Technical Care BD https://www.technicalcarebd.com/2021/07/how-to-write-seo-friendly-article.html

ব্লগে পোস্ট করার নিয়ম | ব্লগ সাইটে SEO friendly পোস্ট করার নিয়ম

ব্লগে পোস্ট করার সঠিক নিয়ম — ব্লগাররা ওয়েব মাস্টারে তাদের ওয়েবসাইটে ভিজিটর বাড়ানোর জন্য একেক জন একেক ধরনের পন্থা অনুসরণ করে সাইটের সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন (এসইও) করে থাকে। ওয়েবসাইটে মূলত ২টি উপায়ে সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন করা হয়।

  • (হোয়াইট হ্যাট এসইও) White Hat Seo.
  • (ব্ল্যাক হ্যাট এসইও) Black HaT seo.
ব্লগে পোস্ট করার নিয়ম

মূলত সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন (SEO) এমন একটি বিশাল ধরনের ব্যাপার, যে একটি আর্টিকেলে লিখে শেষ করা যাবেনা। অভিজ্ঞ ব্লগার ওয়েব মাস্টাররা তাদের ওয়েবসাইটে ভিজিটর বাড়ানোর জন্যে তাদের নিজস্ব পন্থাও অনুসরণ করতে দেখা যায়। এই আর্টিকেলে আলোচনা করবে ওয়েবসাইট SEO/সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন (এসইও) করার সহজতম এবং কার্যকরী ৫টি বিষয় নিয়ে। আঁশা করি আপনি এই আর্টিকেলটি পরে অনেক উপকৃত হবেন।

সঠিক কিওয়ার্ড নির্বাচন

খুব সুন্দরভাবে আপনি একটি আর্টিকেল পাবলিশ করলেই হবেনা। ভালো ভিজিটর পাওয়ার জন্য আর্টিকেলটিকে সঠিক ভাবে এসইও (সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশন) করতে হলে পূর্বশর্ত হচ্ছে আপনি যে জিনিসটা লিখছেন, সেটার সঠিক কিওয়ার্ড সিলেক্ট করে, কিওয়ার্ড অনুযায়ী কন্টেন্ট লিখা। এখন প্রশ্ন হচ্ছে আপমি কিভাবে সঠিক কিওয়ার্ড সিলেক্ট রবেন? হ্যাঁ, সহজ ভাষায় বলতে হয়, আমরা কোনো বিষয়ে জানার জন্য গুগলে যা কিছু লিখে সার্চ করে থাকে মূলত সেটাই হচ্ছে কিওয়ার্ড। 

এখন পাঠকগণ আপনার লেখা সার্চ ইন্জিন থেকে খুঁজে বের করার জন্য যেসকল ওয়ার্ড ব্যবহার করতে পারে, সেগুলোকে মূলত আপনার আর্টিকেলে কিওয়ার্ড বলে। ধরুন আপনি ফলের জুস নিয়ে একটি কন্টেন্ট লিখবেন। পাঠকরা আপনার পোস্টটি গুগল থেকে খুঁজে বের করার জন্যে যে সকল ওয়ার্ড ব্যবহার করতে পারে, সেগুলো হচ্ছে “ফলের জুস, জুস তৈরি, কোন ফলে জুস ভালে ইত্যাদি” আর বর্তমান সময়ে অনেক ওয়েবসাইট রয়েছে যেগুলো আপনাকে সঠিক কিওয়ার্ড সিলেক্ট করতে সাহায্য করবে।

আরও পড়ুনঃ ব্লগারে ভিজিটর বাড়ানোর উপায়

শিরোনামে কিওয়ার্ডের ব্যাবহার

ধরুন, আমরা সঠিক কিওয়ার্ড রিসার্চ খুঁজে পেয়ে গেছি। এখন আমরা সেই কিওয়ার্ডটি আর্টিকেলের টাইটেলে যুক্ত করবো। অবশ্যই মনে রাখবেন সার্চ ইন্জিন র‍্যাংকে এগিয়ে থাকতে হলে এই ধাপটি অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। কারণটা আপনি নিজেই উপলব্দি করতে পারবেন। দেখুন, আপনি যখন কোনো কিছু লিখে গুগল অথবা অনন্যা সার্চ ইঞ্জিনে সার্চ দিয়ে থাকেন, তখন যে রেজাল্ট আপনি পেয়ে থাকেন তাতে লক্ষ্য করবেন, তার টাইটেলে সেই কিওয়ার্ডটি খুঁজে পাবেন। তাহলে বুঝতেই পারলেন, এসইও/সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন র‍্যাংক ভালো করতে হলে টাইটেল কিওয়ার্ডের ব্যবহার করা কতবেশি গুরুত্বপূর্ণ। 

উপশিরোনামে কিওয়ার্ডের ব্যাবহার

ব্লগস্পটে কোনো আর্টিকেল লেখার জন্য শিরোনাম, উপশিরোনামগুলোকে সঠিক মতো সাজিয়ে লেখার প্রয়োজন হয় এবং সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন র‍্যাংক বাড়ানোর জন্য কিওয়ার্ডেরটির উপশিরোনামে ব্যবহার করতে হবে। এতে করে আপনার লাভ হবে দুইটি। আপনার লেখাটি দেখতে অনেক বেশি সুন্দর অর্থাৎ জোশ লাগবে এবং কিওয়ার্ডের প্রয়োগ অনেক বেশি হাইলাইট হবে, একই সঙ্গে সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন র‍্যাংক বৃদ্ধি পাবে। এই ধাপটি যদি না করেন তবে আপনার পোস্টটি সহজে র‍্যাংকে উঠতে পারবে না কিন্তু। সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন অর্থাৎ এসইও করার জন্য প্রত্যেকটি ধাপই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

পোস্টে কিওয়ার্ডের ব্যাবহার

সার্চ ইন্জিনের তালিকাতে প্রথমে আশার জন্যে পোস্টের মাঝে কিওয়ার্ডের ব্যবহার করা কতটা যে গুরুত্বপূর্ণ সেটা আঁশা করি আপনি নিজেই জেনে রাখবেন। এই বিসয়ে আমাকে নতুন করে আর কিছু বলার প্রয়োজন হবে না বলে আমি আশা করি। তবুও ছোটো করে বলি শক্তিশালী এসইও/সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন করা পোস্ট লিখতে হলে আপনাকে পোস্টের মাঝে কিওয়ার্ডয়ের ঘনত্ব বৃদ্ধি করতে হবে। কারণ যতবেশি পোস্টের মাঝে কিওয়ার্ডের ব্যবহার হয়ে থাকবে, ততবেশি ভালো সার্চ রেজাল্ট পাবেন। একটি পোস্ট ভালো মানের এসইও/সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন মেনে চলা পোস্টের ১.৫% থেকে ৪.৫% জায়গায় কিওয়ার্ডের উপস্থিতি থাকে।

আরও পড়ুনঃ কিভাবে সহজে দ্রুত ওয়েবসাইটে অ্যাডসেন্স অ্যাপ্রভাল পাবেন

৬০০ শব্দের অধিক বড় পোস্ট লিখা

যদি আপনি এখন ছোটো কোনো পোস্ট লিখেন, তবে সেই পোস্টের মাঝে কিওয়ার্ডের ঘনত্ব বেশি হলেও, আর বড় পোস্টের তুলনায় আপনার লেখা পোস্টটি পিছিয়ে যাবে। এসইও/সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশনে আপনার পোস্টটিকে এগিয়ে রাখতে হলে আপনাকে অবশ্যই বড় আকারের এবং অনেক কিওয়ার্ড যুক্ত পোস্ট লিখতে হবে। তবেই ওয়েবসাইটে অনেক বেশি ভিজিটর পাওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। আর এই জন্য পোস্টের আদর্শ ওয়ার্ড সংখ্যা হচ্ছে ৬০০ শব্দের অধিক বড় আর্টিকেল। 

লক্ষ্য রাখবেন পোস্টটি যেন ছোট না হয়ে যায়। সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন অর্থাৎ এসইও ব্যাপারটা অনেক বেশি ক্রিয়েটিভ একটা ব্যাপার। আপনার চিন্তাধারা যদি আমার থেকে আরো বেশি উন্নত হয়ে থাকে, তবে আপনি অবশ্যই এসইও অথবা সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশনে আমার থেকে অনেক বেশি এগিয়ে যাবেন।

অন্যদের সাথে শেয়ার করুন

0 Comments

দয়া করে নীতিমালা মেনে মন্তব্য করুন ??

নটিফিকেশন ও নোটিশ এরিয়া