ণ বিনামূল্য ব্যবহার করতে পারবেন। কিন্ত হ্যাঁ এমন কয়েকটি মোবাইল ভিডিও এডিটং অ্যাপ রয়েছে যেগুলোর সম্পূর্ণ ফিচার ব্যবহার করার জন্য আপনাকে কিছু পরিমাণে টাকা প্রদান করতে হবে। কিন্ত, আপনাকে সেই টাকা অনেক কম পরিমাণে খরচ করতে হবে। যদি আপনি নিজের ইউটিউব চ্যানেল এবং ফেসবুক পেজ নিয়ে সিরিয়াস হোন তাহলে এতটুকু ব্যয় তো আপনি করতেই পারবেন।

১। কাইন মাস্টার – KineMaster | মোবাইলে ভিডিও এডিটিং সফটওয়্যার

মোবাইলে ভিডিও এডিটিং অ্যাপ এর মধ্যে KineMaster হচ্ছে অতান্ত শক্তিশালী অ্যাপ। আপনি যেহেতু একজন স্মার্টফোন ইউজার সুতরাং আমি নিশ্চিত ভাবে বলতে পারি যে, আপনি কোনো না কোনো সময় kine master video editing software এর নাম শুনেছেন। এই মোবাইলে ভিডিও এডিটিং অ্যাপটি অত্যন্ত জনপ্রিয়। একটি প্রফেশনাল মানের ভিডিও এডিট করার জন্য যে ফিচার কিংবা টুলস এর প্রয়োজন হয় তার সকল কিছু Kine Master অ্যাপের মধ্যে রয়েছে। আমার কাছে এই অ্যাপটির একটি বিষয় ভালো লাগছে সেটা হচ্ছে এটি অত্যন্ত ইউজার ফ্রেন্ডলি, আপনি ড্র্যাগ অ্যান্ড ড্রপ করে খুবই সহজে যেকোনো ধরনের মিডিয়া টাইপ ইম্পোর্ট করতে পারবেন। চলুন জেনে নেই কাইন মাস্টার অ্যাপের স্পেসিফিকেশন গুলো সম্পর্কে।

KineMaster অ্যাপের স্পেসিফিকেশন – ভিডিওর স্পীড দ্রুত এবং ধীরে করা, ভিডিও এডিট করা অবস্থাতে ভিডিও প্লে করার সুবিধে, ভিডিওর মাঝে বিভিন্ন ইফেক্ট অ্যাড করা, একাধিক ভিডিওর লেয়ার যুক্ত করা, ফ্রেম বাই ফ্রেম ভিডিও ট্রিমিং করে নেয়া, ভিডিওর মধ্যে বিভিন্ন স্টিকার যুক্ত করার সুবিধে, ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক যুক্ত করা, বিভিন্ন অ্যানিমেশন দেয়ার সুবিধে, অডিও ফিল্টার যুক্ত করা, এডিট করা ভিডিও সরাসরি সোশ্যাল মিডিয়া সাইটগুলোতে শেয়ার করার সুবিধে। উপরোক্ত বিষয়গুলো ছাড়াও আরো অনেক ফিচারস আছে, যেগুলাে আপনি কাইন মাস্টার (KineMaster) অ্যাপ ব্যবহার করে নিতে পারবেন।

আরও পড়ুনঃ সেরা ১০ টি ওয়েব ব্রাউজার | ২০২১ সালের সেরা ১০টি ওয়েব ব্রাউজার

২। FilmoraGo – Free Video Editor | মোবাইলে ভিডিও এডিটিং সফটওয়্যার

FilmoraGo হচ্ছে একটি পাওয়ার ফুল ভিডিও এডিটিং অ্যাপ। এই সেরা ভিডিও এডিটিং অ্যাপটি অনেক প্রফেশনাল ইউটিউবাররা ব্যবহার করছেন বর্তমানে। এই ভিডিও এডিটিং অ্যাপের অনেক ফিচারস রয়েছে। অ্যাপটির সাহায্য আপনি বিগিনার লেভেল থেকে অ্যাডভান্স ফাংশন যেমনঃ ভিডিওতে মিউজিক এবং বিভিন্ন ইফেক্ট যুক্ত করতে পারবেন, ভিডিওর টাইটেল যুক্ত করতে পারবেন, ভিডিওর জন্য থিম সিলেক্ট করতে পারবেন, ভিডিও বিভিন্ন অংশ কাট করা এবং ট্রিমিং এর মতো সকল ধরনের এডিটিং অপশন এই ভিডিও এডিটিং সফটওয়্যারের মাধ্যমে পাবেন। 

সুতরাং অ্যাপটিতে থাকা ভিডিও কাটিং, ভিডিও ট্রিমিং, থিম, মিউজিক ইত্যাদি সকল প্রকার প্রাথমিক ফাংশন ব্যাবহার করে আপনারা খুবই সহজেই ভিডিও এডিট করা করতে পারবেন। FilmoraGo ভিডিও এডিটিং অ্যাপটি আপনি সম্পূর্ণ বিনামূল্য ব্যবহার করতে পারবেন। এছাড়াও এটির প্রিমিয়াম ভার্সন ও রয়েছে। FilmoraGo ভিডিও এডিটিং অ্যাপের আরেকটি সুবিধে হচ্ছে এর সাহায্য ভিডিও বানিয়ে আপনি অনেক সহজেই নিজের স্মার্টফোনের গ্যালারিতে ভিডিও সংরক্ষণ বা সেভ করতে পারবেন।

FilmoraGo অ্যাপের স্পেসিফিকেশন – ভিডিও এডিট করা অবস্থায় ভিডিও প্লে করতে পারবেন অর্থাৎ রিয়েল টাইম প্রিভিউ সাপোর্টেড। অনেক বড় সংখ্যার টেমপ্লেটস এবং ভিডিও ইফেক্ট পাবেন। অনেক প্রকার প্রফেশনাল ভিডিও এডিটং টুলস পাবেন যেগুলো বেশিরভাগ বিনামূল্য ব্যবহার করতে পারবেন। FilmoraGo ভিডিও এডিটিং অ্যাপ বর্তমান সময়ে অনেক বেশি জনপ্রিয় এবং অনেক প্রচলিত আর বেশিরভাগ ভিডিও এডিটির এবং ইউটিউবরা এই FilmoraGo ভিডিও এডিটং অ্যাপ ব্যবহার করেন। তাদের মোবাইলের মাধ্যমে ভিডিও এডিট করার জন্যে। আপনি ভিডিও এডিট করার পর গ্যালারিতে সংরক্ষণ বা সেভ করতে পারবেন অথবা এডিট করা ভিডিও সরাসরি সোশ্যাল মিডিয়া সাইটগুলোতে শেয়ার করতে পারবেন। বর্তমান সময়ে FilmoraGo অ্যাপকে এন্ড্রয়েড মোবাইলের সেরা ভিডিও এডিটিং বলা যেতে পারে।

৩। পাওয়ার ডিরেক্টর  Power Director | মোবাইলে ভিডিও এডিটিং সফটওয়্যার

PowerDirector হচ্ছে একটি ফুল ফিচার্ড এন্ড্রয়েড ভিডিও এডিটিং অ্যাপ। যার সহজ ব্যবহারযোগ্য একটি ইউজার ইন্টারফেস আছে। পাওয়ার ডিরেক্টর একটি অসাধারণ বৈশিষ্ট সূম্পর্ণ এন্ড্রয়েড ভিডিও এডিটর। এই অ্যাপের টাইমলাইনে ভিডিও এডিট করার ইন্টারফেস খুবই সহজ, কিন্তু অ্যাপে সম্পূর্ণ ফিচার ব্যবহার করে কাজ করতে আপনাকে হয়তো নতুন অবস্থায় কিছু সময় বেশি লাগতে পারে। তবে আপনি যখন একজন এক্সপার্ট হয়ে যাবেন এই অ্যাপে, তখন কয়েক মিনিটের মধ্যে প্রফেশনাল মানের ভিডিও এডিট করতে সক্ষম হবেন। 

পাওয়ার ডিরেক্টর আপনার তৈরি করা অতি সাধারণ ভিডিও টিকেও আকর্ষণীয় এবং প্রফেশনাল করতে সক্ষম হবে। এই পাওয়ার ডিরেক্টর অর্থাৎ মোবাইল ভিডিও এডিটিং সফটওয়্যারে আপনি অনেকগুলো বিভিন্ন উন্নত মানের এডিটিং করার অপশন পাবেন, যেগুলো আপনি অন্য কোনো অ্যাপের মাঝে পাবেন না। চলুন এই অ্যাপের স্পেসিফিকেশন গুলো সম্পর্কে জেনে নেইঃ

এই অ্যাপ ব্যবহার করে আপনি আপনার ভিডিও মধ্যে ৩০ টি আলাদা আলাদা ইফেক্ট দিতে পারবেন, ভিডিওর ব্যাকগ্রাউন্ড পরিবর্তন করতে পারবেন, ভিডিও কাট করা এবং আটকানো, বিভিন্ন প্রফেশনাল ভিডিও এডিটিং টুলস, স্লো মোশন ভিডিও এডিটিং ক্যাপাবিলিটি, 4K রেজুলেশনে ভিডিও এক্সপোর্ট সাপোর্টেড, দ্রুত ভিডিও এডিটিং সুবিধা, বিভিন্ন ছবি ব্যবহার করে ভিডিও তৈরি করা ছাড়াও আরো অনেক ফিচারস আপনারা এই মোবাইলে ভিডিও এডিটিং সফটওয়্যারের মাঝে পেয়ে যাবেন। 

ভিডিওটি এডিটিং করার পরে, আপনি ফাইলটি আপনার মোবাইলে 720p, ফুল এইচডি 1080p এবং 4K ফর্ম্যাটে সেভ করতে পারবেন। এই অ্যাপের বেশিরভাগ ফিচারস সম্পূর্ণ বিনামূল্যে। কিন্ত সমস্যা হচ্ছে এই অ্যাপ দিয়ে ফ্রি ফিচারসে কাজ করলে ভিডিওটি যদি আপনি 1080p এবং 4K তে সেভ করতে চান তবে সেখানে Watermark থাকবে। এখানে 1080p এবং 4k video তে ভিডিও এক্সট্র্যাক্ট করা যায়। তবে watermark এবং 1080p 4k এক্সট্র্যাক্ট করতে হলে প্রিমিয়াম ফিচারস ব্যবহার করতে হবে। আপনি মোবাইলে পাওয়ার ডিরেক্টরকে সেরা ভিডিও এডিটিং অ্যাপ হিসেবে ধরে নিতে পারেন।

আরও পড়ুনঃ ফটো এডিটিং অ্যাপ | মোবাইল দিয়ে ছবি এডিট করার সেরা অ্যাপস

৪। VideoShow – মোবাইলে ভিডিও এডিটিং সফটওয়্যার

Video Show অনেক গুলো অ্যাওয়ার্ড অর্জন করছে তাদের অ্যাপের সুন্দর সার্ভিস প্রদানের জন্য। এতে কোনো সন্দেহ নেই যে, গুগল প্লে স্টোরে পাওয়া বিনামূল্য ভিডিও এডিট অ্যাপগুলো মাঝে Video Show হচ্ছে সেরা মোবাইলে ভিডিও এডিটিং অ্যাপ। VideoShow অ্যাপটির ব্যবহার করা খুবই সহজ এবং এই অ্যাপের ইন্টারফেস ও ইউজার ফ্রেন্ডলি।

এছাড়া এই ভিডিও এডিটিং অ্যাপে কিছু ফাংশন রয়েছে যেমনঃ টেক্সট, ইফেক্টস, মিউজিক, সাউন্ড ইফেক্ট বা লাইভ ডাবিং ব্যবহার করে আপনার ভিডিওকে আরও বেশি সুন্দর করে তুলতে পারবেন। এই অ্যাপটির মাঝে ৫০ ধরনের বিভিন্ন থিম আপনারা পেয়ে যাবেন যার সাহায্যে ভিডিওর কোয়ালিটি বৃদ্ধি করতে পারবেন। এছাড়াও আপনি ভিডিওকে কম্প্রেসিং করে তার ভিডিও সাইজ ছোট করা, ব্ল্যার করা, ব্যাকগ্রাউন্ড, অডিও স্পীড এডজাস্ট, মাল্টিপল ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক অ্যাড এই সকল বিভিন্ন স্পেশাল ফিচারস মজুত রয়েছে।

৫। অ্যাডোব প্রিমিয়ার ক্লিপ - মোবাইলে ভিডিও এডিটিং সফটওয়্যার

অ্যাডোব প্রিমিয়ার ক্লিপ মোবাইল দিয়ে ভিডিও এডিটিং করার জন্য আপনাকে খুবই ভালো এবং দ্রুত পরিষেবা প্রদান করবে। এই অ্যাপটি অনেক দ্রুততার সাথে কাজ করে এবং আপনি এটি ব্যবহার করে ভিডিও এডিট করতে নিশ্চয় পছন্দ করবেন। অ্যাডোব প্রিমিয়ার ক্লিপ ভিডিও এডিটিং অ্যাপটি সম্পূর্ণ ফ্রিতে ব্যবহার করতে পারবেন এবং এটি ব্যবহার করে আপনি ভালোমানের বা প্রফেশনাল মানের ভিডিও তৈরি করতে পারবেন। 

এই অ্যাপের সাহায্য আপনারা উন্নতমানের ভিডিও এডিটিং টুলস ব্যবহার করে ম্যানুয়ালি আপনার নিজের ভিডিও তৈরি করতে পারেন। ভিডিও কাটিং, ট্রিমিং, মিউজিক অ্যাড, বিভিন্ন ফিল্টার, ইফেক্ট দিতে পারবেন, স্লো মোশন ভিডিও বানাতে পারবেন। এছাড়াও আপনি বিভিন্ন ধরণের অপশন এই অ্যাপে পাবেন। এই মোবাইলে ভিডিও এডিটিং অ্যাপটি সম্পূর্ণ ফ্রিতে এবং আপনি গুগল প্লে স্টোর থেকে ডাউনলোড করতে পারবেন।

আরও পড়ুনঃ বাংলা ফন্ট ডাউনলোড করার ওয়েবসাইট

৬। Vivavideo - মোবাইলে ভিডিও এডিটিং সফটওয়্যার

viva video অ্যাপের মধ্যে অনেক গুলো ইম্প্রেসিভ ভিডিও এডিটিং ফিচার যুক্ত রয়েছে। এই অ্যাপটির সুন্দর ডিজাইন করা হয়েছে স্পেশালি এন্ড্রয়েড মোবাইল দিয়ে প্রফেশনাল মানের ভিডিও এডিট করার জন্য। আপনি সহজেই এই অ্যাপটি ব্যবহার করতে পারবেন। ভিডিওতে বিভিন্ন ইফেক্ট, স্টিকার এবং ফিল্টার ব্যবহার করে ভিডিওটিকে আরো বেশি প্রফেশনাল করে তুলতে পারবেন। এছাড়া অ্যাপটি দিয়ে স্লো মোশন এবং স্লাইডশো ভিডিও তৈরী করা যায়। viva video অ্যাপের সাধারণ টুলস যেমনঃ ভিডিও কাটিং, ট্রিমিং, মার্জিং খুব সহজ ভাবে করা যায়। এই অ্যাপটির ২০০ মিলিয়নের বেশি ইউজার পৃথিবী জুড়ে ব্যবহার করছেন। সেজন্য এটি আরো একটা সেরা এন্ড্রয়েড ভিডিও এডিটিং সফটওয়্যার।

৭। Magisto – মোবাইলে ভিডিও এডিটিং সফটওয়্যার

Magisto হচ্ছে একটি অ্যাওয়ার্ড ওয়িনিং ভিডিও এডিটিং অ্যাপ। যার কারণে বুঝতেই পারছেন এই ভিডিও এডিট করার অ্যাপটির মধ্যে অবশ্যই সেরা কিছু থাকবে। এই অ্যাপটি ব্যবহার করে খুবই সহজেই ছবি পিকচার কিংবা ভিডিও ক্লিপ অ্যাড করে ভিডিও এডিট করে নেয়া যায়। একই সঙ্গে আপনি বিভিন্ন ছবি বা ভিডিও ক্লিপ অ্যাড করে দিলে নিজে থেকে Magisto অ্যাপটি আপনার জন্য ভিডিও এডিট করে দিতে পারে আর্টিফিসিয়্যাল ইন্টিলিজেন্সের মাধ্যমে। আরো সহজ কথায় বলতে গেলে Magisto অ্যাপে রয়েছে Automatic Video Creation করার মতো ফিচারস বা সুবিধা। চলুন জেনে নেই এই অ্যাপের স্পেসিফিকেশন গুলো সম্বন্ধেঃ

বিভিন্ন ফিল্টার যুক্ত করা, ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক যুক্ত করা, বিভিন্ন টেক্সট ইফেক্ট যুক্ত করা, ফ্রেম বাই ফ্রেম ভিডিও ট্রিমিং করা, স্বয়ংক্রিয় ভাবে ভিডিও তৈরি করা, সোশ্যাল মিডিয়া সাইটগুলোতে এডিট করা ভিডিও সরাসরি শেয়ার করা এবং আরো কিছু স্পেশাল ফিচার রয়েছে Magisto এই ভিডিও এডিটিং সফটওয়্যারটিতে।

৮। Funimate Video Editor - মোবাইলে ভিডিও এডিটিং সফটওয়্যার

Funimate এই অ্যাপটির বিশেষ যে সুবিধে আছে তা হচ্ছে, এই অ্যাপ ব্যবহার করে অনেক প্রকার মজাদার ভিডিও তৈরি করে নেয়া যেতে পারে। একই সঙ্গে অনেক ভাবে সুন্দর করে গুছিয়ে ভিডিও এডিট করে নেয়া যায়। এই Funimate অ্যাপটিতে রয়েছে প্রায় অনেক ইফেক্ট, ফিল্টার সহ আরো অনেক কিছু। যা একটি প্রফেশনাল ভাবে ভিডিও তৈরিতে আপনাকে প্রচুর কাজে দিবে। একই সাথে এই অ্যাপ দিয়ে এডিট করা ভিডিও সরাসরি আপনি নিজের সোশ্যাল মিডিয়া সাইটে শেয়ার করে নেওয়ার মত সুবিধে পেতে পারবেন।

এই ভিডিও এডিটিং অ্যাপে স্পেসিফিকেশন সম্বন্ধে জেনে নেইঃ ভিডিওতে বিভিন্ন ইফেক্ট যুক্ত করতে পারবেন, মজাদার ভিডিও তৈরি করতে পারবেন, কাস্টম অ্যানিমেশন যুক্ত করতে পারবেন, ফ্রেম বাই ফ্রেম ভিডিও ট্রিমিং, ভিডিও টেক্সট যুক্ত করা, ভিডিওতে বিভিন্ন ফিল্টার যুক্ত করা। তবে হ্যাঁ অবশ্যই মনে রাখবেন এই অ্যাপটি ব্যবহার করে ভিডিও এডিট করার জন্য আপনাকে অ্যাপে রেজিস্ট্রেশন করে নিতে হবে। আপনি চাইলে এই অ্যাপের মধ্যে শর্ট ভিডিও তৈরি করে সেটা আপলোড করতে পারবেন এবং নিজের জন্য ফলোয়ার বানিয়ে নিতে পারবেন।

আরও পড়ুনঃ ব্যাটারি ও ডাটা সাশ্রয়ী লাইট অ্যাপ

অন্যদের সাথে শেয়ার করুন

0 Comments

দয়া করে নীতিমালা মেনে মন্তব্য করুন ??

নটিফিকেশন ও নোটিশ এরিয়া