Technical Care BD https://www.technicalcarebd.com/2021/06/Top-10-Reasons-for-Computer-Freezing.html

কম্পিউটার হ্যাং হওয়ার কারন | কম্পিউটার স্লো হওয়ার কারন

কম্পিউটার হ্যাং হওয়ার কারণ — আমরা বিভিন্ন প্রয়োজনে বিভিন্ন কাজের জন্য ল্যাপটপ অথবা কম্পিউটার ব্যবহার করে থাকি। যেমন- কেউ প্রোগ্রামিং, গ্রাফিক্স ডিজাইন, ওয়েব ডিজাইন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট, CPA মার্কেটিং, ডিজিটাল মার্কেটিং আবার কেউ কেউ আছেন যারা ফ্রিলান্সিং এর কাজ করে থাকেন। কিন্ত এসকল কাজ করার সময়ে যদি কম্পিউটার হ্যাং বা স্লো হয়ে যায় তাহলে অনেকের কাছে খুবই বিরক্তিকর লাগে। কম্পিউটার ব্যবহার করার সময়ে যদি কম্পিউটার হ্যাং অথবা স্লো হয়ে যায় তবে কম্পিউটার চালানোর মজাটাই নষ্ট হয়ে যায়। আজকের এই আর্টিকেলে কথা বলবো কম্পিউটার হ্যাং হওয়ার মূল ১০টি কারণ। তো চলুন জেনে নেই কম্পিউটার হ্যাং হওয়ার কারণগুলো—

কম্পিউটার হ্যাং হওয়ার কারন

কম্পিউটারের প্রসেসর

যদি কম্পিউটারের প্রসেসর নরমাল বা প্রসেসর এর মান যদি কম হয়ে থাকে এবং যদি আপনার কাজের মান বেশি হয়ে থাকে তবে সেক্ষেত্রে কম্পিউটার হ্যাং হতে পারে। তাই কম্পিউটারকে হ্যাং অথবা স্লো কাজ করা থেকে বিরত রাখতে কম্পিউটার কেনার সময় অবশ্যই কম্পিউটারের মানের দিকে বিবেচনা করে কম্পিউটার ক্রয় করতে হবে।

র‍্যাম

কম্পিউটারের খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় হচ্ছে র‍্যাম RAM। ধরুন- আপনার কম্পিউটারের র‍্যাম ১ জিবি আর আপনি সেই কম্পিউটারে ফটোশপ, ইলাস্ট্রাটর এবং অন্যান্য সফটওয়্যার ব্যবহার করতে করতে চাইলে কম্পিউটার স্লো বা হ্যাং হতে পারে।

হার্ডডিস্ক এবং প্রসেসরের কানেকশন

প্রসেসর এবং হার্ডডিস্কের কানেকশন যদি সঠিকভাবে না থাকে তবে কম্পিউটার মাঝে মধ্যে হ্যাং হবে।

কুলিং ফ্যান

কম্পিউটার এর কুলিং ফ্যান যদি কোনো কারণে নষ্ট হয়ে যায় বা কুলিং ফ্যান না ঘোরে অথবা ধীরে ধীরে ফ্যান ঘুরতে থাকে যার ফলে প্রসেসর গরম হতে থাকে ফলশ্রুতিতে কম্পিউটার হ্যাং হয়।

আরও পড়ুনঃ লিনাক্স এর সুবিধা ও অসুবিধা | লিনাক্স ও উইন্ডোজ এর পার্থক্য

হার্ডডিস্ক

কম্পিউটারের হার্ডডিস্ক যদি মাদারবোর্ডের সঙ্গে কানেকশন না পায় অথবা কোনো কারণে হার্ডডিস্ক নষ্ট হয়ে যায় তবে কম্পিউটার হ্যাং হতে পারে। তাই হার্ডডিস্ক প্রতিদিন অথবা মাঝে মধ্যে হার্ডডিস্ক ড্রাইভ চেক করা সকলের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

অপারেটিং সিস্টেম

আপনি কম্পিউটারে যেই অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করেন সেটি যেকোনো উইন্ডোজ হতে পারে। এই উইন্ডোজের যে সফটওয়্যারগুলো রয়েছে বা অ্যাপ আছে এগুলোর মধ্যে কোনো একটা যদি ডিলিট হয়ে যায় অথবা ড্যামেজ হয়ে যায় তাহলে কম্পিউটার হ্যাং হতে পারে। কেননা প্রয়োজনীয় সফটওয়্যারগুলো যখন অপারেটিং সিস্টেম খুঁজে পাবেনা তখন সেটি বার বার চেষ্টা করবে অপারেটিং সিস্টেম পাওয়ার জন্যে। যার কারণে কম্পিউটার হ্যাং হতে পারে।

কম্পিউটার ভাইরাস

কম্পিউটারের মধ্যে ভাইরাস প্রবেশ করার কারণে কম্পিউটার হ্যাং হতে পারে। বিভিন্ন রকম ভাইরাস রয়েছে যে ভাইরাসগুলো খুব শক্তিশালী হয়ে থাকে। আর এই ভাইরাসগুলো যদি কোনো ভাবে কম্পিউটারের মধ্যে প্রবেশ করতে পারে তবে বিভিন্ন সফটওয়্যার এবং অপারেটিং সিস্টেমের উপরে বেশ প্রেশার ফেলে যার কারণে কম্পিউটার হ্যাং হতে পারে।

গেমিং

আমাদের মধ্যে অনেকেই আছি যারা গেমিং করতে বেশ পছন্দ করি। তোহ এখন কথা হচ্ছে অল্প পাওয়ারফুল কম্পিউটারের মধ্যে যদি আমরা বড় বড ধরনের গেমিং করতে চাই তাহলে কম্পিউটার হ্যাং হতে পারে। গেমিং করার জন্য আমাদের অবশ্যই একটি গেমিং কম্পিউটার দরকার। অথবা গেমিং করার জন্য শক্তিশালী কম্পিউটার ব্যবহার করার প্রয়োজন হবে।

কম্পিউটার ফাইল স্টোরিং সিস্টেম

যদি আপনি আপনার কম্পিউটারের মধ্যে থাকা ফাইলগুলোকে এলোমেলো আকারে রেখে দেন তবে আপনার কম্পিউটার হ্যাং হতে পারে। অথবা মনে করেন কম্পিউটারের হার্ডডিস্ক যদি ৫০০ জিবি হয়ে থাকে এখন আপনি ৪৮০ জিবি ফাইল ভর্তি করে রেখে দিয়েছেন এতে আপনার কম্পিউটারের মাদারবোর্ড, হার্ডডিস্ক এবং র‍্যামের উপর প্রেসার পড়তে থাকে যার ফলে কম্পিউটার হ্যাং করতে পারে।

কম্পিউটারের পরিস্কার রাখুন

আপনি অনেক দিন ধরে কম্পিউটার ইউজ করছেন কিন্তু কম্পিউটারকে ভালোভাবে যত্ন বা পরিস্কার করছেন না। এখন যদি আপনার কম্পিউটারে মাদারবোর্ড, কুলিং ফ্যান, র‍্যাম এগুলো যদি ময়লাযুক্ত হয়ে থাকে তবে কম্পিউটার হ্যাং হতে পারে।

আরও পড়ুনঃ অপারেটিং সিস্টেম কত প্রকার ও কি কি

অন্যদের সাথে শেয়ার করুন

0 Comments

দয়া করে নীতিমালা মেনে মন্তব্য করুন ??

নটিফিকেশন ও নোটিশ এরিয়া