Technical Care BD https://www.technicalcarebd.com/2019/12/blog-post.html

অ্যাপ্লিকেশন সার্ভারে ভার্চুয়াল ওয়েব ফোল্ডার তৈরি সম্পর্কে ধারনা

এখন আমরা শিখাব কিভাবে একটি পিএইচপি সমর্থিত ওয়েব হোস্ট ব্যবহার করা যায়। ওয়েব হোস্ট ব্যবহার এর পূর্বে আমাদের ডোমেইন এবং হোস্টিং সম্পর্কে ধারনা থাকতে হবে।

ডোমেইন নেম(Domain Name) 

নিজের প্রতিষ্ঠান বা ইউনিভার্সিটি তে যদি কাউ আসতে চায় তবে তাকে এর ঠিকানা জানতে হবে। ওয়েবসাইট এর ক্ষেত্রে এই ঠিকানাটা হচ্ছে তার নাম ,যাকে বলা হয় ডোমেইন নেম। এই ডোমেইন নেমই নিজের ওয়েব সাইট কে চিনহিত করবে। 

বিশ্বের সবায় নিজের ওয়েবসাইট কে চিনবে এবং অ্যাক্সেস করবে এ নাম ব্যবহার করে। এটি একটি নাম যা দারা এক বা একাধিক ওয়েবসাইট কে ইন্টারনেট থেকে চিনা যায়। ইন্টারনেট এ কোন ওয়েবসাইট কে চিনবার জন্য বা দেখার জন্য যে ঠিকানা ব্যবহার করা হয় ,তাকেও ডোমেইন নেম বলা হয়। 

ডোমেইন নেম সিস্টেম (DNS)

কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক সফটওয়্যারে কিন্ত কোন ডোমেইন নেমকে বুজে না। সে বুজে নেটওয়ার্ক বা আইপি অ্যাড্রেস। তাই প্রতেক ডোমেইন নেম এর সাথে আইপি অ্যাড্রেস আসাইন করা যায়। 

ডোমেইন নেমকে কতোগুলো লেভেল এ ভাগ করা থাকে। প্রায় ২৪০ টি উপ -লেভেল ডোমেইন আছে,বাকি সবই থাকে এদের অধিন এ ট্রী স্ট্রাকচারে। ওয়েবসাইট এর বিসয়বস্তুর উপর ভিত্তি করে প্রায় ১৯ টি উপ- লেভেল ডোমেইন আছে। এর মধ্যে সাধারন সব Website এর জন্য .Com বাবসায়িক ওয়েব সাইট এর জন্য biz. খবর ও অন্যান্য ইনফর্মেশন ওয়েবসাইট এর জন্য info.

নন-প্রফিটেবল অরগ্যানাইজেশন জন্য Org. অনলাইন সেবা দানকারী প্রতিষ্ঠান এর জন্য net। আবার সকল দেশ এর নিজস্ব টপ লেভেল ডোমেইন ডোমেইন আছে। যেমন ঃব্রিটেন এর Uk. জাপানের Jp. বাংলাদেশ এর Bd.। আর ও একটি সুখবর হল আমাদের দেশের প্রধানমন্ত্রী ডোমেইন এর জন্য আবেদন করেছেন।

কি ধরনের ডোমেইন আমরা বেচে নিব বা কিনব

যে কোন ধরনের ডোমেইন নিয়া যায়।আগে আমরা নিজের ডোমেইন নেম টা নির্বাচন করব। তারপর আমরা যে ডোমেইন কিনব সেইটা নেট এ দেখব যে সেইটার ফাঁকা আছে কিনা। যদি ফাঁকা তাকে তাহলে সেইটা আমরা ইন্টারনেট থেকে কিনতে পারব। অললাইন এ ডোমেইন কিনার জনপ্রিয় সাইট হলwww.godady.com. www.small.business. yahoo.com. www.bluehost.com এগুল থেকে ডোমেইন নেম কিনতে হলে আপ্নার খরচ হবে ৭-১০ ডলার এর মত যা বাংলাদেশি টাকা প্রায় ৬০০-৭০০ টাকা। প্রতিবছর এর রিনিউ ফি ৭০০ টাকা প্রায়। আর অনলাইন থেকে আই ডোমেইন কিনতে হলে আপনাকে পেপাল বা ভিসা কার্ড, মাস্টার কার্ড বা আপনি বিকাশ এর মাধ্যমে ব্যবহার কররে পারবেন। 

ডোমেইন কিনার সময় কিছু গুরুপ্তপূর্ণ বিষয় আপনাকে মনে রাখা উচিত

১। সবচেয়ে সহজ নামে ডোমেইন নির্বাচন করতে হবে ,যাতে আপনার ভিজিটররা সহজে আপনার ডোমেইন নেম টা মনে রাখতে পারে। 
২। ডোমেইন নাম বড় করা থেকে বিরত রাখতে হবে। 
৩। নিজের কোম্পানির নাম এর সাথে মিল রেখে ডোমেইন নাম নির্বাচন করতে হবে। 

হোস্টিং (Hosting)

নিজের ওয়েবসাইট এর জন্য নিজে যেই পিএইচপি, এইচটিএমএল বা এএসপি ফাইল লিখা হয় সেগুল অনলাইন এ কোথাও ও জনা কোথাও রাখতে হবে যেখান থেকে দর্শনার্থীরা সহজেই জেগুল দেখতে পারে। অনলাইন এ ফাইল গুল আদর যত্ন ও পরিচর্যা করছে সেহেতু এরা হল হোস্ট। আর এরা যে সেবা দিচ্ছে সেটাই হল হোস্টিং সার্ভিস।

সার্ভার (Server)

হোস্টিং এর কথা বলতে গেলেই শুরুতেই আছে সার্ভার শব্দটি। সার্ভার বলতে একটি সুপার কম্পিউটার কে বুজায়। এ ধরনের কম্পিউটার সাধারনত বিশাল ডাটা সেন্টার এ থাকে ,যেখানে অনেক ডাটা স্টোরেজ থাকে। এভাবে অনেক ব্যবহারকারী একটা সার্ভার ব্যবহার করলে তাকে শেয়ারড হোস্টিং সার্ভার বলে। 

ওয়েব সার্ভার এর অপারেটিং সিস্টেম 

এটা খুবই গুরুপ্তপূর্ণ একটি বিষয়। কারন এটার ওপর নির্ভর করে কোন ডাটাবেস ম্যানেজমেন্ট সার্ভার ও কোন ধরনের ল্যাঙ্গুয়েজ ব্যবহার করা হবে। ওয়েব সার্ভার গুলতে মুলত তিন ধরনের অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করা হয় -লিনাক্স ,উইন্ডোজ ও ইউনিক্স। 

শেয়ারড না ডেভিকেটেড সার্ভার 

মুলত দুই ধরনের হোস্টিং সার্ভিস চালু আছে। দাম এবং পারফর্মে বিশাল পার্থক্য এখানে। শেয়াড হোস্টিং এর ক্ষেত্রে একই সার্ভার এ একাধিক ওয়েবসাইট হোস্ট করা হয়। ফলে খ্রচ অনেক কম হয়। যদি নিজের ওয়েবসাইট এর ভিজিটর এর সংখা ১ হাজারের নিচে হয় তাহলে এ ধরনের সার্ভিস বেছে নিতে হবে। আর অন্য ধরনের সার্ভিস হল ডেডিকেটেড হোস্টিং। এ ক্ষেত্রে শুধু একটি ওয়েবসাইট হোস্টিং করা হয়। এটা বেশ বায়বহুল। প্রতি মাস এ এতে প্রায় ন্যূনত্বম ৮০ থেকে ১০০ ডলার খরচ হয়ে থাকে।

অন্যদের সাথে শেয়ার করুন

1 Comments

দয়া করে নীতিমালা মেনে মন্তব্য করুন ??

নটিফিকেশন ও নোটিশ এরিয়া