Technical Care BD https://www.technicalcarebd.com/2021/10/google-theke-taka-income.html

গুগল থেকে টাকা ইনকাম | গুগল থেকে টাকা আয়

গুগল থেকে টাকা ইনকাম — গুগল থেকে টাকা ইনকাম করার জন্য যে, আমাদেরকে গুগলে চাকরি করার প্রয়োজন হবে ঠিক বিষয়টি কিন্ত এমন না। বর্তমান সময়ে বেশিরভাগ মানুষ অনলাইনে সময় দিতে অনেক বেশি পছন্দ করে বা মানুষ এখন অনলাইন প্রিয়। টেকনোলজি নির্ভর আধুনিক সময়ে আমরা সকলেই ইন্টারনেটের উপরে নির্ভরশীল। যেকোনো বিষয়ে অথবা যেকোনো কিছু সম্পর্কে জানার জন্যে আমদের সকলের ভরসা বর্তমানে অনলাইন বা ইন্টারনেট। 

গুগল হচ্ছে ইন্টারনেট ভিত্তিক সেবাদান বিশিষ্ট একটি আমেরিকান মাল্টি-ন্যাশনাল প্রযুক্তি কোম্পানি। সার্চ ইঞ্জিন, অনলাইন অ্যাডভার্টাইজিং, ক্লাউড কম্পিউটিং, সফটওয়্যার, হার্ডওয়্যার ইত্যাদি নানা ধরনের প্রোডাক্ট গুগলের আছে। গুগলকে বর্তমানে সারাবিশ্বের সবচেয়ে বড় কোম্পানি হিসেবে ধরা হয়ে থাকে।

গুগল থেকে টাকা ইনকাম

গুগল হলো অনলাইন ভিত্তিক একটি সেবাদান প্রতিষ্ঠান। গুগলের বিভিন্ন সার্ভিসের মাঝে সবথেকে বেশি যে সার্ভিস ব্যবহার করা হয়ে থাকে, তা হচ্ছে গুগল সার্চ। গুগল সার্চ বেশি পরিমাণে ব্যবহার হোক অথবা কম পরিমাণে ব্যবহার হোক। আমাদের সবার কথা হচ্ছে আমরা কি গুগলকে ব্যবহার করে টাকা ইনকাম করতে পারবো? হ্যাঁ, আপনি গুগলের সার্ভিস ব্যবহার করে গুগল থেকে টাকা ইনকাম করতে পারবেন।

ইন্টারনেট বিশ্ব বর্তমানে এতটাই বেশি পরিমাণে শক্তিশালী হয়েছে যে, সারাবিশ্বের নিয়ন্ত্রণভার এখন ইন্টারনেটে সীমাবদ্ধ রাখা সম্ভব। আর সেই ইন্টারনেট বিশ্বের অন্যতম শাসক হচ্ছে গুগল, সেটা নিয়ে আমাদের কারো কোনো ধরনের সন্দেহ নাই। গুগল সম্পূর্ণ ইন্টারনেট বিশ্বে শাসন করবে এটাই স্বাভাবিক। 

গুগল থেকে টাকা ইনকাম করার অনেক পদ্ধতি রয়েছে। গুগল অনলাইনে এমন অসংখ্য পদ্ধতি তৈরি করে দিয়েছে, যার সাহায্য নিমিষেই টাকা ইনকাম করে নেয়া সম্ভব। আপনি যদি ঘরে বসে অবসর সময়কে সঠিক কাজে লাগাতে চান, তাহলে আপনি অনায়াসেই গুগল থেকে টাকা ইনকাম করতে পারবেন। আপনি ঠিক মতো কাজ করতে পারলে প্রতিদিন ১০ ডলার থেকে ১০০ ডলার পর্যন্ত গুগল থেকে ইনকাম করতে পারবেন। 

তবে হ্যাঁ, অনেকেই এর থেকেও বেশি পরিমাণে গুগল থেকে টাকা ইনকাম করছেন। তাই, আপনিও যদি ঘরে বসে গুগল থেকে টাকা ইনকাম করার কথা ভেবে থাকেন, তাহলে এই আর্টিকেলটি আপনার জন্য অনেক উপকারি হবে বলে আমি মনে করি। আজকের এই আর্টিকেল থেকে আমরা জানবো কিভাবে গুগল থেকে টাকা ইনকাম যায়। চলুন এক নজরে জেনে নেই গুগল থেকে টাকা ইনকাম করার উপায় সম্পর্কেঃ

১. ব্লগিং করে টাকা আয় | গুগল থেকে টাকা ইনকাম

ব্লগিং করে গুগল থেকে টাকা ইনকাম করা যায়। যদি আপনি একজন খুবই ভালো মানের ব্লগার হয়ে থাকেন তবে এই সুযোগটি শুধুই আপনার জন্য। ব্লগার হচ্ছে গুগলের একটি সেবা। ব্লগে বিভিন্ন আর্টিকেল দেওয়ার মাধ্যমে টাকা ইনকাম করা যায়। আপনি বিভিন্ন টপিক নিয়ে ব্লগ লিখতে পারবেন। সেই টপিক সম্পর্কিত কিছু যখন মানুষ গুগল অথবা অন্যান্য সার্চ ইঞ্জিনে সার্চ করবে তখন আপনার ব্লগের আর্টিকেলটি সকলেই দেখতে পাবে। হ্যাঁ এক্ষেত্রে, আপনার ব্লগে আর্টিকেলের মান অবশ্যই ভালো হতে হবে।

ব্লগিং বাংলা কিংবা ইংলিশ দুই ভাষাতেই হতে পারে। যেকোনো বিষয়ে লিখার জন্য আগেই সেই বিষয়টি নিয়ে ভালোভাবে রিসার্চ করে নিতে হবে। আর্টিকেলটি যেন খুবই সুন্দর হয়ে থাকে এবং তথ্যবহুল হয় সেই দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। আপনি চাইলে একের অধিক ব্লগ থেকে টাকা ইনকাম করতে পারবেন।ব্লগিং করার জন্যে আপনার যেসকল তথ্য বা যোগ্যতা প্রয়োজন হবেঃ

১। একটি কাস্টম ডোমেইন এবং ওয়েবসাইট।
২। এসইও (সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশন) সম্পর্কে সঠিক জ্ঞান।
৩। নিজে আর্টিকেল রাইটিং করা অথবা অন্যকে দিয়ে আর্টিকেল লিখে নেয়ার মতো পর্যাপ্ত টাকা পয়সা।

ব্লগিং করে টাকা ইনকাম করার জন্য আপনাকে blogger.com ওয়েবসাইট থেকে একটি ব্লগ সাইট ওপেন করতে হবে। তারপর ব্লগ সাইটের জন্য আপনাকে সুন্দর একটি নাম সিলেক্ট করতে হবে। একটি নির্দিষ্ট কাস্টম ডোমেইন সেটআপ করে নিতে হবে।

যদি আপনি নতুন করে ওয়েবসাইট বানাতে না পারেন, তবে টেকনিক্যাল কেয়ার বিডি টিমের কাছে থেকে সল্প খরচে একটি ব্লগ ওয়েবসাইট তৈরি করে নিতে পারেন। এরপর এই ব্লগ ওয়েবসাইটটি সাবমিট Google search Console এ সাবমিট করতে হবে। তারপর ব্লগে বিভিন্ন ধরনের কোয়ালিটি সম্পূর্ণ আর্টিকেল পাবলিশ করতে হবে। ধীরে ধীরে ব্লগে আর্টিকেল এবং ভিজিটর বৃদ্ধি পাইলে গুগল অ্যাডসেন্সের জন্য এপ্লাই করতে হবে। গুগল অ্যাডসেন্সের জন্য আবেদন করার পরে শুরু হবে গুগল থেকে টাকা ইনকাম করার পালা। প্রত্যেক মাসে যদি আপনি ১০০ ডলার করে ইনকাম করতে পারেন, তবে গুগল সরাসরি আপনার ব্যাংক একাউন্টের মাধ্যমে টাকা পাঠিয়ে দিবে।

২. গুগল এডসেন্স থেকে টাকা আয় | গুগল থেকে টাকা ইনকাম

গুগল অ্যাডসেন্স হলো এক রকমের মধ্যস্থতাকারী ওয়েবসাইট। এই গুগল অ্যাডসেন্সের মাধ্যমে বিভিন্ন ওয়েবসাইটগুলো বিজ্ঞাপন বা অ্যাড দেখানো হয়ে থাকে। ওয়েবসাইটে কিংবা ইউটিউব চ্যানেলে এই বিজ্ঞাপন বা অ্যাড দেখানোর মাধ্যমে গুগল আমাদের পেমেন্ট করে। তো এখন কথা হচ্ছে গুগল আমাদেরকে টাকা দেয় এতে গুগল এর লাভ কি? গুগল অ্যাডসেন্স কিভাবে কাজ করে। চলুন জেনে নেই গুগল অ্যাডসেন্স কিভাবে কাজ করে।

গুগল অ্যাডসেন্স এর কাজ কি

গুগল অ্যাডসেন্সের ব্যাপারে জেনে হয়তোবা ইতিমধ্যে অনেকেই হতবাক হয়ে যেতে পারেন। হ্যাঁ এটাই স্বাভাবিক। কেননা গুগল অ্যাডসেন্স দারা অ্যাড বা বিজ্ঞাপন ওয়েবসাইটে এবং ইউটিউব চ্যানেল পাবলিশ হচ্ছে। সেই পাবলিশ করা অ্যাড দেখিয়ে ওয়েবসাইটের মালিকরা ডলার ইনকাম করছে। আসলে ব্যাপার হচ্ছে কি? গুগল অ্যাডসেন্স বিভিন্ন কোম্পানির কাছে থেকে অর্থের বিনিময়ে বিজ্ঞাপন নেয়। এখন কথা হচ্ছে, এই বিজ্ঞাপন গুলোকে গুগল কোথায় দেখাবে? 

বাংলাদেশের টেলিভিশন চ্যানেল গুলোতে আর দেখানো সম্ভব নয়, কি তাইনা? তো, গুগল এই বিজ্ঞাপন বা এড গুলোকে যথাক্রমে ওয়েবসাইট এবং ইউটিউব চ্যানেলে দেখায়। কেননা ব্লগার এবং ইউটিউব গুগলের প্রোডাক্ট। এছাড়াও আপনি আরও অন্যান্য প্লাটফর্মে গুগল অ্যাডসেন্স ব্যাবহার করতে পারবেন। আমাদের ওয়েবসাইটে আপনি যেসকল বিজ্ঞাপন বা অ্যাড দেখছেন। এগুলো কিন্তু গুগল দারা দেখানো বিজ্ঞাপন বা অ্যাড।

গুগল অ্যাডসেন্স থেকে ইনকাম কেমন হয়

গুগল অ্যাডসেন্স থেকে টাকা ইনকাম মূলত নির্ভর করে আপনার ওয়েবসাইটের ভিজিটর এবং ভিউয়ের উপর। গুগল এডসেন্স ওয়েবসাইটের মালিকদেরকে পেমেন্ট করে ৬৮ শতাংশ এবং ইউটিউবারদের পেমেন্ট করে ৫১ শতাংশ। অর্থাৎ, কোনো অ্যাড দেয়া কোম্পানির দারা গুগল যদি ১০০ টাকা নিয়ে থাকে তাহলে, গুগল সেখান থেকে নিজে রাখে ৩২ টাকা এবং ওয়েবসাইটের মালিককে দেয় ৬৮ টাকা। এবং কোনো বিজ্ঞাপন দেওয়া কোম্পানির থেকে গুগোল যদি ১০০ টাকা নিয়ে থাকে তবে, গুগল সেখান থেকে নিজে ৪৯ টাকা রেখে দেয়। আর ইউটিউবারকে দিয়ে দেয় ৫১ টাকা।

আপনার ব্লগ, ওয়েবসাইট অথবা ইউটিউব চ্যানেলটি যখন অনেক বেশি জনপ্রিয় হয়ে যাবে, তখন আপনি সেই ব্লগ, ওয়েবসাইট অথবা ইউটিউব চ্যানেলের সাথে গুগল এডসেন্স অ্যাড করে দিবেন। তখন উক্ত ব্লগ, ওয়েবসাইট, ইউটিউব চ্যানেলে গুগলের দারা তাদের অ্যাড গুলো অটোমেটিকভাবে দেখাবে। এই অ্যাড গুলোতে যখন কেউ দেখবে এবং বিজ্ঞাপন গুলোতে ক্লিক করবে তখন গুগল সেই ব্লগ, ওয়েবসাইট, ইউটিউব চ্যানেলের মালিকদেরকে টাকা পেমেন্ট করবে। 

গুগল থেকে টাকা ইনকাম করার জন্য গুগল অ্যাডসেন্সের ওয়েবসাইটে গিয়ে নিজস্ব ওয়েবসাইট, ব্লগ অথবা ইউটিউব চ্যানেলটিকে গুগল অ্যাডসেন্স দারা আপ্রুভ করতে হবে। একটি নির্দিষ্ট পরিমাণে ডলার অর্থাৎ অ্যাকাউন্টে ১০ ডলার জমা হলে অ্যাডসেন্স কোড ভেরিফাই করতে হবে। এরপর ধীরে ধীরে গুগল থেকে টাকা ইনকাম আসতেই থাকবে।

৩. ইউটিউব থেকে টাকা ইনকাম | গুগল থেকে টাকা ইনকাম

ইউটিউব হচ্ছে ভিডিও দেখার সবথেকে জনপ্রিয় ওয়েবসাইট। হ্যাঁ আপনি এই ইউটিউব ব্যবহার করে টাকা ইনকাম করতে পারবেন। ইউটিউব চ্যানেলে সুন্দর ‍সুন্দর ভিডিও শেয়ার করে টাকা আয় করা যায়। মনে রাখবেন, ইউটিউবে শেয়ার করা ভিডিও গুলো হতে হবে নিজের তৈরি করা। কোনো প্রকার কপি ভিডিও আপলোড করা যাবেনা। ইউটিউবে আপনি বিভিন্ন ধরনের ভিডিও আপলোড করতে পারবেন। ইউটিউব চ্যানেলে বিভিন্ন রকমের রান্নার ভিডিও, বিভিন্ন অনলাইন কোর্স, মজার ভিডিও, পড়াশুনা বিষয়ে ভিডিও, শিক্ষামূলক কোনো প্রকার ভিডিও, ট্র্যাভেল বিষয়ে কোনো ভিডিও ইত্যাদি।

ইউটিউবে শেয়ার করার ভিডিও গুলো থেকে যেন মানুষ কিছু শিখতে পারে অথবা উক্ত বিষয়ে মানুষ জানতে পারে। ইউটিউব চ্যানেলে আপলোড করা ভিডিও গুলো যেন মানুষকে আনন্দ দেয়, এসকল বিষয়ের উপর লক্ষ্য রাখতে হবে। এছাড়াও, আপনি ইউটিউব চ্যানেলে নিজের কোনো প্রোডাক্টের ভিডিও তৈরি করে, ইউটিউব চ্যানেলের মাধ্যমে উক্ত প্রোডাক্টের প্রচার-প্রসার করতে পারেন এবং প্রোডাক্ট বিক্রি করতে পারেন। 

ইউটিউব চ্যানেলে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে অথবা বিভিন্ন স্পনসরশিপ নিয়ে ইউটিউব থেকে টাকা আয় করা যায়। স্পনসরশিপ এর কাজ করলে, তখন গুগল থেকে টাকা ইনকাম করার পাশাপাশি উক্ত কোম্পানি থেকে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণে টাকা আয় হয়ে থাকে। ইউটিউব থেকে টাকা ইনকাম করার জন্য সর্বপ্রথমে আপনাকে একটি ইউটিউব চ্যানেল খুলতে হবে। তারপরে সেই ইউটিউব চ্যানেলে ধীরে ধীরে ভিডিও শেয়ার করবেন। চ্যানেল ভিউয়ার্স বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে আপনার ইনকাম ও বৃদ্ধি পাবে।

৪. গুগল এডমোব থেকে টাকা আয় | গুগল থেকে টাকা ইনকাম

আমাদের দৈনন্দিন জীবনের বিভিন্ন কাজকে সহজ থেকে সহজতর করে দিয়েছে মোবাইল অ্যাপ।আমাদের মাঝে প্রায় সকলের স্মার্টফোনে কমবেশি অ্যাপ/গেমস ইন্সটল করা রয়েছে। আমরা এসকল অ্যাপ/গেমস ব্যবহার করার সময় অনেকেই হয়তোবা দেখি হঠাৎ কোনো একটি বিজ্ঞাপন আমাদের সামনে চলে আসছে এটিই হচ্ছে অ্যাডস।

এডমোব হচ্ছে এক ধরনের মোবাইল অ্যাডভারটাইজিং সার্ভিস। এই এডমোবের কাজ হচ্ছে মোবাইলের বিভিন্ন অ্যাপের মাঝে অ্যাড দেখানো। এডমোবকে বলতে পারেন গুগল এডসেন্সের মামাতো ভাই। গুগল এডসেন্সের মাধ্যমে ওয়েবসাইটগুলোতে অ্যাড দেখানো হয়। আর গুগল অ্যাড মোবের মাধ্যমে মোবাইল অ্যাপগুলোতে অ্যাড দেখানো হয়ে থাকে।

মনে রাখবেন গুগল ছাড়াও আরো অনেক কোম্পানি অ্যাড দিয়ে থাকে। গুগল এর যেই অঙ্গ সংগঠনটি অ্যাপ বা গেমসের জন্য অ্যাড প্রোভাইড করে সেটিই হচ্ছে এডমোব। আপনার অ্যাপে যদি ভালোমানের কন্টেন্ট থাকে এবং অ্যাপটি যদি গুগল প্লেস্টোরে আপলোড করা থাকে তাহলেই আপনি আপনার অ্যাপের মধ্যে এডমোব এর অ্যাড ব্যবহার করতে পারবেন।

সাধারণত অ্যাডসেন্সের মতো এডমোব তেমন কোনো শর্ত নেই। যেকেউ চাইলেই খুবই সহজে এডমোবের অ্যাডস অ্যাপের মাঝে ব্যবহার করতে পারবেন। কিন্তু হ্যাঁ অ্যাপটিকে অবশ্যই গুগল প্লে স্টোরে আপলোড করতে হবে। গুগল এডমোব বা অ্যাডসেন্স ইনভালিড ক্লিকের ব্যাপারে অনেক বেশি সর্তক। তাই কখনো ইনভ্যালিড ক্লিক করার চেষ্টা করবেন না। গুগলের এই এডমোব প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে আপনি সরাসরি গুগল থেকে টাকা ইনকাম করতে পারবেন এবং এসকল প্ল্যাটফর্ম গুলোতে টাকা ইনকাম আপনাকে সরাসরি আপনার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠাবে।

এডমোব থেকে আয় কেমন হয়

Balloon Island এই কোম্পানিটি গত ২০১৬ সালে একটি অ্যাপ তৈরি করে গুগল প্লে-স্টোরে আপলোড করে প্রতিদিন 2000 ডলার করে গুগল এডমোব থেকে আয় করেছে। ২০০০ হাজার ডলার মানে একবার হিসাব করে দেখুন তো। ২০০০ হাজার ডলার বাংলাদেশি টাকায় কনভার্ট করলে ২,০০০*৮০ = ১,৬০,০০০ টাকা মাত্র। সারাবিশ্বের সেরা কোম্পানী গুগল নিজেই তাদের একটি পাবলিশ করা এক আর্টিকেলে এই বিষয়ে বিস্তারিত বলছে। এই রকম হাজার হাজার নজির রয়েছে, যা লিখতে গেলে এই রকম আরো কয়েক হাজার আর্টিকেলের প্রয়োজন যাবে।

যদি আপনি কোনো মোবাইল অ্যাপ তৈরি করে থাকেন তবে, সেখানে এডমোবের দারা অ্যাড ব্যাবহার করে আপনি গুগল থেকে টাকা ইনকাম করতে পারবেন। আমরা আমাদের স্মার্টফোনে বিভিন্ন ধরনের অ্যাপ ডাউনলোড করে ইন্সটল করে থাকি প্রতিনিয়ত। এই সকল অ্যাপ ব্যবহার করার সময়ে আমরা অ্যাপের মাঝে বিভিন্ন ধরনের অ্যাড দেখে থাকি। এই সকল অ্যাপ দেখানোর মাধ্যমেই অ্যাপের প্রতিষ্ঠাতাগণ গুগল থেকে টাকা ইনকাম করে থাকেন।

তবে, মোবাইল অ্যাপ তৈরি করার পরে অবশ্যই সেই অ্যাপ গুগল প্লে-স্টোরে আপলোড করতে হবে। মনে রাখবেন আপনার তৈরি করা মোবাইল অ্যাপ গুগল প্লে স্টোরে পাবলিশ করার জন্য ২৫ ডলারের প্রয়োজন হবে। অ্যাপ গুগল প্লে স্টোরে পাবলিশ না করলে সেটা বেশি মানুষের কাছে পৌঁছাবে না। মনে রাখবেন অ্যাপ যতবেশি মানুষ ব্যবহার করবে আপনার ইনকামও কিন্ত ততবেশি পরিমাণে হবে। এই কাজটি করার জন্য প্রথমে আপনাকে এডমোব ওয়েবসাইটে গিয়ে নিজের একটি একাউন্ট খুলতে হবে। এরপর সেখানে নিজের তৈরি অ্যাপটি দিয়ে গুগল প্লে-স্টোরে পাবলিশ অপশন ওপেন করে অ্যাড অপশনটিতে ক্লিক করতে হবে।

বিঃদ্রঃ আপনি চাইলে আমাদের থেকে স্বল্প মূল্য এন্ড্রয়েড অ্যাপ ডেভেলপমেন্টের ফুল কোর্স কিনে কাজ শিখতে পারেন। আপনিও হতে পারেন একজন প্রফেশনাল এন্ড্রয়েড অ্যাপ ডেভেলপার। এবং মোবাইল অ্যাপ ডেভেলপ করে ঘরে বসে ইনকাম করতে পারেন হাজার হাজার ডলার। আমাদের এই এন্ড্রয়েড অ্যাপ ডেভেলপার কোর্সটির মূল্য রাখা হয়েছে মাত্র ৯৬০ টাকা। এন্ড্রয়েড অ্যাপ ডেভেলপমেন্ট কোর্স কিনতে যোগাযোগ করুন 01774676424 এই নাম্বারে। 

পাশাপাশি আপনি ডিজিটাল মার্কেটিং কোর্স করে ঘরে বসে অনলাইন থেকে হাজার হাজার টাকা ইনকাম করতে পারবেন। যদি আপনি একজন ডিজিটাল মার্কেটার হয়ে টাকা ইনকাম করতে চান তাহলে আমাদের এই ডিজিটাল মার্কেটিং ফুল কোর্সটি কিনতে পারেন। আমাদের এই ডিজিটাল মার্কেটিং এর কোর্স ফি রাখা হয়েছে মাত্র ১০০০ হাজার টাকা। আমাদের এই কোর্সে কাজ শেখা থেকে শুরু করে অনলাইনে টাকা ইনকাম A to Z শেখানো হয়েছে। কোর্স কিনতে যোগাযোগ করুন 01774676424 এই নাম্বারে। কোর্সের ফ্রি ১ থেকে ২ নাম্বার ডেমো ক্লাস দেখতে এখানে ক্লিক করুন (১ম ক্লাস) এবং ২য় ক্লাস দেখতে এখানে ক্লিক করুন (২য় ক্লাস)

গুগল প্লে স্টোরে অ্যাপ আপলোড করার নিয়ম

একটি গুগল একাউন্ট অর্থাৎ Wallet Merchant Account তৈরি করে নিন। এরপর সেখানে সাইন ইন করুন এবং Financial Reports নামের অপশনটিতে ক্লিক করুন। Set Up a Merchant Account Now এই অপশনটিতে ক্লিক করুন। তারপর আপনার তৈরি করা মোবাইল অ্যাপটি আপলোড করুন এবং অ্যাপটি সেল করা শুরু করে দিন। আমি যেহেতু আপনাকে বলছি যে, গুগল প্লে স্টোরে অ্যাপ সেল করে টাকা ইনকাম করুন। মানে হচ্ছে গুগল প্লে-স্টোরে অ্যাপ দিবেন এবং সেটার একটি নির্ধারিত মূল্য নির্ধারণ করবেন। হ্যাঁ এটি অবশ্যই পেইড অ্যাপ হতে হবে। তাহলে আপনি অ্যাপ সেল করে টাকা ইনকাম করতে পারবেন। 

যদি একবার পেইড অ্যাপ সাবমিট হয়ে যায় এবং ভালো ফিচারযুক্ত হয়। তাহলে অবশ্যই ভিজিটর আসবে এবং অ্যাপটি ক্রয় করে নেবে এবং যতবেশি পরিমাণে ইউজার অ্যাপটি ক্রয় করবে তখন আপনার মার্চেন্ট অ্যাকাউন্টে ততবেশি পরিমাণে টাকা জমা হতে থাকবে।

আপনার যদি একটি পেইড অ্যাপ হয়ে থাকে। তাহলে মনে রাখবেন পেইড অ্যাপকে কখনো আপনি ফ্রি অ্যাপে পরিণত করতে পারবেন না। ঠিক একই ভাবে কোনো ফ্রি অ্যাপকে কখনো পেইড অ্যাপে পরিণত করতে পারবেন না। যখন অ্যাপটি আপলোড করবেন তখনই আপনাকে ঠিক করে নিতে হবে, অ্যাপটি পেইড হবে নাকি ফ্রি?

৫. গুগল অ্যাডওয়ার্ড থেকে টাকা ইনকাম | গুগল থেকে টাকা ইনকাম

গুগল অ্যাডওয়ার্ড হচ্ছে অ্যাড দেয়ার একটি মাধ্যম। এটি এমন একটি অ্যাপ্লিকেশান যেখানে আপনি আপনার বিভিন্ন প্রোডাক্টের অ্যাড দেখাতে পারবেন এবং এখান থেকে সেই প্রোডাক্ট বিক্রি করতে পারবেন। এই অ্যাডওয়ার্ডের মাধ্যমে বিজনেস পেজ অথবা ওয়েবসাইটকে সকলের সামনে নিয়ে আসতে পারবেন এবং প্রোডাক্ট বিক্রি করতে পারবেন। তবে, অ্যাড দেখানোর জন্য কিছু পরিমাণে টাকা ব্যয় করতে হবে। অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করা প্রোডাক্ট এই অ্যাডওয়ার্ডের মাধ্যমে বিক্রি করতে পারবেন। 

মনে করুন, কোনো একটি প্রোডাক্টের মূল্য ২৫,০০০ হাজার টাকা। এই প্রোডাক্ট বিক্রি করলে আপনি পাবেন ২,৫০০ হাজার টাকা বোনাস। তোহ ১,৫০০ টাকা অ্যাডওয়ার্ড খরচ করে উক্ত প্রোডাক্ট প্রচার করলে ক্ষতি কি? গুগল অ্যাডওয়ার্ড থেকে টাকা ইনকাম করতে হলে, আপনাকে সর্বপ্রথম অ্যাডওয়ার্ড ওয়েবসাইটে গিয়ে একটি অ্যাকাউন্ট ওপেন করতে হবে। তারপরে যেখানে অ্যাড দেখাতে হবে সেটি সিলেক্ট করে অ্যাড অপশন চালু করতে হবে। এরপর অ্যাড দেখানোর মাধ্যমে গুগল থেকে টাকা ইনকাম করা যাবে।

শেষ কথা

প্রিয় পাঠক এই ছিলো গুগল থেকে টাকা ইনকাম করার ৬টি সহজ উপায়। উপরোক্ত পদ্ধতি ব্যবহার করার মাধ্যমে বর্তমানে অনেকেই আজ মিলিওনিয়ার হয়েছেন। সবশেষে বলতে পারি যে, গুগল ব্যবহার করে আমরা বিভিন্ন ভাবে বা বিভিন্ন পদ্ধতি অনুসরণ করে টাকা ইনকাম করতে পারি। অযথা ঘরে বসে অকারণে সময় নষ্ট না করে উক্ত বিষয়গুলো নিয়ে কাজ করলে আপনি ঘরে বসেই প্রতিনিয়ত হাজার হাজার ডলার গুগল থেকে ইনকাম করতে পারবেন।

অন্যদের সাথে শেয়ার করুন

0 Comments

দয়া করে নীতিমালা মেনে মন্তব্য করুন ??

নটিফিকেশন ও নোটিশ এরিয়া